কক্সবাজারের সীমান্তে উখিয়া ব্যাটালিয়নের (৬৪ বিজিবি) অধীনস্থ হ্নীলা বিওপির সদস্যরা অভিযান চালিয়ে মালিকবিহীন অবস্থায় ১ লাখ ৪৯ হাজার ৮০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে। এ সময় বিজিবি ও চোরাকারবারী সন্ত্রাসী দলের মধ্যে গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত আনুমানিক ১১টার দিকে গোপন গোয়েন্দা খবরের ভিত্তিতে হ্নীলা বিওপির একটি বিশেষ টহল দল বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তের আনোয়ার প্রজেক্ট এলাকায় অবস্থান নেয়। রাত ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে চারজন সন্দেহভাজন ব্যক্তি বস্তা হাতে মিয়ানমার সীমান্ত থেকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে দেখে বিজিবি টহল দল তাদের চ্যালেঞ্জ করে।
এ সময় চোরাকারবারীরা পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চালায় এবং বিজিবিকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলিবর্ষণ শুরু করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ও নিজেদের রক্ষার্থে বিজিবি পাল্টা ফায়ার করে। পরে চোরাকারবারীরা তাদের সাথে থাকা মালামাল ফেলে পালিয়ে যায়। তবে এ ঘটনায় উভয়পক্ষে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
পরবর্তীতে বিজিবি টহল দল ঘটনাস্থল তল্লাশি করে খাকী রঙের প্যাকেটে মোড়ানো এবং নীল রঙের বায়ুরোধী ১৫টি কাটে মোট ১ লাখ ৪৯ হাজার ৮০০ পিস ইয়াবা ভর্তি তিনটি বস্তা উদ্ধার করে। তবে দীর্ঘ তল্লাশি চালিয়েও কোনো চোরাকারবারীকে আটক করা সম্ভব হয়নি বা অন্য কোনো অবৈধ মালামাল পাওয়া যায়নি।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে উখিয়া ব্যাটালিয়নের (৬৪ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ জহিরুল ইসলাম, জি জানান, সীমান্ত দিয়ে মাদক চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির কঠোর নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত মাদক সরবরাহকারী ও চোরাকারবারীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে গোয়েন্দা নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, কক্সবাজার রিজিয়নের রামু সেক্টরের আওতাধীন উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি) সীমান্তে নিরাপত্তা রক্ষা ও মাদক দমনে নিরবচ্ছিন্নভাবে দায়িত্ব পালন করে আসছে।