1. masudkhan89@gmail.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@yahoo.com : Masud Khan : Masud Khan
ব্রেকিং নিউজ :
৬ মাসের জন্য স্থগিত এপিপি হযরত আলী হিরন খুলনার ডুমুরিয়ায় রাস্তায় রান্না, ঘরের মাচায় ঘুম ঢাকায় নিখোঁজ কলেজছাত্রের লাশ ডিমলায় উদ্ধার,জিজ্ঞাসাবাদে আরও দুজনের নাম আত্রাই উপজেলায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এক বৃদ্ধের মৃত্যু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মানবিক হাত: চুরি হওয়া মাইকের বদলে নতুন সেট পেল ধুরাইল মল্লিকবাড়ি জামে মসজিদ হালুয়াঘাটে সবজির বাজারে আগুন: আয়ের সঙ্গে ব্যয়ের সামঞ্জস্য হারিয়ে বিপাকে সাধারণ মানুষ ফরিদপুরে এসআরবি’র অভিযানে অস্ত্র-গুলিসহ গ্রেপ্তার ১ ঠাকুরগাঁওয়ে রুহিয়া উপজেলায় নামজারি বন্ধে চরম ভোগান্তিতে হাজারো মানুষ শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সুনামগঞ্জে ভ্রাম্যমাণ আদালত ৮ মামলায় জরিমানা, ১৪ হাইড্রোলিক হর্ন জব্দ ন্যায়-ইনসাফের সমাজ প্রতিষ্ঠায় নারীদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে- এডভোকেট মাহবুব উল আলম

রাজনৈতিক মদদে বিশ্ববিদ্যালয় দখল, চলছে অবাধ লুটপাট।

  • আপডেট সময় : রবিবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৫
  • ১ দেখেছেন

রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় দখল হয়ে গেছে খুলনার নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটি। গত ২১মে থেকে নিজেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়ারম্যান ঘোষণা করেন মিজানুর রহমান নামের এক ব্যক্তি। গত ৫ মাস ধরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটিতে অবৈধ দখলে, চলছে অবাধ লুটপাট। অনুমোদন হওয়া ভবনের নকশা নতুন করে তৈরি এবং পুনরায় অনুমোদনের নামে কয়েক লাখ টাকা তছরুপ করা হয়েছে। আয়োজন চলছে কয়েকটি কোটি টাকার ভবন নির্মানের দরপত্র ভাগবাটোয়ারার। এসবের বাহিরে অনুমোদিত ট্রাস্টি না হয়েও সন্মানি হিসেবে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন মিজানুর ও হাফিজুর রহমান নামের দুই ব্যক্তি। অভিযোগ রয়েছে, তারা বিশ্ববিদ্যালয়টি ইচ্ছে মতো লোক নিয়োগ করেছেন। তাদের অপতৎপরতায় কেউ যাতে বাঁধা না দেন এজন্য বিএনপি নেতা, নেতার ভাই – স্বজনদেরও চাকুরি দেওয়া হচ্ছে। এনিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে মঞ্জুরি কমিশনে ( ইউজিসি) অভিযোগ দিয়েও ফল পাচ্ছেন না অনুমোদিত ট্রাস্টিরা। বিএনপির এক শীর্ষ নেতার সুপারিশে ইউজিসি ধীরে চলো নীতি অবলম্বন করছে বলে তাদের অভিযোগ। খোঁজ নিয়ে জানাগেছে, ২০১২ সালের ১৮ নভেম্বর অনুমোদন হয় খুলনার প্রথম বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটি। পরের বছর শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করে তারা। শুরুতে ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ছিলেন খুলনা মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি ও কেসিসির সাবেক মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক। ছাত্র – গনঅভ্যুত্থানে আওয়ামীলীগ সরকারের পতনের পর খালেক আত্মগোপনে চলে যান। ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান হন সিরাজুল হক চৌধুরী। গত বছরের ১০ ডিসেম্বর মিজানুর রহমান, চলতি বছরের ৫ জানুয়ারি আজিজুর রহমান ও সৈয়দ হাফিজুর রহমানকে ট্রাস্টি বোর্ডে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। সুত্রটি জানায়, ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য হতে যৌথমুলধনি কোম্পানি থেকে নিবন্ধন প্রযোজন। কিন্তু ঔই দুজন কোন নিবন্ধন নেননি। বিষয়টি নিয়ে সিরাজুল হক চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, ট্রাস্টি বোর্ডে আমি ছাড়া সবাই ছিল আওয়ামীলীগের। বোর্ডে বিএনপির লোক বাড়ানোর জন্য মহানগর বিএনপি সভাপতি শফিকুল আলম মনার পরামর্শে নতুন তিনজন যুক্ত করা হয়। গত ২১মে ট্রাস্টি বোর্ডের সভা থেকে নিজেকে চেয়ারম্যান ঘোষণা করেন মিজানুর রহমান। হাফিজুর রহমানকে করা হয় সদস্য সচিব। এরপর থেকে সিরাজুল হককে সরিয়ে ক্যাম্পাসের নিয়ন্ত্রণ নিচ্ছেন মিজানুর রহমান। সিরাজুল হক চৌধুরী সহ উদ্যোক্তারা এখন বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢুকতে পারছেন না। অভিযোগ রয়েছে খুলনা মহানগর বিএনপির এক শীর্ষ নেতার ইন্ধনে অন্য ট্রাস্টিদের ভয় দেখিয়ে বোর্ড সভায় তাদের পক্ষে কথা বলতে বাধ্য করা হয়। কেউ যাতে এর প্রতিবাদ করতে না পারে সেজন্য ট্রাস্টি সদস্য তৌহিদুল ইসলাম আজাদ, সৈয়দ মুহাম্মাদ ওবায়দুল্লাহ ও পবিত্র কুমার সরকারকে বিএনপির সমাবেশ হামলা মামলার আসামি করা হয়। এই মামলায় ১৫৬ আসামির বেশিরভাগই আওয়ামীলীগের নেতাকর্মী ও পুলিশ কর্মকর্তা। সুত্রটি জানায়, বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ন্ত্রন নেওয়ার পর গুরুত্বপূর্ণ পদে নিজেদের লোক বসানো শুরু করেন মিজানুর ও হাফিজুর। প্রথম পদক্ষেপে উপাচার্যকে সরিয়ে ট্রেজারার কানাই লাল সরকারকে উপাচার্যের দায়িত্ব দেওয়া হয়। বিজ্ঞপ্তি ছাড়াই ড. শেখ শফিকুর রহমানকে রেজিস্ট্রার পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মনিরুল হক বাবুলকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে পরিক্ষা নিয়ন্ত্রক হিসেবে। এছাড়া নগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক হাসানুর রশিদ মিরাজের ভাই চৌধুরী হাবিবুর রশিদ রুম্মান সহ মিজানুর রহমান ও হাফিজুর রহমানের আত্মীয় স্বজনদের বিভিন্ন পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান সিরাজুল হক চৌধুরী বলেন, যৌথমুলধনি ফার্মে নিবন্ধন এবং ইউজিসির অনুমোদন ছাড়া ট্রাস্টি বোর্ডে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার কোন সুযোগ নেই। তারা যা করছে সবকিছু অবৈধভাবে করছে। ভুয়া চাকুরি ও এবং নকশা তৈরির নামে বিশ্ববিদ্যালয়ের টাকা যাতে আত্মসাৎ করতে না পারে – এজন্য ব্যাংকে আমি চিঠি দিয়েছি। কিন্তু চাপের কারনে ব্যাংকও কথা শুনছে না। ইউজিসিতে চিঠি দেওয়ার পর তারা এসব কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশ দিলেও তারা মানছে না। খুলনার মানুষের একটি প্রতিষ্ঠান লুটপাটের কারনে বন্ধের উপক্রম হয়েছে। অবশ্য পাল্টা অভিযোগ করে মিজানুর রহমান বলেন, আমরা দায়িত্ব নেওয়ার আগে জমি কেনা, ভবন নির্মানের জন্য কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। ট্রাস্টিদের বেতন নেওয়ার সুযোগ নেই, অথচ এখান থেকে বেতন নেয়া হয়েছে। আমি দায়িত্ব নিয়ে এসব বন্ধ করেছি। তিনি বলেন, যৌথমুলধনী প্রতিষ্ঠানে নিবন্ধন প্রক্রিয়া চলছে। ইউজিসি আমাদের ট্রাস্টি হিসেবে মেনে নিয়েছে। বোর্ড সদস্যরা আমাকে চেয়ারম্যান করেছে- এখানে নিয়মের কোন ব্যত্যয় হয়নি। নিয়োগ, অর্থ ছাড় সবকিছু নিয়ম মেনেই হচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By Rahat IT Ltd.