1. masudkhan89@gmail.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@yahoo.com : Masud Khan : Masud Khan
ব্রেকিং নিউজ :
এলাকার শান্তি বিনষ্টকারী যে দলেরই হোক ছাড় দেওয়া হবে না: হুইপ রকিবুল ইসলাম বকুল উজিরপুরে দুর্গাপূজা উপলক্ষে মতবিনিময় সভা রাঙামাটিতে বিশেষ অভিযানে ছাত্রলীগ নেতা, মাদক কারবারি ও মাদকসেবীসহ গ্রেপ্তার ১২ কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসনের আয়োজনে শান্তিপূর্ণ ও আনন্দমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা পালনের প্রস্তুতি সভা  আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে চাঁদপুরে প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত মতবিনিময় সভা বিদ্যুৎস্পৃষ্টে বেতমোর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোঃ সোলাইমান হোসেন পিন্জু ফরাজির মৃত্যু  চরকালেখান ইউনিয়নের উন্নয়নে নিজেকে উৎসর্গ করতে চান মোশাররফ হোসেন ঢালী দুর্গাপূজায় ড. অরূপ রতন চৌধুরীর ‘জয় মা দুর্গা’ বিনিয়োগ আকর্ষণে ২০ উদ্যোগের ৭টি বাস্তবায়ন, পাইপলাইনে ১৩০ কোটি ডলার মতপার্থক্য ও শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য: রাষ্ট্রপতি

সনমান্দীর মামুরদীতে পরকীয়া ঘটনায় সালিশে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ, এলাকাবাসীর বিচারের দাবি

  • আপডেট সময় : রবিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ২ দেখেছেন

সোনারগাঁও উপজেলার সনমান্দী ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের মামুরদী গ্রামে এক পরকীয়া ঘটনার জেরে সালিশের নামে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে এলাকাবাসী।

মামুরদী গ্রামের বাসিন্দা ব্যবসায়ী মহাসিন ঢাকায় অবস্থান করলেও তার স্ত্রী সিনথিয়া এক সন্তানসহ নিজ গ্রামের বাড়িতে বসবাস করছিলেন। স্বামীর অনুপস্থিতির সুযোগে তিনি একই ইউনিয়নের চকবাজার দক্ষিণপাড়ার এক যুবকের সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন। অভিযোগ রয়েছে, সিনথিয়া আগেও একাধিকবার পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েছিলেন।

গত শুক্রবার রাতে এলাকাবাসী তাদের আপত্তিকর অবস্থায় হাতে-নাতে ধরে ফেললে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরে স্থানীয় প্রভাবশালী ও জাতীয় পার্টির নেতৃবৃন্দের নেতৃত্বে সালিশ বৈঠকের আয়োজন করা হয়। অভিযোগ উঠেছে, সালিশের নামে ওই যুবকের কাছ থেকে এক লাখ টাকা আদায় করে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

এই সালিশে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় জাতীয় পার্টির মেম্বার ও পুলিশের সোর্স হিসেবে পরিচিত সাইফুল মেম্বার, সোনারগাঁও উপজেলা জাতীয় পার্টির নেতা আবুল হোসেন, ও স্থানীয় এক প্রভাবশালী ব্যক্তি মাহমুদউল্লাহ।

এ বিষয়ে কথা বলতে চাইলে সাইফুল মেম্বার সাংবাদিকদের বলেন, “আমাদের গ্রামে এটা রেওয়াজ। এমন ঘটনায় ধরা পড়লে তাকে টাকা দিতে হয়।” তবে এলাকাবাসী প্রশ্ন তুলেছেন— কিছুদিন আগে একই ধরনের ঘটনায় অভিযুক্ত একজনের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা না নেওয়া এবং অর্থ না নেওয়ার কারণ কী? তারা দাবি করেছেন, অভিযুক্তের সন্তান পুলিশ হওয়ায় সাইফুল মেম্বার ভয়ে কোনো অর্থ নেননি।

এ ঘটনায় মহাসিন তার স্ত্রী সিনথিয়াকে তালাক দিয়েছেন বলে জানা গেছে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। তারা বলেন, সালিশের নামে অর্থ আদায় একটি সামাজিক অপরাধ এবং এর মাধ্যমে গ্রাম্য বিচার ব্যবস্থার অপব্যবহার হচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By Rahat IT Ltd.