1. masudkhan89@yahoo.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@gmail.com : Masud Khan : Masud Khan
বিয়ানীবাজারে খাঁস জমি থেকে অবৈধ মাটি উত্তোলনের মহোৎসব - দৈনিক ঘোষণা
ব্রেকিং নিউজ :
তালামীযে ইসলামিয়া কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা শাখার মতবিনিময় ও সাধারণ সভা ১৪ বছর পর হরিরামপুরের ইদ্রিস হত্যা মামলার ফাঁসির আসামি নারী গ্রেপ্তার ‎প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে সাড়া দিয়ে গাজীপুর সাংবাদিক সমিতির উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি রাজশাহীতে মিস্টার ডিআইওয়াই এর ১৭তম বিক্রয়কেন্দ্র উদ্বোধন বাপা’র ‎জীববৈচিত্র্য রক্ষায় আমাদের ভূমিকা শীর্ষক আলোচনা সভা ও আটোয়ারী উপজেলা কমিটি গঠিত আশুলিয়ার বাইপাইল পাইকারি কাঁচা বাজারে চেয়ারম্যান প্রার্থী আলহাজ্ব মোঃ ইসরাফিল হোসেনের নির্বাচনী প্রচারণা মহাখালী সাততলা এলাকায় পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ চাঁদা না পেয়ে মাছ ব্যবসায়ীর দোকান উচ্ছেদের অভিযোগ মহিলা দলের সভাপতির বিরুদ্ধে সরকারি অফিস নাকি আবাসিক ভবন? জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস: চৌদ্দগ্রামে শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা

বিয়ানীবাজারে খাঁস জমি থেকে অবৈধ মাটি উত্তোলনের মহোৎসব

reporter সাদিক হোসেন এপলু,  বিশেষ প্রতিনিধি 
calendar প্রকাশিত: ১০ জানুয়ারি, ২০২৬, ৪:৪৫ অপরাহ্ণ

সিলেটের ঐতিহ্যবাহী বিয়ানীবাজার উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে সরকারি খাস জমি, নদীর পাড়, নদী তীরবর্তী চরাঞ্চল ও ফসলি কৃষি জমি থেকে অবৈধভাবে মাটি উত্তোলনের মহোৎসব চলছে। উত্তোলিত এসব মাটি নিচু জমি ভরাটসহ বিভিন্ন কাজে স্থানীয়ভাবে চড়া দামে বিক্রি করা হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়,অবৈধভাবে উত্তোলিত মাটি প্রতি ট্রলি ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা এবং প্রতি ট্রাক্টর ৯০০ থেকে ১০০০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। প্রশাসনের নজর এড়াতে দিনের পরিবর্তে সন্ধ্যার পর থেকে ভোর রাত পর্যন্ত প্রভাবশালী ভূমিখেকো চক্র ভেকু মেশিন ব্যবহার করে মাটি কেটে ট্রলি ও ট্রাক্টরের মাধ্যমে পরিবহন করছে।
এতে একদিকে পরিবেশ আইন লঙ্ঘিত হচ্ছে, অন্যদিকে উপজেলার আঞ্চলিক সড়কগুলো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। প্রশাসনের পর্যাপ্ত নজরদারির অভাবে দিন দিন বেপরোয়া হয়ে উঠছে মাটি ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট গুলো। অবৈধভাবে মাটি কাটার ফলে ফসলি জমি হারাচ্ছে তার প্রাকৃতিক উৎপাদন ক্ষমতা এবং সরকার হারাচ্ছে লাখ লাখ টাকার রাজস্ব।
প্রতিদিন সরকারি খাস জমি থেকে মাটি উত্তোলন ও বিক্রির কার্যক্রম চললেও সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন ভূমি অফিসগুলোতে মাটি উত্তোলন সংক্রান্ত কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না।
সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার আলিনগর,চারখাই,দুবাগ ও শেওলা ইউনিয়নের হাওড়,এলাকার নদীর পাড় ও চরাঞ্চল,শেওলা ইউনিয়নের চারাবই হাওড়, দাউদপুর হাওড়,মইছাতল হাওড়,চারখাই ইউনিয়নের নইরচক হাওড়,সদাখাল ব্রিজের কাছের হাওড়,চুন্নি বিলের হাওড় ও ১১ নং লাউতা ইউনিয়নে জলঢুপ খাইতি বিলপাড় উওর পাড়িয়াবহর হাওড় থেকে দিনে ও রাএে অবাধে খাসজমি থেকে মাটি কেটে উত্তোলন করছে। উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের হাওড়সহ উপজেলার অন্তত ২০টির বেশি স্পট থেকে প্রতিরাতে মাটি উত্তোলন করা হচ্ছে।
উপজেলা কৃষি অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান,কৃষি জমির উপরিভাগেই মাটির প্রধান জৈব গুণাবলি থাকে। এই উপরিভাগ কেটে ফেলা হলে জমি তার স্বাভাবিক উৎপাদন ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, প্রতিদিন রাত নামলেই শুরু হয় মাটি বোঝাই ট্রলি ও ট্রাক্টরের বিকট শব্দ। সারারাত এসব যানবাহনের চলাচলে এলাকাবাসীর স্বাভাবিক জীবন ব্যাহত হচ্ছে। মাটি উত্তোলনকারী চক্রগুলো প্রভাবশালী হওয়ায় সাধারণ মানুষ নীরব থাকতে বাধ্য হচ্ছেন। এ বিষয়ে উপজেলার ভূমি কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা জানান,মাটি উত্তোলন সংক্রান্ত নির্দিষ্ট কোনো তথ্য তাদের কাছে নেই। তবে কোনো অভিযোগ পেলে তারা তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণের চেষ্টা করেন বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) সিলেট জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক বলেন,কৃষি জমির উপরিভাগেই মূলত জমির জৈব গুণাগুণ থাকে। দীর্ঘদিন ধরে জমির টপ সয়েল কেটে নেওয়ায় জমির প্রাকৃতিক উৎপাদন ক্ষমতা মারাত্মকভাবে হ্রাস পায়। একইভাবে অপরিকল্পিতভাবে নদীর পাড় বা চরাঞ্চল কেটে নেওয়া হলে নদীর স্বাভাবিক গতিপথ নষ্ট হয়। এতে পরিবেশের ভারসাম্য হারানোর পাশাপাশি সরকারও কোটি কোটি টাকার রাজস্ব হারায়। এসব পরিবেশবিধ্বংসী কর্মকাণ্ড বন্ধে নিয়মিত অভিযান ও জনসচেতনতা জরুরি। এ বিষয়ে সদ্য যোগদানকৃত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) উম্মে হাবিবা মজুমদার বলেন,আমি কয়েকদিন আগেই উপজেলায় যোগদান করেছি৷ মাটি উত্তোলনের বিষয়টি গতকালই জানতে পেরেছি। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By NewsTech.Com