1. masudkhan89@gmail.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@yahoo.com : Masud Khan : Masud Khan
ব্রেকিং নিউজ :
হারিয়ে যাওয়া গ্রামবাংলার ঐতিহ্য: হালুয়াঘাটে এখন আর বাজে না বিয়ের পালকির নতুন সুর চান্দিনায় আদালতের আদেশে অবৈধ দখল উচ্ছেদ, বাদীকে জমি বুঝিয়ে দিল প্রশাসন পূজায় গুজব ও উসকানি নিয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান ময়মনসিংহের এসপি কামরুল হাসান খুলনায় পুর্ববাংলা কমিউনিস্ট পার্টির আঞ্চলিক নেতাকে গুলি করে হত্যা মানিকগঞ্জের শিবালয়ে তালিমুল কুরআন বিভাগের প্রশিক্ষণ কর্মশালা নৈতিক অবক্ষয় ও অপরাধ প্রবণতা রোধে সামাজিক উদ্যোগ অপরিহার্য: ছাতকের ইউএনও সাংবাদিক আসাদ সবুজের জামিন শুনানি ৬ অক্টোবর ‘পুজো পুজো গন্ধ লেগেছে’ মণিরামপুরে সকল দুর্গাপূজা মন্দির সেজে উঠেছে দেবহাটায় পোল্ট্রি খামারে হামলা-লুটের মামলায় প্রধান আসামি গ্রেপ্তার ডিএনসিসিতে নির্বাহী প্রকৌশলী হারুন অর রশিদ এর “বদলি”, ১৬ দিনের মাথায় পুনর্বহাল নেপথ্যে কি 

খাটো হয়ে গেছে খেলাধুলা, খাটো হয়ে যাচ্ছে খেলার মাঠ।

  • আপডেট সময় : বুধবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ১২০ দেখেছেন

মোঃ আতিকুর রহমান মিরন,মুলাদী প্রতিনিধি : মুলাদী মাহমুদ জান পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় ১৯৪০ সালে স্থাপিত হয়। বিদ্যালয় এর সামনে একটি খেলার মাঠ ও চারিদিকে ক্লাসরুম ও শিক্ষক অফিস রুম ভবন নির্মিত। শিক্ষক ও ছাত্রছাত্রীর কলতানে মুখরিত। বোর্ড পরীক্ষা কিংবা বাৎসরিক পরীক্ষায় ভালো ফলাফল ও খেলাধুলায় বিদ্যালয়ের অনেক সুনাম রয়েছে। এই বিদ্যালয় পড়ুয়া অনেক ছাত্র উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে রাষ্ট্রীয় অনেক বড় বড় পদেও অধিষ্ঠিতও হয়েছেন। এই বিদ্যালয়ের অনেক ছাত্র জাতীয় ফুটবলে স্থান করে নিয়েছেন। সুনাম কুড়িয়েছেন দেশ-বিদেশেও এই স্কুলের অনেক ছাত্র-ছাত্রী। দীর্ঘ ৮০ বছর পর বাংলাদেশ স্বাধীনের ৫০ পর এই বিদ্যালয়টি সরকারিকরন হয়েছে। বর্তমানে লেখাপড়ায় স্কুলটি আরো আরো সমৃদ্ধি সাফল্যতা অর্জিত হয়েছে। শিক্ষকদের পাঠদান ও শৃঙ্খলায় অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। এই স্কুলে দেয়া জমি দাতা গণ আরেকটি জমিও দান করেছেন সেই জায়গাটি স্কুল থেকে একটুখানি দূরে, উপজেলা পরিষদ ও থানা সংলগ্ন একটি মাঠ, এই মাঠে বিদ্যালয়ের বাৎসরিক খেলাধুলা সহ ফুটবল খেলা নিয়মিত হতো। তখনকার একমাত্র খেলার মাঠ ছিল এই স্কুল মাঠটি। ১৯৮৬ সাল তৎকালীন সরকার প্রধান প্রেসিডেন্ট হোসাইন মোহাম্মদ এরশাদ সরকারের জাতীয় পার্টির সময় এই মাঠটি ক্রীড়া মন্ত্রণালয় স্টেডিয়াম হিসাবে ঘোষিত হয়। মাঠ সংস্কার ও উন্নয়ন প্রকল্পে দর্শকদের জন্য একটি সুন্দর গ্লানি নির্মিত হয়। প্রতিদিন বিকেলটা এই মাঠে ফুটবলার ও দর্শকদের আনাগোনায় মুখরিত হয় থাকতো। অথচ সেই মাঠটি দীর্ঘ ১৭-১৮ বছর যাবত জল ও কচুরিপানার নিচে নিমজ্জিত থাকে। শীত ও বসন্তে যখন পানি শুকিয়ে জেগে ওঠে তখন দেখতে পাওয়া যায় কচুরিপানা ও গবাদি পশুর চারণভূমিতে পরিণত। দর্শক গ্যালারি মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে এমন হাল হয়েছে যে কোন সময় ভেঙেচুরে বড় ধরনের দুর্ঘটনাও হতে পারে। ১৯৯৪ সালে মন্টু স্মৃতি গোল্ডকাপ টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে আর কোন বড় ধরনের খেলার আয়োজন করা হয়নি।মাঠের চারিপাশে থাকা রেকর্ডিংও সম্পত্তির মালিকেরা ঘরবাড়ি করতে গিয়ে মাঠ সংকুচিত করে ফেলছে। মাঠের দক্ষিণ পাশ দিয়ে একটি পৌরসভার রাস্তা করতে গিয়ে মাঠের প্রায় বিশ শতক জাগা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আধার রাতে দর্শক গ্যালারিতে কিছু দুষ্ট প্রকৃতির ছেলেরা গাজা সেবন করে এলাকার পরিবেশ নষ্ট করছে। মুলাদী ক্রীড়া মোদী শান্তি প্রিয় মানুষের একটাই দাবি এই স্টেডিয়াম মাঠটি সংস্কার করে খেলাধুলার উপযোগী করে খেলোয়ার ও দর্শকদের আবার মাঠে ফিরে আনার জন্য কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি। খেলাধুলা মানুষের জীবনে বিনোদনের একটি মাধ্যম, খেলাধুলায় মানুষের মন শরীর ভালো থাকে। মাঠে খেলাধুলা ফিরে আসলে ছেলেরা অপরাধের হাত থেকে অনেকটা রক্ষা পেত। বর্তমানে ছেলেমেয়ের খেলাধুলার উপযুক্ত জায়গা ও পরিবেশ না থাকায় মোবাইল ও মাদকাসক্তে আসক্ত হয়ে পড়ছে। খেলাধুলার পরিবেশ ফিরে আসলে বদ অভ্যাস গুলো থেকে অনেক ছেলেমেয়ে মুক্তি পাবে।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By Rahat IT Ltd.