হঠাৎ করেই ভোলার বাজারগুলোতে বেড়েছে প্রায় সব ধরনের সবজির দাম। টানা বৃষ্টি ও দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বন্যার কারণে সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার অজুহাতে ব্যবসায়ীরা সবজির দাম বাড়িয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন ক্রেতারা। এতে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের নিত্যপ্রয়োজনীয় বাজারের খরচ আরও বেড়ে গেছে। বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রায় প্রতিটি সবজির দাম আগের তুলনায় দেড় থেকে দ্বিগুণ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। সবচেয়ে বেশি দাম বেড়েছে কাঁচা মরিচ, টমেটো ও করলার। বর্তমানে কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ২০০ টাকা, টমেটো ১৫০ টাকা এবং করলা ১২০ টাকা দরে। এ ছাড়া পটল বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা, বরবটি ৮০ টাকা, শসা ৮০ টাকা, আলু ২২ টাকা এবং পেঁয়াজ ৩০ টাকার পরিবর্তে ৫০ টাকা কেজি দরে। গাজর, কলা, কুমড়া, ঢেঁড়সসহ অন্যান্য সবজির দামও কেজিপ্রতি ২০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। ক্রেতাদের অভিযোগ, বৃষ্টি ও বন্যাকে পুঁজি করে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী অতিরিক্ত মুনাফার আশায় দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন। তবে ব্যবসায়ীদের দাবি, পাইকারি বাজারে দাম বৃদ্ধি এবং পরিবহন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় খুচরা বাজারেও এর প্রভাব পড়েছে।
ক্রেতা রুহুল আমিন, সিরাজুল ইসলাম বলেন, মাত্র দুই দিনের ব্যবধানে সব সবজির দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন বিক্রেতারা। তবে বিক্রেতারা বলছেন, বৃষ্টির কারনে বাজারে সরবরাহ কম থাকায় সবজির দাম বেশী। কারণ বৃষ্টাতে কৃষকরা কৃষকরা ক্ষতির সম্মুখিন হয়েছেন।তাই তারা বেশী দামে সবজি বিক্রি করায় বাজার দাম বেড়ে গেছে। এদিকে কিছু সংখ্যক ক্রেতাদের অভিযোগ, ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে দাম বাড়ানোর কারনে বাধ্য হয়েই বেশী দামে পণ্য কিনতে হচ্ছে। নিয়মিত বাজার মনিটরিং থাকলে এমন অবস্থা থাকবে না।
দ্রুত বাজার তদারকি করে অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন সাধারণ ক্রেতারা।
এ ব্যাপারে ভোলা কৃষি বিপনন কর্মকর্তা মোস্তফা সোহেল বলেন, আমরা নিয়মিত বাজার মনিটরিং করছি, কারো বেশি দামে বিক্রির সুযোগ নেই।