হায়দার হাওলাদার: শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে খুলনা আওয়ামী লীগের বেশির ভাগ নেতাকর্মী আত্মগোপনে রয়েছে। অন্যদিকে মাথা নাড়া দিয়ে বসেছে অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলো। আবার দলের নাম ভাঙিয়ে আঙ্গুল ফুলে কলা গাছ হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন অনেকে। এদিকে নৈরাজ্য ঠেকাতে বিএনপির পক্ষ থেকে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। দলের নির্দেশনার তোয়াক্কা না করে রীতিমত অন্যায়ের সাথে জরিয়ে পড়ছে অনেকে।
এমনই এক অনিয়মের অভিযোগ এসেছে খুলনা মহানগরী যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক দৌলতপুর থানা যুবদল নেতা এম এম জসিম এর বিরুদ্ধে।
জানা গেছে ৫ই আগস্ট এর পরে বিভিন্ন দোকানপাট, ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান সহ সরকারি বেসরকারি মালিকানাধীন জমিজমা জবর দখল করে অর্থবিত্তে ফুলে ফেঁপে উঠেছেন বিএনপির আতঙ্কিত নেতা জসিম উদ্দিন। স্থানীয় লোকজনদেরকে বিএনপি’র নাম ভাঙিয়ে রীতিমতো বস করে রেখেছেন তিনি।
এদিকে দৌলতপুর বাজার বনিক সমিতির ত্রিবার্ষিক নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচন করতে যাচ্ছে জসিম।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দৌলতপুর বাজার ব্যবসায়ী রহমান (ছদ্মনাম) জানান জসিম ক্ষমতায় আসার পূর্বেই দৌলতপুর বাজারের মধ্যে বেস কয়েকটি দোকান ঘর দখল সহ কেনা বেচায় রয়েছে তার আধিপত্য। জোর পূর্বক দুই পক্ষের নিকট থেকেই টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে সে।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ ডেন্টাল অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি আব্দুল মান্নান বলেন, ৫ই আগস্ট এর পর থেকে বিএনপি’র নেতাকর্মীরা শহরের একাধিক প্রতিষ্ঠান বেদখল করেছে। একই সাথে আমার চেম্পারটিও দখল হয়েছে।
অভিযুক্ত যুবদল নেতা জসিমের সাথে যোগাযোগের জন্য মুঠোফোনে কল করলে তার মোবাইল নাম্বারটি বন্ধ পাওয়া যায়।
দৌলতপুর থানা বিএনপি সভাপতি মোরশেদ কামাল বলেন, জসিম একজন ভালো ছেলে। তিনি ওই বাজারে দীর্ঘ ১০ বছর সাংগঠনিক সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। যদি সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ থাকে আমরা উভয়কে নিয়ে বসে বিষয়টি দেখব।
এ বিষয়ে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা খান রবিউল ইসলাম রবি বলেন ,বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের কঠোর নির্দেশনা থাকা সত্বেও যারা ফ্যাসিস্ট সরকারের ন্যায় দখল দারিত্বের মত অপরাধের সঙ্গে সম্পৃক্ত হবেন তাকে দল ছেড়ে বিদায় নিতে হবে, সে যতো বড় নেতাই হোক। কারণ এই জাতীয় নেতারা শুধুমাত্র নিজের ক্ষতি করে না এরা দলের ও দেশের ক্ষতিকারক।