নরসিংদী জেলা সংবাদদাতা: নরসিংদী জেলায় তিতাস গ্যাস কোম্পানির ম্যানেজার মাকসুদুর রহমানের বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম এবং ক্ষমতার অপব্যবহার নিয়ে একাধিক অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নরসিংদীর মাধবদী নূরালাপুরে বাড়ি হওয়ার সুবাদে তিনি তার প্রভাব খাটিয়ে জেলায় তিতাস গ্যাসের কার্যক্রমে একক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছেন।
অভিযোগ ও আতঙ্ক অভিযোগ রয়েছে, মাকসুদুর রহমান তার ব্যক্তিগত প্রভাব পতিত শেখ হাসিনা প্রভাব ব্যবহার করে তিতাস গ্যাসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ওপর একপ্রকার আতঙ্ক সৃষ্টি করেছেন। তার ভয়ে অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মুখ খুলতে সাহস পান না। তিতাসের কার্যক্রমে ব্যাপক দুর্নীতি, অবৈধ গ্যাস সংযোগ প্রদান এবং মাসিক মাসোহারা আদায়ের বিষয়েও তার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় শিল্পপতি এবং গ্রাহকদের অভিযোগ, মাকসুদুর রহমান তার দলবল নিয়ে অবৈধ সংযোগ চালু রাখার মাধ্যমে মোটা অঙ্কের অর্থ আদায় করেন। মাঝে মাঝে লোক দেখানো অভিযান পরিচালনা করা হলেও, পুনরায় অবৈধ সংযোগ ফিরিয়ে আনার অভিযোগ রয়েছে। তার অধীনস্থ কর্মচারী, যেমন ড্রাইভার মানিক, হিসাবরক্ষক মজিবর, সহকারী জালাল উদ্দিন আহমেদ এবং রুকুন, তার নির্দেশনায় এসব কাজ পরিচালনা করেন বলে জানা গেছে।
তিতাস কর্মীদের অভিযোগ, তিতাস গ্যাসের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, মাকসুদুর রহমানের প্রভাব ও অত্যাচারে তারা প্রতিনিয়ত আতঙ্কে থাকেন। তিনি আওয়ামী লীগের প্রভাব দেখিয়ে অফিসের সকল কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করেন এবং তার ইচ্ছার বাইরে কোনো কাজ হয় না।
শিল্পপতি ও গ্রাহকদের দুর্ভোগ,নরসিংদী জেলায় তিতাস গ্যাসের গ্রাহক ও শিল্পপতিরাও মাকসুদুর রহমানের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাদের অভিযোগ, বিলম্ব মাশুল এবং অবৈধ সংযোগের জন্য তারা অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
তিতাস কর্তৃপক্ষের নীরবতা,এ বিষয়ে তিতাস গ্যাস কোম্পানির পরিচালক মজিবুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কোনো প্রতিক্রিয়া জানাননি।
গ্রাহকদের দাবি,তিতাস গ্যাসের গ্রাহক, কর্মকর্তা এবং শিল্পপতিরা মাকসুদুর রহমানের অনিয়ম, দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের বিষয়ে উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত এবং তার অপসারণের দাবি জানিয়েছেন।
সম্প্রতি স্থানীয় বিএনপির নেতৃবৃন্দ সাথে মাকসুদুর রহমানের নেতৃত্বে ধাওয়া পাল্টা দেওয়া হয়েছে তিনি পতিত শেখ হাসিনার ধূসর এখনো রয়েছে বহাল তবিয়তে এ ব্যাপারে বিএনপির নেতৃবৃন্দ তার অপসারণ দাবি করেছে।
মাকসুদুর রহমানের বক্তব্য র জন্য তার সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বক্তব্য দিতে রাজি হয়নি।