1. masudkhan89@yahoo.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@gmail.com : Masud Khan : Masud Khan
সুন্দরবন সংলগ্ন খোলপেটুয়া ও কপোতক্ষ নদী এখন বালু লুটকারীদের দখলে, বেড়ীবাঁধের ২০ স্থানে ভাঙ্গন, আতংকে ৩০ গ্রাম - দৈনিক ঘোষণা
ব্রেকিং নিউজ :
বৃক্ষরোপণ শুধু কর্মসূচি নয়, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রতি আমাদের দায়িত্ব” : এমপি মিলন বগুড়ার গাবতলীতে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী এম আর রিপন ময়মনসিংহে ইআরবি’র আয়োজনে মাদরাসায় উচ্চ শিক্ষার সম্ভাবনা -চ্যালেঞ্জ শীর্ষক সেমিনার অপরিকল্পিত নগরায়ন ও ড্রেন না থাকায় দিগপাইতে জলাবদ্ধতা: চরম ভোগান্তিতে পথচারী ও ব্যবসায়ীরা বিশ্ব স্কাউট স্কার্ফ দিবস উদযাপিত: হালুয়াঘাটে বর্ণাঢ্য আয়োজন ও সভা জুলাই অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে কক্সবাজার জেলা জামায়াতের গণমিছিল অনুষ্ঠিত পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গাছ আমাদের পরম বন্ধু -রুহুল আমিন সুন্দরবন সংলগ্ন খোলপেটুয়া ও কপোতক্ষ নদী এখন বালু লুটকারীদের দখলে, বেড়ীবাঁধের ২০ স্থানে ভাঙ্গন, আতংকে ৩০ গ্রাম সিংগাইরে জামায়াতে ইসলামীর বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত চরফ্যাশনে পুকুর থেকে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার

সুন্দরবন সংলগ্ন খোলপেটুয়া ও কপোতক্ষ নদী এখন বালু লুটকারীদের দখলে, বেড়ীবাঁধের ২০ স্থানে ভাঙ্গন, আতংকে ৩০ গ্রাম

reporter মোঃ হযরত আলী শান্ত,
calendar প্রকাশিত: ১ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৫৫ অপরাহ্ণ

সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার খোলপেটুয়া ও কপোতক্ষ নদী দুটি এখন বালু লুটকারীদের দখলে। প্রকাশ্যে জনপদের সাথে সম্পৃক্ত নদীগুলো থেকে নিয়মিত দিনরাত যত্রতত্র থেকে বালু উত্তোলন করছে একটি চিহৃিত বালুখোর মহল। এদিকে একারনে দু উপজেলা আশাশুনি ও শ্যামনগর উপজেলার প্রায় ২০ গ্রামের মানুষ নদী ভাঙন আতংকে দিন কাটাচ্ছে। পাউবোর বেড়ীবাঁধের প্রায় ত্রিশ জায়গায় ভয়াবহ ফাটল দেখা দিয়েছে। এদিকে গাবুরা ইউনিয়নে ১ হাজার ২০ কোটি টাকার মেঘা প্রকল্প হুমকির মধ্যে পড়েছে,গ্রাম রক্ষা বাধ সংলগ্ন নদীগুলোতে থেকে যে ভাবে দিনে রাতে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে, সে কারনে যে কোন সময় মেঘা প্রকল্পের অধিকাংশ বেড়ীবাঁধ নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যাবে, এমনটি জানালো ওই এলাকার শতশত সচেতন মহল। এখনই যদি বালুখোরদের থামানো না যায় তাহলে ৭ ইউনিয়নের প্রায় ১৫টি গ্রাম নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যাবে।
সরেজমিনে পরিদর্শন পুর্বক রিপোর্ট টি তৈরী করা হলো।
সাতক্ষীরা জেলার প্রায় চার টি উপজেলার পানি নিস্কাশনের খোলপেটুয়া ও কপোতক্ষ নদীর বেড়ীবাঁধ ছুয়ে গড়ে উঠেছে শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়ন,পদ্ধপুকুর ইউনিয়ন, বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন, কাশিমাড়ী ইউনিয়ন, আটুলিয়া ইউনিয়ন, মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়ন, কৈখালী ও রমজানগর ইউনিয়ন সহ আশাশুনি উপজেলার আনুলিয়া ও প্রতাবনগর ইউনিয়ন। এ ইউনিয়ন গুলো বর্তমান বর্ষা মৌসুম আর অবাদে বালু উত্তোলন করার কারনে ব্যাপক ঝুকির মধ্যে রয়েছে বলে একাধিক জনপ্রতিনিধী ও সচেতন মহল জানিয়েছেন। গাবুরা ইউনিয়নের বিএনপিনেতা জামান হোসেন বলেন,একদিকে সরকারী ভাবে বেড়ীবাঁধ রক্ষায় মেঘা প্রকল্পের কাজ চলছে অন্য দিকে বেড়িবাঁধ সংলগ্ন কপোতক্ষ ও খোলপেটুয়া নদী থেকে প্রকাশ্যে বালু উত্তোলন করছে একটি সেন্ডিগেট চক্র, তিনি আরো বলেন, এভাবে যদি বালু উত্তোলন অব্যাহত থাকে তাহলে মেঘা প্রকল্পের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত, অনিশ্চিত হয়ে পড়বে। পদ্ধপুকুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আমজাদুল ইসলাম বলেন, আমার ইউনিয়নে প্রায় চারিপাশে খোলপেটুয়া ও কপোতক্ষ নদী দ্বারা বেষ্ঠিত। প্রায় ৭ থেকে ৮ স্থানে গ্রাম রক্ষা বেড়ীবাঁধে ব্যাপক ফাটল ধরেছে।যেকোন সময় বড় ধরনের সমস্যা হতে পারে। সরেজমিনে ঘুরে দেখলাম ক্ষমতাসীন বিএনপির ও জামায়াতের নাম ভাঙিয়ে একটি সেন্ডিগেট মহল প্রসাশন কে ম্যানেজ করে প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ টাকার বালু উত্তোলন করছে।ইচ্ছেমত যেখান সেখান থেকে বালু উত্তোলন করে নওয়াবেকী, কাশিমাড়ী ঘোলা ও কাশিমাড়ী ত্রিমনি এলাকায় বালির স্তুপ করে সেখান থেকে বিক্রি করা হচ্ছে। এবার বালি মহলে কোন ডাক না থাকায় সম্পুর্ন অবৈধ ভাবে জনপদ সংশ্লিষ্ট নদীগুলো থেকে বালু লুটকরা হচ্ছে। কিন্তু বরাবরই প্রসাশন রয়েছে নিরব,লোক দেখানো দু একটি অভিযান চালালেও বালুখোরদের কোন জায় আসে না। তবে বিষয়টি নিয়ে জনপ্রতিনিধী, রাজনৈতিক মহল ও সচেতন মহলের উল্লেখযোগ্য ভুমিকা না থাকায় বালুখোরদের তৎপরতা দিনে দিনে বেড়ে যাচ্ছে। এমুহূর্তে যদি বালুখোরদের রুখতে না পারে প্রসাশন তাহলে খুব শ্রীঘ্রই মানুষ সৃষ্টি প্রাকৃতিক দুর্যোগের মধ্যে পড়বে উপকুলীয় এলাকার হাজার হাজার মানুষ। বালুখোররা প্রতি রাতে দিনে লক্ষ টাকা ইনকাম করলেও ভবিষ্যতে বড় ধরনের মাসুল দিতে হবে নদীর পাড়ে বসবাসকৃত অসহায় মানুষগুলোর। শ্যামনগরে সর্বক্ষেত্রে চলছে অনিয়ম দুর্নীতি আর লুটপাট। রাস্তাঘাট,কালভাট ব্রীজ সহ অবকাঠামো উন্নয়নে ও চলছে ব্যাপক অনিয়ম কিন্তু দেখার কেউ নেই । কিছু কিছু এনজিও ও স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান উপকুলীয় পরিবেশ, জলবায়ু ও উপকুলীয় এলাকার মানুষের সুরক্ষার দাবীতে অনেক কিছু করছেন বা করবেন বলে গোলা ফাটালেও তাদের কোন ভুমিকা লক্ষ্য করা যায় না।আসলে তারা এলাকার লোনা পানির মানুষদের কে ও সুন্দরবন উপকূলীয় এলাকার জলবায়ু কে বিক্রী করে নিজেদের আখের গোছানো ছাড়া তাদের কোন কাজ নেই, এটাই প্রকৃত বাস্তবতা। পরিবেশবিদরা এখন কোথায়, তাদের ভুমিকা বা কি জানতে চায় সচেতন মহল।
এবিষয়ে পাউবো কর্মকর্তা ফরিদুল ইসলাম বলেন,বর্ষা মৌসুম চলার কারনে বেড়ীবাঁধের বিভিন্ন স্থানে ফাটল দেখা দিয়েছে,তবে বালু উত্তোলনের কারনে বড় ধরনের ক্ষতি হতে পারে।
শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামসুজ্জাহান কনক বলেন, আমরা অভিযান অব্যাহত রেখেছি,নির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে অভিযান পরিচালনা করা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By NewsTech.Com