1. masudkhan89@gmail.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@yahoo.com : Masud Khan : Masud Khan
ব্রেকিং নিউজ :
হারিয়ে যাওয়া গ্রামবাংলার ঐতিহ্য: হালুয়াঘাটে এখন আর বাজে না বিয়ের পালকির নতুন সুর চান্দিনায় আদালতের আদেশে অবৈধ দখল উচ্ছেদ, বাদীকে জমি বুঝিয়ে দিল প্রশাসন পূজায় গুজব ও উসকানি নিয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান ময়মনসিংহের এসপি কামরুল হাসান খুলনায় পুর্ববাংলা কমিউনিস্ট পার্টির আঞ্চলিক নেতাকে গুলি করে হত্যা মানিকগঞ্জের শিবালয়ে তালিমুল কুরআন বিভাগের প্রশিক্ষণ কর্মশালা নৈতিক অবক্ষয় ও অপরাধ প্রবণতা রোধে সামাজিক উদ্যোগ অপরিহার্য: ছাতকের ইউএনও সাংবাদিক আসাদ সবুজের জামিন শুনানি ৬ অক্টোবর ‘পুজো পুজো গন্ধ লেগেছে’ মণিরামপুরে সকল দুর্গাপূজা মন্দির সেজে উঠেছে দেবহাটায় পোল্ট্রি খামারে হামলা-লুটের মামলায় প্রধান আসামি গ্রেপ্তার ডিএনসিসিতে নির্বাহী প্রকৌশলী হারুন অর রশিদ এর “বদলি”, ১৬ দিনের মাথায় পুনর্বহাল নেপথ্যে কি 

পটুয়াখালীতে রূপালী ব্যাংকের অনিয়মের অভিযোেগে সংবাদ সম্মেলন

  • আপডেট সময় : রবিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ০ দেখেছেন

রূপালী ব্যাংকের স্থানীয় কর্মকর্তাদের অনিয়ম অসহযােগিতার কারণে একটি অনুমোেদিত প্রকল্প স্থবির হয়ে পড়েছে এবং সম্প্রতি বিনা নোটিশে উচ্ছেদের নামে আতস্ক সৃষ্টি করা হয়েছে বলে অভিযােগ করেছেন জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সাবেক নাজির মােঃ আশরাফ আলী। গত  (২৭ সেপ্টেম্বর) শনিবার সন্ধায় পটুয়াখালী জেলা রিপাে্র্স ক্লাবে উপস্থিত হয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোেগ করেন।

সন্মানিত সাংবাদিকবৃন্দ,আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ জানাই আজকের সংবাদ সম্মেলন করার লক্ষ্যে আপনাদের কাছ উপস্থিত হয়েছি।

আমি মোঃ আশরাফ আলী, পটুয়াখালী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে জেলা নাজির হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি এবং ২০২১ সালে অবসর গ্রহণ করি। পরবর্তীতে আমার পরিবারের ক্রয়কৃত সম্পত্তির উপর নির্মিত ভবনকে ভিত্তি করে রূপালী ব্যাংক, নিউটাউন শাখার ম্যানেজার ও তৎকালীন এজিএম-এর অনুরোধে একটি হোটেল প্রকল্পের জন্য ঋণ গ্রহণ করি। পরবর্তীতে প্রধান কার্যালয়ের অনুমোদনে মোট ৩ কোটি ৪২ লাখ টাকা বরাদ্দ হয়।

কিন্তু স্থানীয় ব্যাংক কর্তৃপক্ষের নানা অনিয়ম, অর্থ ছাড়ে গড়িমসি এবং স্বার্থসিদ্ধির কারণে প্রকল্পটি বারবার জটিলতায় পড়ে। এমনকি ম্যানেজার কর্তৃক অনুমোদিত অর্থ থেকে ১ লাখ ৯২ হাজার টাকা আত্মসাতের ঘটনাও ঘটেছে, যা পরে চাপের মুখে ফেরত দেওয়া হয়।

পরে প্রধান কার্যালয়ের পরামর্শে হোটেল প্রকল্পের পরিবর্তে হাসপাতাল প্রকল্প গ্রহণের জন্য আবেদন করি এবং স্থানীয় চিকিৎসক, রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিবর্গের মতামত নিয়েও সমর্থন পাওয়া যায়। কিন্তু স্থানীয় ব্যাংক কর্মকর্তাদের অসহযোগিতায় প্রকল্পটি এগোয়নি।

পরিস্থিতি এমন দাঁড়ায় যে, প্রধান কার্যালয় থেকে বরাদ্দকৃত অর্থ ছাড় না করে স্থানীয় ব্যাংক ম্যানেজার একের পর এক নোটিশ দিয়ে প্রকল্প বাতিল, ঋণ আদায় এবং ভবন নিলামের চেষ্টা চালায়। এর বিরুদ্ধে আমি মহামান্য হাইকোর্টে রীট দায়ের করি এবং নিলাম স্থগিত হয়।

কিন্তু দুঃখজনকভাবে, গত  (২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০:৩০ মিনিটে বিনা নোটিশে, বিনা আদেশে ব্যাংক কর্মকর্তারা, আইনজীবী এবং পুলিশ বাহিনী নিয়ে আমার বাড়িতে এসে উচ্ছেদের নামে ঢাকঢোল পিটিয়ে তাণ্ডব চালায়। এতে পুরো এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। আমার বাড়িতে একটি মাদ্রাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং প্রায় ১৫টি ভাড়াটিয়া পরিবার ছিল, যাদের মধ্যে ৬০ থেকে ৭০ জন নারী-পুরুষ-শিশু আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়ে।

তাদের এ ঘটনায় প্রতিবেশী, সাংবাদিক সহ পথচারীরা ঘটনাস্থলের জড়ো হয় এবং পুরো ঘটনা সকলের সামনে ঘটে। ঘটনার সময় আমাকে আদালত কর্তৃপক্ষ ও ব্যাংক কর্তৃপক্ষ বাড়ি ছেড়ে দিতে বলে কিন্তু আমি তাদের কাছে বিনয়ের সাথে বাড়ি ছাড়ার পূর্ব নোটিশ দেখতে চাই। তবে তারা আমাকে কোন ধরনের নোটিশ দেখাতে পারে নাই এবং পরবর্তীতে সকলে দলবল নিয়ে চলে যায়।

আমি স্পষ্টভাবে বলতে চাই, আজকের এ অভিযানটি পুরো অনানুষ্ঠানিকভাবে করেছে যাহা অমানবিক এবং নিন্দনীয়। আমি সরকারের কাছে, প্রশাসনের কাছে এবং আইনের কাছে যথাযথ বিচার ও সুরক্ষা কামনা করছি।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By Rahat IT Ltd.