চোখে অজানা বিস্ময়, মুখে নীরবতা—ছোট্ট শিশুটি এখনো বুঝে উঠতে পারছে না কেন সবাই কাঁদছে, কেন তার বাবা আর ফিরে আসছে না। কোলের মানুষটি যে চিরদিনের জন্য চলে গেছে, সেটা সে বুঝতে পারছে না, কিন্তু মায়ের মুখের অশ্রু আর নিস্তব্ধ ঘর যেন তার ছোট্ট মনে প্রশ্ন ছুড়ে দিচ্ছে—“আমার বাবা কোথায়?”
গত ১৪ অক্টোবর (মঙ্গলবার ) সন্ধ্যার সময় কুলাউড়া পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের জয়পাশা এলাকায় ঘটে হৃদয়বিদারক এ ঘটনা। কুলাউড়া ডিগ্রি কলেজের নবীনবরণ অনুষ্ঠানের গেইট তৈরির কাজ করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে প্রাণ হারান সুমন মিয়া। পরিশ্রমী ও হাসিখুশি এই যুবকের মৃত্যুতে পরিবারটি মুহূর্তেই অন্ধকারে ডুবে যায়। একমাত্র উপার্জনকারী ব্যক্তিকে হারিয়ে শোকে ভেঙে পড়েছেন স্বজনরা।
এই অসহায় পরিবারের পাশে মানবিক সহায়তা নিয়ে দাঁড়িয়েছে শাহ সৈয়দ রাশিদ আলী ফাউন্ডেশন। শনিবার বিকেলে টিম জার্নালিস্ট কুলাউড়ার সহযোগিতায় ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে সুমনের পরিবারের হাতে আর্থিক সহায়তা তুলে দেওয়া হয়।
সময় উপস্থিত ছিলেন টিম জার্নালিস্ট কুলাউড়ার প্রধান উপদেষ্টা সিনিয়র সাংবাদিক এম মুক্তাদির হোসেন, দৈনিক দেশের কণ্ঠ উপজেলা প্রতিনিধি রফিকুল ইসলাম মামুন, দৈনিক ভোরের পাতা উপজেলা প্রতিনিধি রুবেল বখস পাবেল, বিডি টাইমস-এর সম্পাদক ও দৈনিক আমার বার্তা জেলা প্রতিনিধি সৈয়দ মিছবাহ্, চ্যানেল কুলাউড়ার সম্পাদক শামসু উদ্দিন বাবু, দৈনিক ঘোষণা উপজেলা প্রতিনিধি জামাল হোসেন তারেক, এজে চ্যানেল এর এডমিন আজিজুল ইসলাম, কামরুজ্জামান জুয়েল, কুলাউড়া নিউজ-এর এডমিন বাহার আহমেদ, জংশন কুলাউড়ার পরিচালক মাহফুজুর রহমান মাহী, সুপ্রভাত কুলাউড়ার এডমিন সুভন আহমেদ ও সংবাদকর্মী তাহমিদ আহমেদ।
আরও উপস্থিত ছিলেন কুলাউড়া পৌরসভার ৬ নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর জহিরুল ইসলাম খাঁন খছরু, ৭ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সবুজ আহমেদ, ২ নং ওয়ার্ডের সাংগঠনিক সম্পাদক মনসুর আহমেদ, কুলাউড়া ডেকোরেটার্স কল্যাণ কমিটির সভাপতি লাল মিয়া ও সাধারণ সম্পাদক রুবেল আহমেদসহ প্রমুখ।
মানবিক এই উদ্যোগ উপস্থিত সবাইকে গভীরভাবে ছুঁয়ে যায়। পরিবারের পাশে থেকে সহযোগিতার হাত বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন ফাউন্ডেশন ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।