মোঃ রবিউল হোসেন খান, খুলনা ব্যুরো: জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারী জেনারেল সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার অন্তবর্তীকালীন সরকারের কাছে প্রশ্ন তুলে বলেছেন, আয়নাঘর সহ সকল নিষ্ঠুরতা মাস্টার মাইন্ড শেখ হাসিনার কালো যুগে দেওয়া মিথ্যা মামলা কথিত রায়ে অনেকেই মুক্তি পেলেও জামায়াত নেতা এটিএম আজহারুল ইসলাম কেন এখনো কারা বন্দি? তিনি এটিএম আজাহারুল ইসলামের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানিয়ে বলেন, আবারও জনগনকে সাথে নিয়ে রাজপথে লড়াই এমনকি জীবন দিতেও প্রস্তুত রয়েছেন তিনি। ২০১০ সালের ৩০ জুনের পর এটি খুলনায় প্রকাশ্য সমাবেশ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ৫ আগষ্টের পরের দিন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে মুক্তি দেওয়া হলেও জামায়াত নেতা এটিএম আজহারুল কেন এখনো কারাগারে থাকতে হবে? জুলাই – আগষ্টের ছাত্র জনতার আন্দোলন আমরাও শরিক। এমনকি বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির আন্দোলনে জামায়াত ছিল রাজপথে। তিনি বর্তমান রাস্ট্রপতিকে ফ্যাসিবাদের প্রতিক আখ্যা দিয়ে বলেন, ফ্যাসিবাদের জুলুম থেকে রক্ষার জন্য অন্যন্ত : একটি সুবিচার করুন।এটিএম আজাহারের দন্ডকে বাতিল ঘোষণা করুন।অন্তবর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ও অন্যান্য উপদেষ্টাদের উদ্দেশ্য তিনি বলেন, সরকারের নির্বাহী আদেশে সাজা মওকুফের সুযোগ রয়েছে। অবিলম্বে সে সুযোগকে কাজে লাগিয়ে এটিএম আজাহারকে মুক্তি দিন। তিনি বলেন, সৈরাচার মুক্ত বাংলাদেশে জামায়াত ইসলামী এখনো বৈষম্যর শিকার। আজ ১৮ ফেব্রুয়ারী বিকালে খুলনার হাদিস পার্কে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসুচির অংশ হিসেবে খুলনা মহানগরী ও জেলা জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন খুলনা মহানগরী জামায়াতে ইসলামী আমীর অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কেন্দ্রীয় কর্ম পরিষদ সদস্য ও খুলনা অঞ্চলের সহকারী পরিচালক মাওলানা আবুল কালাম আজাদ। খুলনা জেলা জামায়াতে ইসলামী সেক্রেটারী মুন্সি মিজানুর রহমান ও মহানগরী সহকারী সেক্রেটারী প্রিন্সিপাল শেখ জাহাঙ্গীর আলমের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন, কেন্দ্রীয় মজলিসে শরা সদস্য ও খুলনা জেলা আমীর মাওলানা এমরান হুসাইন, জেলা নায়েবে আমীর অধ্যক্ষ মাওলানা কবীরুল ইসলাম, মহানগরী সেক্রেটারি এ্যাড: শেখ জাহাঙ্গীর হোসাইন হেলাল, বটিয়াঘাটা উপজেলা আমীর মাওলানা শেখ মোঃ আবু ইউসুফ, শ্রমিক কল্যান ফেডারেশন খুলনা জেলা সভাপতি অধ্যক্ষ্য গাউছুল আযম হাদী, মহানগর সভাপতি আজিজুল ইসলাম ফরাজি, ইসলামী ছাত্র শিবির খুলনা মহানগর সভাপতি আরাফাত হোসেন মিলন,খুলনা জেলা উওর সভাপতি আবু ইউসুফ ফকির ও জেলা দক্ষিন সভাপতি আবুজার আল গিফারী। সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল নগরীর শহীদ হাদিস পার্ক থেকে শুরু হয়ে পিকচার প্যালেস মোড়, ফেরিঘাট, পাওয়ার হাউজ মোড় হয়ে শিববাড়ি গিয়ে শেষ হয়। তবে শেষ মুহুর্তে এসে নগরীর শিববাড়ি মোরস্থ কেডিএর প্রধান ফটকের পাশে রেলওয়ের ভেতর থেকে মিছিলের শেষ ভাগে একটি ককটেল নিক্ষেপ করা হয়।বিকট শব্দে ককটেলটি বিস্ফোরিত হয়। এসময় গোটা এলাকা ধোয়াচ্ছন্ন হয়ে পড়ে।