মোঃ রবিউল হোসেন খান, খুলনা ব্যুরো: খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ” শহীদ মীর মুগ্ধ তোরন ” উদ্ধোধন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ ৯ মার্চ দুপুর ২ টা ৩০ মিনিটে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক” শহীদ মীর মুগ্ধ তোরন ” এর উদ্ধোধনী অনুষ্ঠানে দেশের আত্মত্যাগ, সংগ্রাম ও ঐক্যের অসামান্য গল্প নতুন করে জীবন্ত করা হয়।খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ভিসি) প্রফেসর ড. রেজাউল করিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ স্মৃতিচারনায়, শিক্ষাবিদ, প্রশাসনিক কর্মকর্তা সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা একত্রিত হয়ে শহীদের স্মৃতিকে সনদ দিতে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার বার্তা প্রদান করেন। উদ্ধোধনী অনুষ্ঠানে ফটক উদ্ধোধনের মাধ্যমে প্রাঙ্গনে ঐতিহাসিক মুহুর্তের সাক্ষী হয়েছিলেন। এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে “শহীদ মীর মুগ্ধ তোরন ” এর উদ্ধোধন করেন মৎস্য ও প্রানী সম্পদ মন্ত্রনালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার। এ সময় প্রধান অতিথি তার বক্তব্য বলেন, দেশের ঐতিহ্য ও সংগ্রামের মুল্যবোধকে স্মরণ করে প্রতিটি ইটের মাঝে শহীদদের বীরত্বের ছাপ ফুটিয়ে তোলার প্রয়াস স্পষ্ট করা হয়। তিনি বলেন, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান গুলো দেশের ইতিহাস ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে সন্মান জানাতে এবং শিক্ষার্থী ও গবেষকদের মাঝে অনুপ্রেরনা ছড়িয়ে দিতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়েছে। এই স্মরনীয় উদ্যোগ ভবিষ্যতে দেশের উন্নয়ন, সাংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে অগ্রসর করতে এক নতুন অধ্যায়ের সুচনা হিসেবে স্মরনীয় হয়ে থাকবে। এ সময় বিশেষ অতিথির বক্তব্য বক্তারা বলেন, দেশের ইতিহাস, সংগ্রাম এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়নের দিকে দৃষ্টি নিবন্ধন করতে হবে। শহীদের ত্যাগ ও স্মৃতিকে সন্মান জানাতে এই তোরনের উদ্ধোধন আমাদের অতিতের সংগ্রামকে তুলে ধরে ভবিষ্যতের পথ প্রদর্শক হিসেবে কাজ করবে। এই অনুষ্ঠানে প্রতিটি ইট আমাদের দেশের আত্মত্যাগী বীরদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা প্রকাশ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এক অনুপ্রেরনার উৎস। এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ আব্দুল মজিদ, খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ নাজমুল আহসান, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ উপাচার্য প্রফেসর ড. হারুন অর রশীদ খান, ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ নুরুন্নবী, জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধ। এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন,পরিচালক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারীবৃন্দ।