মোঃ রবিউল হোসেন খান, খুলনা ব্যুরো: খুলনা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম গতকাল শোলমারি সুইচগেট ও শোলমারি নদী পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি নদীর অবস্থা দেখে বলেন, শোলমারি নদী পলি জমে ভরাট হয়ে গেছে। যা এলাকাবাসীর জন্য উদ্ধেগের বিষয়। বর্ষা মৌসুমে এই এলাকার মানুষ বাড়িঘর তলিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই আমরা পানি নিস্কাশনের জন্য আগাম প্রস্তুতি গ্রহণ করব। যাতে মানুষের ক্ষতি না হয় এবং তারা ভালোভাবে ফসল উৎপাদন করতে পারে। ডুমুরিয়া উপজেলার শোলমারি নদী একসময় দাপুটে স্রোতধারী ছিল, তবে বর্তমানে পলি জমে ভরাট হয়ে ১৫০ মিটার প্রশস্ত নদী এখন দুই দিক থেকে তিন মিটার সরু নালায় পরিনত হয়েছে। অপরিকল্পিত উন্নয়ন এবং নদী দখলের কারনে বর্তমানে শোলমারি নদীর পরিস্থিতি উদ্ধেগজনক। এসময় উপস্থিত ছিলেন, ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ আল আমিন, ডুমুরিয়া উপজেলা সহকারী ভুমি মোঃ আসাদুর রহমান, পানি উন্নয়ন বোর্ডের খুলনা জোনের এসডি মো: আতিকুর রহমান, পানি উন্নয়ন বোর্ডের এসও তরিকুল ইসলাম, ডুমুরিয়া উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মো: ইনসান ইবনে আমিন, ডুমুরিয়া উপজেলা বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো: আব্দুল্লাহ বাইজিদ, ডুমুরিয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শেখ মাহাতাব হোসেন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের সার্ভেয়ার জয়নাল আবেদিন, ডুমুরিয়া থানার এস আই মিজানুর রহমান, ইউপি মেম্বার মেহেদি হাসান মিন্টু এবং উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা তুষার কান্তি বিশ্বাস প্রমুখ। প্রসঙ্গত, শোলমারি নদী ২৯ কিলোমিটার দীর্ঘ পথ খুলনা জেলার বটিয়াঘাটা ও ডুমুরিয়া উপজেলার মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত হয়ে থাকে। বর্তমানে নীদটির অবস্থা হুমকির মুখে, যা বর্ষা মৌসুমে স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য বড় ধরনের ঝুকি সৃষ্টি করতে পারে।