1. masudkhan89@gmail.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@yahoo.com : Masud Khan : Masud Khan
ব্রেকিং নিউজ :
রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় ও শাহজাদপুর থানার যৌথ উদ্যোগে ইভটিজিং ও যৌন হয়রানি প্রতিরোধে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত। ৬ মাসের জন্য স্থগিত এপিপি হযরত আলী হিরন খুলনার ডুমুরিয়ায় রাস্তায় রান্না, ঘরের মাচায় ঘুম ঢাকায় নিখোঁজ কলেজছাত্রের লাশ ডিমলায় উদ্ধার,জিজ্ঞাসাবাদে আরও দুজনের নাম আত্রাই উপজেলায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এক বৃদ্ধের মৃত্যু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মানবিক হাত: চুরি হওয়া মাইকের বদলে নতুন সেট পেল ধুরাইল মল্লিকবাড়ি জামে মসজিদ হালুয়াঘাটে সবজির বাজারে আগুন: আয়ের সঙ্গে ব্যয়ের সামঞ্জস্য হারিয়ে বিপাকে সাধারণ মানুষ ফরিদপুরে এসআরবি’র অভিযানে অস্ত্র-গুলিসহ গ্রেপ্তার ১ ঠাকুরগাঁওয়ে রুহিয়া উপজেলায় নামজারি বন্ধে চরম ভোগান্তিতে হাজারো মানুষ শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সুনামগঞ্জে ভ্রাম্যমাণ আদালত ৮ মামলায় জরিমানা, ১৪ হাইড্রোলিক হর্ন জব্দ

মৌলভীবাজারে সৈয়দ মানি এক্সচেঞ্জের প্রশাসনের আড়ালে চলছে অবৈধ হুন্ডির রমরমা ব্যবসা

  • আপডেট সময় : শনিবার, ২১ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ৩৫৮ দেখেছেন

সায়েদা বেগম, জেলা মৌলভীবাজার : বর্তমানে দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি পরিবর্তন হওয়ায় প্রবাসীরা অধিক পরিমাণে মানুষ দেশে আসতে শুরু করেছেন।মৌলভীবাজার জেলা শতকরা প্রায় ৮০ ভাগ মানুষ বিদেশে থাকায়, সেই সুযোগে এখন সৈয়দ মানি এক্সচেঞ্জ বৈধতার আড়ালে অবৈধ ব্যবসা বাণিজ্য চলছে জমজমাট।ফলে বিপুল পরিমাণে রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার। মৌলভীবাজার জেলায় একমাত্র লাইসেন্স প্রাপ্ত সৈয়দ মানি এক্সচেঞ্জ যার কারণে সকাল সন্ধ্যা কাষ্টমারের ভীর লেগে থাকে। প্রতিদিন হাজার হাজার ডলার ক্রয় -বিক্রয় করতে পারে।অথচ যেখানে সর্বোচ্চ প্রতিদিন ৫০,০০০০০ লক্ষ টাকা লেনদেন করতে পারবে বলে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ম আছে ।সেখানে একটা জেলায় একটা বৈধ মানি এক্সচেঞ্জ থাকার পর ও মাত্র ১৫% ভ্যাট প্রধান করে সরকারকে তা জুবায়ের মিয়ার জবান বন্দীতে আমরা জানতে পারি ।তাহলে দোকানে স্টাফ আছে ৮ জন,২ টা দোকান ভাড়া ,কারেন্ট বিল,মালিক খরচ দিয়া কিভাবে এত বড় একটা প্রতিষ্ঠান চলতে পারে।তখন আবার সৈয়দ মানি এক্সচেঞ্জ স্টাফ জুবায়ের মিয়ার কাছে কারণ জানতে চাইলে তিনি সঠিক উত্তর না দিয়ে সেই প্রসঙ্গ থেকে এড়িয়ে যান।আমরা গ্রাহকদের জিজ্ঞাসাবাদ করলে আর ও জানতে পারি সৈয়দ মানি এক্সচেঞ্জ বিরুদ্ধে গ্রাহকদের অভিযোগের অন্ত নেই।ডলার পাউন্ড ক্রয় ও বিক্রয় অধিক মুনাফায় হয়রানির শিকার হচ্ছে তাঁরা।তার পাশাপাশি নিয়মের বাহিরে গিয়ে কাস্টমারদের কাছ থেকে পাসপোর্ট বা কোন ডকুমেন্ট ছাড়া মুদ্রা ক্রয় বিক্রয় করছে,বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন অনুযায়ী লাইসেন্স একটা কিন্তু তারা মেসার্স মাসুদ ফার্মা ও সৈয়দ মানি এক্সচেঞ্জ ২ টা দোকান নাম ব্যবহার করে ব্যবসা চালাচ্ছে। মৌলভীবাজার মোস্তফাপুর বাসিন্দা সৈয়দ আতাউর রহমান আবুলের ছেলে সৈয়দ মাসুদ আহমদ জেলার দায়িত্বে পালনে সেনাবাহিনীর কমান্ডারের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন, বেড়িরপাড় সোনালী ব্যাংক বৈদেশিক বাণিজ্য শাখার আশেপাশে অভিযোগ্ত অবৈধ দোকান রয়েছে। অধিক মুনাফায় ক্রয় বিক্রয় করে রাষ্টের ক্ষতি করছেন।এই অভিযোগে তিনি অভিযুক্ত করেছেন,স্বপ্ন দাস,খোরশেদ মিয়া,জাহাঙ্গীর মিয়া,নুবেল তরফদার টিটু,মামুন তরফদার,আশরাফুল ইসলাম কাইয়ুম,জমির মিয়া,জুবায়ের আহমদ,কোরশি সহ আর ৮-১০ জন। আর আমরা সর জমিনে যাই ও গিয়ে জানতে পারি সেই অভিযুক্তদের মধ্যে নুবেল তরফদার টিটু,মামুন তরফদার, ও আশরাফুল ইসলাম কাইয়ুম সোনালী ব্যাংক বৈদেশিক বাণিজ্য শাখার আশেপাশে তাঁদের কোন দোকান বা ব্যবসার তথ্য পাওয়া যায়নি,আর বাকি অভিযোগক্ত যারা তাদের দোকান থাকলে ও তাঁরা বিভিন্ন ব্যবসার সাথে জড়িত আছেন। তাছাড়া ও মুস্তাকিন মিয়ার ও আব্দুল মুমিন এর কাছ থেকে আর ও না জানা অনেক তথ্য জানতে পারি।তাদের কাছে নিয়ম যেন অনিয়ম হয়ে পরেছে  ও নিয়মিত প্রতিষ্ঠান খোলা থাকে। এবং প্রবাসী গ্রাহকরা হয়রানি রুদে প্রবাসীদের প্রত্যাশা আর একাধিক বৈধ মানি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশ ব্যাংক দোকানে অনুমোদন দিবে।তাদের দাবি একটি মাত্র প্রতিষ্ঠানকে অনুমোদন দিয়ে পুরোটা জেলা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব না।অবৈধ ব্যবসা রুদ করতে আরও একাধিক শাখার লাইসেন্স দেওয়ার প্রয়োজন বলে আমরা মনে করি।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By Rahat IT Ltd.