1. masudkhan89@gmail.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@yahoo.com : Masud Khan : Masud Khan
ব্রেকিং নিউজ :
এলাকার শান্তি বিনষ্টকারী যে দলেরই হোক ছাড় দেওয়া হবে না: হুইপ রকিবুল ইসলাম বকুল উজিরপুরে দুর্গাপূজা উপলক্ষে মতবিনিময় সভা রাঙামাটিতে বিশেষ অভিযানে ছাত্রলীগ নেতা, মাদক কারবারি ও মাদকসেবীসহ গ্রেপ্তার ১২ কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসনের আয়োজনে শান্তিপূর্ণ ও আনন্দমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা পালনের প্রস্তুতি সভা  আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে চাঁদপুরে প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত মতবিনিময় সভা বিদ্যুৎস্পৃষ্টে বেতমোর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোঃ সোলাইমান হোসেন পিন্জু ফরাজির মৃত্যু  চরকালেখান ইউনিয়নের উন্নয়নে নিজেকে উৎসর্গ করতে চান মোশাররফ হোসেন ঢালী দুর্গাপূজায় ড. অরূপ রতন চৌধুরীর ‘জয় মা দুর্গা’ বিনিয়োগ আকর্ষণে ২০ উদ্যোগের ৭টি বাস্তবায়ন, পাইপলাইনে ১৩০ কোটি ডলার মতপার্থক্য ও শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য: রাষ্ট্রপতি

এক সপ্তাহের ব্যবধানে পেয়াজের দাম দ্ধিগুন, মজুদদারদের সিন্ডিকেট কৃত্রিম সংকট, ক্রেতারা ক্ষুব্ধ

  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৫
  • ০ দেখেছেন

মৌসুম প্রায় শেষ। আর কিছুদিনের মধ্যে বাজারে আসবে নতুন পেয়াজ। নতুন পেঁয়াজ বাজারে আসলেই মজুদদারদের আড়তে সংরক্ষণ করা পেয়াজের দাম পড়ে যাবে। আর সেই আশংকায় মজুদদাররা সিন্ডিকেট তৈরি করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করেছে এ পন্যের। নতুন পেয়াজ আসার আগে যতটা চড়া দামে বিক্রি করে পুষিয়ে নেওয়া যায়। এমনটাই জানিয়েছেন কয়েকজন আড়ৎদার। একারনে সপ্তাহ খানেক আগে যে পেয়াজের দাম ছিল কেজি প্রতি ৭৫ থেকে ৮০ টাকা। এখন তা বিক্রি হচ্ছে ১১০ টাকা থেকে ১২০ টাকা। হঠাৎ করে এমন চড়া দাম হাকায় ক্ষুদ্ধ ক্রেতারা। আড়তদাররা বলছে, মৌসুম শেষ উৎপাদও কম। ভারতীয় পেয়াজের আমদানিও বন্ধ। আর খুচরা বিক্রেতারা বলছে, কি কারনে দাম বেড়েছে সঠিকভাবে বলতে পারছি না। ক্রেতাদের অভিযোগ মজুদ সিন্ডিকেট আর ঠুনকো অজুহাতে বাড়ানো হয়েছে এ পন্যের দর। আজ নগরীর ময়লাপোতা, গল্লামারী, খালিশপুর হাউজিং বাজার সহ বিভিন্ন বাজারে এমন চিত্র দেখা যায়। বাজারে প্রতি কেজি পেয়াজের খুচরা মুল্য ১১০ টাকা থেকে ১২০ টাকা। তবে ছোট পেয়াজ বা নিন্মমানের এ পন্যে ১০০ টাকায়ও মিলছে হাতে গোনা কয়েকটি দোকানে। অন্যদিকে সোনাডাঙ্গা পাইকারি বাজারের আড়তে এ পন্যে ৯৫ টাকা থেকে ১০৫ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। পাইকারি বাজার থেকে খুচরা বাজারে আকার ভেদে এ পন্যের দামের ব্যবধান ১৫ থেকে ২৫ টাকা। বাড়তি দরের কারনে বিপাকে পড়েছে নিন্ম ও মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষ। ময়লাপোতা সন্ধ্যা বাজারে আসা ক্রেতা আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ৮০ টাকা দরের পেয়াজ ১২০ এলাকায় বিক্রি হচ্ছে। আমরা এর উল্লেখযোগ্য কোন কারন খুজে পাচ্ছি না। এটা সিজনাল কারনে নাকি সিন্ডিকেটের কারনে বাড়ানো হয়েছে। গল্লামারী বাজারে বাজার করতে আসা মোঃ আজিজুল ইসলাম বলেন, ” গ্যাস ঝালাইয়ের কাজ করে সংসার চালাতে হয়। সংসার চালাতে এমনিতেই কষ্ট হয়ে যায়। এরপর আবার মাঝেমধ্যে প্রয়োজনী কিছু পন্যের দাম হঠাৎ করে বেড়ে গেলে বিপাকে পড়তে হয় আমাদের। সোনাডাঙা পাইকারি আড়তে মেসের জন্য পুরো মাসের পেয়াজ, রসুন, আদা ক্রয় করতে আসছিলেন উর্মিলা ও তার বান্ধবিরা। তারা বলেন দাম বেশি থাকার কারনে চাহিদার তুলনায় কয়েক কেজি ক্র‍য় কম করেছি। ১০৫ টাকা দরে ৩০ কেজি পেয়াজ নিয়েছি। ময়লাপোতা সন্ধ্যা বাজারে খুচরা বিক্রেতা সোহান বলেন, সিজন শেষ একারনে দাম চড়া। দুই থেকে তিন সপ্তাহ ধরে দাম বাড়বে ছাড়া কমবে না। দাম বেশি থাকলে বেচাকেনা কমে যায়। দাম বাড়ার কারনে মাত্র ৫০ কেজি পেয়াজ তুলেছি। অর্ধেকের মত বিক্রি হয়েছে। সোনাডাঙ্গা পাইকারি বাজারের ব্যবসায়ীরা বলছেন, ভারতীয় এলসি বন্ধ। দেশি পেয়াজের আমদানি কম। প্রান্তিক পর্যায়ে নতুন পেয়াজ রোপন শুরু হয়েছে। যদি ভারত থেকে আমদানি করা যায় তবে কমবে এ পন্যের দাম। বাড়তি দরে বেচাকেনা অনেক কমেছে। পুর্বে প্রতিদিন ১০ থেকে ১৫ মন সর্বনিন্ম বিক্রি হতো। এখন হচ্ছে দুই থেকে তিন মন। এ আড়তের সালাম বানিজ্য ভান্ডারের লাল মিয়া বলেন, ৪০ থেকে ৪৫ দিন পর দাম কমতে পারে। কেননা সেসময় থেকে নতুন পেয়াজ বাজারে আসতে শুরু করবে। ফরিদপুর জেলা সহ অন্য জেলা থেকে আমরা পেয়াজ কিনেছি। সেখানেও পেয়াজের রয়েছে অনেক দাম। কৃষি বিপনন অধিদপ্তর খুলনার ফিল্ড অফিসার আব্দুর রাজ্জাক বলেন, বাজারে আমদানি কম। ভারতীয় পেয়াজের আমদানিও বন্ধ। একারনে মুল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে আজ থেকে মুল্য কমতে শুরু করবে। খুলনা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পরিচালক মো: নজরুল ইসলাম বলেন, ” বাজারে যাদের পুরাতন মাল ছিল বা সঞ্চয় ছিল সেগুলো আসছে। পেয়াজের চারা রোপন প্রস্তুতি চলছে। অল্প কয়েকজন শুরু করেছে। ব্যাপকহারে শুরু হতে ১৫-২০ দিন লাগবে। ২৮০ হেক্টর জমিতে উৎপাদন দুই হাজার তিনশত ৪৬ মেট্রিকটন লক্ষ্যমাত্রা। গত বছরও একই লক্ষমাত্রা ছিল।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By Rahat IT Ltd.