কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের সৌন্দর্য আজ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এলোমেলোভাবে গড়ে ওঠা ঝুপড়ি ও বস্তির কারণে। এমন দৃশ্য চোখে পড়লে বিদেশী পর্যটকতো দূরের কথা, দেশীয় পর্যটকরাও এই বিশ্ববিখ্যাত সমুদ্র সৈকত থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হবে — এমন মন্তব্য করেছেন সচেতন নাগরিক ও পরিবেশবাদীরা।
তাদের অভিযোগ, এসব অনিয়ন্ত্রিত স্থাপনা ও বস্তি জেলা প্রশাসনের পর্যটন সেলের ম্যাজিস্ট্রেটদের চোখ এড়িয়ে যাচ্ছে। ফলে বালিয়াড়ি ও সৈকতের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য নষ্ট হচ্ছে প্রতিনিয়ত।
একজন পরিবেশকর্মী বলেন, “কয়েকজন বালিয়াড়ি দখলবাজের স্বার্থ রক্ষায় কেউ কেউ যেন অদ্ভুত দোহাই তুলছে। অথচ এতে কক্সবাজারের পর্যটন শিল্পের মূল ভিত্তিই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।”
সচেতন মহল কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, জেলার অভিভাবক হিসেবে তিনি যেন দ্রুত সৈকতের বালিয়াড়ি দখলমুক্ত করার পদক্ষেপ নেন। পরিবেশবাদী সংগঠনগুলোও এই উদ্যোগে জেলা প্রশাসনকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করার আশ্বাস দিয়েছে।