মোঃ রবিউল হোসেন খান, খুলনা ব্যুরো: বই একটি জোনাকি পোকার মত চারিদিকে অন্ধকার থাকবে নিজে আলো ছড়াবে।একইভাবে যারা বই লেখেন তারা এই বিষয় গুলো মাথায় রেখে লিখলে তাহলে সমাজ উপকৃত হবে।রাজধানী ঢাকা শহর ছাড়া একমাত্র বিভাগীয় শহর খুলনা যেখানে মাস ব্যাপি বই মেলা আয়োজন করা হয়। বই মেলায় সকল শ্রেনি পেশার মানুষকে আসতে তিনি অনুরোধ করেন। পাশাপাশি তিনি বলেন পাঠাভ্যাসের অভ্যাস থাকতে হবে।বই মানুষকে সমাজের কুসংস্কার, অন্যায়, মাদক, সন্ত্রাস সহ অন্ধকার জগত থেকে বের করে আনে।তিনি আরো বলেন,একই লেখকের একাধিক বই।এটা কিভাবে সম্ভব। আর এ কারনে বিগত দিনে বই গুলোতে কিছু কথা একচেটিয়া চলে আসতো।বর্তমানে কবিতা মানে গদধরা লিখবেন আর ডাস্টার দিয়ে দুপাশে মুছবেন।কিভাবে সম্ভব একই বছরে একই লেখকের ৭ থেকে ৮ টি বইয়ের প্রকাশ বের হওয়া।বিগত দিনে এখানে মানগত ত্রুটি ছিল কিংবা ভাল মানের লেখকেরা ভাল বই লেখায় উৎসাহিত হতেন না। সেই বই মানুষ পড়বে যেখানে সবকিছুর সংমিশ্রন থাকবে, সমাজের প্রতিচ্ছবি সামনে চলে আসবে।তাহলে সেই বইকে ভালো বই বলা চলে।খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মোঃ ফিরোজ সরকার আজ বিকাল সাড়ে ৩ টায় খুলনা বয়রা বিভাগীয় গ্রন্থাগারে মাস ব্যাপি ২১শে বই মেলার উদ্ধোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বক্তব্যে এ কথা বলেন।খুলনা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে মাস ব্যাপি এ বই মেলার আয়োজন করা হয়। এবারের বই মেলার প্রতিপাদ্য ছিল ” এসো দেশ বদলাই, পৃথিবী বদলাই ” এই শ্লোগান নিয়ে ফেব্রুয়ারী মাসব্যাপি বই মেলা চলবে।খুলনা জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে, খুলনা বিভাগীয় বিভাগীয় সরকারী গনগ্রন্থাগার প্রাঙ্গনে এই মেলার আয়োজন করা হয়েছে। বই মেলায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ও বক্তব্য রাখবেন খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মোঃ জুলফিকার আলী হায়দার, সরকারী বিএল কলেজে অধ্যক্ষ প্রফেসর শেখ মোঃ হুমায়ন কবীর। বই মেলায় সাগত বক্তব্য রাখেন, একুশে বই মেলা আয়োয়ক কমিটির সদস্য সচিব ও খুলনা বিভাগীয় গনগ্রন্থাগারের উপপরিচালক মোহাম্মদ হামিদুর রহমান। মোহাম্মদ হামিদুর রহমান বলেন, এবছরের বই মেলায় খুলনা,ঢাকা,চট্রগ্রাম , রাজশাহী সহ বিভিন্ন জেলা থেকে বিভিন্ন প্রকাশনি ও বই বিক্রেতাদের স্টল রয়েছে। বাকি ১৫ টি স্টল ক্ষুদ্র ও কুঠির শিল্প সহ খাবারের দোকান বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। থাকছে কবি সাহিত্যিকদের আড্ডাস্থল লেখক কুঞ্জ।সাংবাদিকদের জন্য মিডিয়া স্টল।তিনি আরো বলেন, এবারের আকর্ষন থাকছে জুলাই – আগষ্ট মুলমঞ্চ।সেখানে মাসব্যাপি নানা আয়োজন রয়েছে। এবারে মোটরসাইকেল ব্যাবহারকারীদের জন্য ফ্রি গ্যারেজের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। শান্তিপুর্ন ও উৎসব মুখর পরিবেশে এবারের বই মেলা অনুষ্ঠিত হবে বলে তিনি আশাবাদি। বই মেলা প্রতিদিন সকাল থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত সবার জন্য উম্মুক্ত থাকবে।এবারের বই মেলায়,রয়েছে ১০০ টি স্টল। ইতিমধ্যে সবগুলো স্টল বরাদ্দ সম্পন্ন হয়েছে। বই মেলাকে ঘরে সিসি ক্যামেরা সহ কঠোর নিরাপত্তা থাকছে। পরে প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথিবৃন্দ মেলা চত্বরে বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে একুশে বইমেলা – ২০২৫ এর শুভ উদ্ধোধন করেন।