পাবনা ,আটঘরিয়া , উপজেলা একদন্ত ইউনিয়ন ,পরাণপুর,গ্রামের মোঃ শাহ আলম,পিতা মোঃ ইউছুব আলী ,মোঃশাহ আলম এর সাথে বিবাহ দেন মোছাঃ মনিরা খাতুন, পিতা মোঃ মোবারক হোসেন, সাং চকচকিবারি চণ্ডীপাশা,একদন্ত ,আটঘরিয়া, পাবনা,
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়,বেশ কয়েক বছর ধরে সুখে শান্তিতে দুজনের সংসার করছিল, একটি মেয়ে সন্তানও তাদের সংসারে হয়েছে,ইদানিং দু এক বছরের ধরে। স্বামীকে স্ত্রী সন্দেহ করে এবং স্ত্রীকে স্বামী সন্দেহ করে,একপর্যায় স্বামী স্ত্রীর মধ্যে দ্বন্দ্ব শুরু হয়ে যায়,অভিযোগ সূত্রে জানা যায় ,সন্দেহর কারণে মোঃ শাহ আলম তার স্ত্রীকে অনেক নির্যাতন করতো।
এ নিয়ে গ্রাম্য পর্যায়ে অনেক সালিশে হয়েছে।এ বিষয়ে আরো জানা যায় যে,মেয়ের বাড়ির লোকজন ছেলের বাড়ির লোকজন কে দোষারোপ করে ,এবং ছেলের বাড়ির লোকজন মেয়ের উপর দোষারোপ চালায় । মোছাঃ মনিরা খাতুন বাদী হয়ে কোর্টে নারী ও শিশু নির্যাতনের মামলা করে। এ বিষয়ে ছেলেদের কাছে জানতে গেলে তারা বলে আইনের মাধ্যমে যে রায় আসবে এটাই আমরা মেনে নেব।
মেয়ে আরও অভিযোগ করে জানান ,আমার শাশুড়ি মোছাঃ আনেচা খাতুন ও শশুর ইউসুফ শেখ ও দুইজন মিলে আমাকে খুব নির্যাতন করে। স্বামী সহ সকলেই নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে আমি চলে এসেছি ,আমি এখন পর্যন্ত কোন বিচার পাইনি।
আমার স্বামী ব্যবসা করার কথা বলে ৬ লক্ষ টাকা নিয়েছেন আমার বাবার কাছ থেকে, এবং আমাকে আরো টাকা আনার জন্য বলে ,না আনলে অনেক মারপিট করে ।আমাকে এবং আমার বাচ্চার কোন খোজ খবর নেয় না। দুই মাস হয়ে কোন খোঁজখবর না নেওয়ার কারণে আমি মামলা করতে বাধ্য হই। এবং ঘর সাজানোসহ আরো অনেক মালপত্র দেওয়া হয়েছে সবই নিয়েছে জুলুম করে। তাই সরকারের কাছেও প্রশাসনের কাছে সুস্থ বিচার চাই ।