1. masudkhan89@yahoo.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@gmail.com : Masud Khan : Masud Khan
গর্জনিয়া পুলিশ ফাঁড়ির ১০ গজের মধ্যে চুরি, আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ - দৈনিক ঘোষণা
ব্রেকিং নিউজ :
দুর্যোগে থেমে থাকেননি নেজাম উদ্দিন কোম্পানি, গরীব অসহায়দের হাতে তুলে দিলেন খাদ্য সামগ্রী মান্দায় উপজেলার পরানপুর ইউনিয়ন উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রে নেই নিজস্ব ভবন, উন্নয়নের আশায় এলাকাবাসী ঝালকাঠির নবাগত পুলিশ সুপার বদরুল আলম মোল্লার নামে অপ-প্রচারের অভিযোগ, তদন্ত দাবি টাঙ্গাইলে পেশাগত নিবন্ধন ও কর্মসংস্থানের দাবিতে ডেন্টাল পরিষদের মানববন্ধন ​তথ্য গোপন করে পাসপোর্ট তৈরির অভিযোগ, সুনামগঞ্জ সরকারি নারী চিকিৎসকের বিরুদ্ধে তদন্তের আবেদন আইএইচআর (২০০৫) মাল্টিসেক্টরাল স্টেক হোল্ডার শীর্ষক বিভাগীয় অ্যাডভোকেসি সভা নগরকান্দায় মামা-ভাগিনার মৃত্যুর তদন্ত ঝুলে এক বছর, আদালতে ন্যায়বিচারের অপেক্ষায় পরিবার সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে ফেরত গেলেন জোর করে পুশ-ইনের ভারতীয় ৪ নাগরিক উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ভয়াবহ পাহাড়ধস: মাদ্রাসার ৮ ছাত্রী নিহত, নিখোঁজ বেশ কয়েকজন দুই শতাধিক মানুষের কবর খনন করে মানবতার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন আবুল কাশেম

গর্জনিয়া পুলিশ ফাঁড়ির ১০ গজের মধ্যে চুরি, আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ

reporter এস.এম লুৎফুর কবির, কক্সবাজার
calendar প্রকাশিত: ৮ জুলাই, ২০২৬, ৬:১৪ অপরাহ্ণ

কক্সবাজারের রামু উপজেলার গর্জনিয়া পুলিশ ফাঁড়ির অতি নিকটে একটি দোকানে চুরির ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার গভীর রাতে সংঘটিত এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
ভুক্তভোগী পাইকারি ব্যবসায়ী আবু সুফিয়ান জানান, মঙ্গলবার রাতে তার দোকান থেকে প্রায় ৯০ হাজার টাকার সিগারেটসহ বিভিন্ন মালামাল চুরি হয়েছে। পুলিশ ফাঁড়ির এত কাছাকাছি এমন ঘটনা ঘটবে, তা তিনি কখনো কল্পনাও করেননি বলে জানান। ঘটনার পর তিনি চরম হতাশা ও উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, গত কয়েক মাস ধরে গর্জনিয়া ও কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় বসতবাড়ি, দোকানপাট এবং গবাদিপশু চুরির ঘটনা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। তাদের দাবি, অনেক ঘটনায় পুলিশের কাছে অভিযোগ দেওয়া হলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রেই চোর শনাক্ত বা চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধার হয়নি।
একাধিক ভুক্তভোগীর ভাষ্য, সন্ধ্যার পর অনেক এলাকায় পুলিশের টহল খুব একটা চোখে পড়ে না। এই সুযোগে সংঘবদ্ধ চোরচক্র সক্রিয় হয়ে উঠেছে বলে তাদের অভিযোগ। ফলে অনেক এলাকাবাসী বাধ্য হয়ে রাত জেগে নিজেদের বাড়িঘর ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পাহারা দিচ্ছেন।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সচেতন নাগরিকরা বলছেন, পুলিশ ফাঁড়ির এত কাছেই যদি চুরির ঘটনা ঘটে, তাহলে প্রত্যন্ত গ্রামের মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়াই স্বাভাবিক। তারা নিয়মিত পুলিশ টহল জোরদার, সন্দেহভাজন চোরচক্রের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান পরিচালনা এবং সাম্প্রতিক চুরির ঘটনাগুলোর দ্রুত তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।
এলাকাবাসীর দাবি, গর্জনিয়া ও কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের এমন খুব কম গ্রামই রয়েছে, যেখানে সাম্প্রতিক সময়ে চুরির ঘটনা ঘটেনি। তাই এসব ঘটনার পেছনে কোনো সংঘবদ্ধ চক্র সক্রিয় রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখার আহ্বান জানিয়েছেন তারা। একই সঙ্গে, পুলিশ মাঝে মধ্যে অভিযান পরিচালনা করলেও সেই কার্যক্রমের কার্যকারিতা ও স্বচ্ছতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে।
এ বিষয়ে গর্জনিয়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. আনিসুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, “চুরির বিষয়ে আমি এখনো কিছু জানি না। আপনার মাধ্যমেই ঘটনাটি শুনলাম।”
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, সর্বশেষ এই ঘটনার পর প্রশাসন দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেবে, জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনবে এবং এলাকায় জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত টহল ও নজরদারি আরও জোরদার করবে।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By NewsTech.Com