1. masudkhan89@gmail.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@yahoo.com : Masud Khan : Masud Khan
ব্রেকিং নিউজ :
৬ মাসের জন্য স্থগিত এপিপি হযরত আলী হিরন খুলনার ডুমুরিয়ায় রাস্তায় রান্না, ঘরের মাচায় ঘুম ঢাকায় নিখোঁজ কলেজছাত্রের লাশ ডিমলায় উদ্ধার,জিজ্ঞাসাবাদে আরও দুজনের নাম আত্রাই উপজেলায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এক বৃদ্ধের মৃত্যু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মানবিক হাত: চুরি হওয়া মাইকের বদলে নতুন সেট পেল ধুরাইল মল্লিকবাড়ি জামে মসজিদ হালুয়াঘাটে সবজির বাজারে আগুন: আয়ের সঙ্গে ব্যয়ের সামঞ্জস্য হারিয়ে বিপাকে সাধারণ মানুষ ফরিদপুরে এসআরবি’র অভিযানে অস্ত্র-গুলিসহ গ্রেপ্তার ১ ঠাকুরগাঁওয়ে রুহিয়া উপজেলায় নামজারি বন্ধে চরম ভোগান্তিতে হাজারো মানুষ শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সুনামগঞ্জে ভ্রাম্যমাণ আদালত ৮ মামলায় জরিমানা, ১৪ হাইড্রোলিক হর্ন জব্দ ন্যায়-ইনসাফের সমাজ প্রতিষ্ঠায় নারীদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে- এডভোকেট মাহবুব উল আলম

ভৈরব সেতুর নির্মানে কচ্ছপ গতি দফায় দফায় বাড়ছে মেয়াদ।

  • আপডেট সময় : রবিবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৫
  • ০ দেখেছেন

দফায় দফায় বাড়ছে মেয়াদ। নির্মান কাজ শুরুর পর কেটে গেছে সাড়ে চার বছর। অগ্রগতি ১৬ শতাংশ। এমনই কচ্ছপ গতিতে চলছে খুলনাবাসীর প্রত্যাশিত ভৈরব সেতুর নির্মান কাজ। খুলনার মানুষের প্রত্যাশা ছিল ২০২৪ সালে শেষ হবে সেতুর নির্মান কাজ। অথচ ২০২৫ সাল শেষ প্রান্তে এসেও সাড়ে ৪ বছরেও আলোর মুখ দেখা যায়নি। শুধু পিলার দেখেই শান্তনার খোরাক মিটাচ্ছে খুলনাবাসী। সেতুর নির্মান কাজের মেয়াদ দ্ধিতীয় দফায় ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত বাড়ানো হলেও শেষ হওয়া নিয়ে শংকা রয়েছে। তবে ২০২৭ সালের জুনের মধ্যে নির্মান কাজ শেষ হবে, প্রত্যাশা সেতুর নির্মান কাজ বাস্তবায়নকারী সংস্থা খুলনা সড়ক ও জনপদ বিভাগ ( সওজ) র নির্বাহী প্রকৌশলীর। এদিকে টানা তিন মাস বন্ধ থাকার পর সেতুর শহরাংশে নির্মান কাজ আবারও শুরু হয়েছে। প্রকল্প সংশ্লিষ্ট সুত্রের তথ্য, ২০১৯ সালের ১৭ ডিসেম্বর সেতু নামে প্রকল্পটি একনেকে অনুমোদন পায়। প্রক্রিয়া শেষে ২০২০ সালের ১২ নভেম্বর ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রীসভা কমিটির সভায় ওয়াহিদ কন্সট্রাকশন লি: ( করিম গ্রুপ) নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে সেতুর নির্মান কাজ দেওয়ার বিষয়ে অনুমোদন দেওয়া হয়। পরবর্তীতে নির্মান কাজ শুরু হয় ২০২১ সালের ২৪ মে। তবে সাড়ে চার বছর পরও সেতুর শহরাংশে রেলওয়ে অধিগ্রহন করা দুই দশমিক ৫৮৬ একর জমি এখনোও বুঝে পায়নি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। সেতুর নির্মান কাজ শুরুর ৩ বছর পর ২০২৪ সালের ১৪ মে নকশা পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত হয়। গত ৯ আগষ্ট বুয়েটের বিশেষজ্ঞ টিমের সদস্য প্রফেসর এ এফ এম সাইফুল আমিন ভৈরব সেতুর নির্মান এলাকা পরিদর্শন করেছেন। নকশা অনুমোদনের জন্য আরো সময় অপেক্ষা করতে হবে। সেতুর সাইট ইঞ্জিনিয়ার আজিজুল হাসান আকাশ জানান, সেতুর রেলিগেট অংশের নদীর তীরবর্তী ১৩ ও ১৪ নং পিলারের নির্মান কাজ সম্পন্ন হয়েছে। ১,২,৪,৯,-১২ নং ৭ টি পিলারের পাইলিং কাজ ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। ৮ নং পিলারের পাইলিং এর কাজ চলমান রয়েছে। সেতুর দিঘলিয়া প্রান্তে ১৪ টি পিলারের মধ্যে ইতিমধ্যে ১৩ টি পিলারের নির্মান কাজ সম্পন্ন হয়েছে। নির্মান কাজের দীর্ঘ সুত্রিতা প্রসঙ্গে প্রকল্পের প্রজেক্ট ম্যানেজার ( পিএম) প্রকৌশলী এস এম নাজমুল হক বলেন, কাজের শুরুতে সেতু নির্মানের অধিগ্রহণকৃত জমি বুঝে না পাওয়ায় শুরু থেকে কাজে ব্যাঘাত সৃষ্টি হয়। এছাড়া করোনা পরবর্তীতে অর্থনৈতিক মন্দা, নির্মান সামগ্রীর মুল্যে বৃদ্ধি, শ্রমিক সংকটের কারনেও কাজের ব্যাঘাত ঘটে। বর্তমানে সেতুর শহরাংশে পিলার গুলির পাইলিংয়ের কাজ চলমান রয়েছে। এখন থেকে কাজের ধারাবাহিকতা থাকবে। পরিবর্তিত নকশার অনুমোদন এবং সেতুর জন্য বাংলাদেশ রেলওয়ে অনুমোদন করা জমি বুঝে পেলে কাজে আরো গতি আসবে। সেতুর বাস্তবায়নকারী সংস্থা খুলনা সড়ক ও জনপদ বিভাগ ( সওজ) র নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ তানিমুল হক বলেন এখন পর্যন্ত সেতুর ১৬ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। আশাকরি ২০২৭ সালের জুনের মধ্যে নির্মান কাজ শেষ হবে। স্টিল সেতুর দৈর্ঘ্য ১০০ মিটারের পরিবর্তে ১৬০ মিটার এবং প্রশস্ত ৩ মিটার বৃদ্ধি করে নকশা পরিবর্তে অনুমোদন বুয়েট বিশেষজ্ঞ দলের কাছ থেকে এখনোও পাওয়া যায়নি। আশাকরি সেপ্টেম্বরের ভিতর একটা রেজাল্ট পাব। রেলওয়ের জমির হস্তান্তরের কাজ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তিনি বলেন, প্রকল্পের মেয়াদ বাড়লেও ব্যায় বাড়বে না। শুধু বর্ধিত কাজের ব্যয় বাড়বে। তবে সেতুর জন্য জমি অধিগ্রহণের ধার্যকৃত বেচে যাওয়া অর্থ রয়েছে, তা দিয়ে বর্ধিত কাজের ব্যয় মিটানো সম্ভব হবে। খুলনা নাগরিক সমাজের সদস্য সচিব এ্যাড: বাবুল হাওলাদার বলেন, ” খুলনাবাসীর ধারাবাহিক বঞ্চনার প্রতিফলন হলো ভৈরব সেতু। শুরুতে ভৈরব সেতু নিয়ে আমরা যে আশা করেছিলাম, ক্রমান্বয়ে সেটি নিরাশায় পরিনত হয়। এ ধরনের প্রকল্পের কাজে সচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা থাকা উচিত। ইতিমধ্যে এ প্রকল্পে অনেক অর্থ অপচয় হয়েছে। প্রকল্পে কোন অনিয়ম আছে কিনা যথাযথ কর্তৃপক্ষের বিষয়টি খতিয়ে দেখা উচিত।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By Rahat IT Ltd.