1. masudkhan89@yahoo.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@gmail.com : Masud Khan : Masud Khan
রাজশাহীতে স্বস্তি ভাঙল মুরগির বাজারে! - দৈনিক ঘোষণা
ব্রেকিং নিউজ :
আএাই উপজেলায় ভ্রাম্যমান আদালতের মাদক সেবনের অভিযোগে ৩জন কে২১দিনের কারাদণ্ড ও অর্থ দন্ড প্রদান। মুগলিপাড়ায় বিজিবির মতবিনিময় সভা, সীমান্ত নিরাপত্তা ও অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধে সচেতনতার আহ্বান জাতীয় প্রেস ক্লাব ও চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের যৌথ সভা, কিশোরগঞ্জে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা রক্ষায় দ্রুত ব্যবস্থা,কাজের অগ্রগতি দেখলেন এমপি বিলকিস ইসলাম হালুয়াঘাটে এমপি সালমান ওমর রুবেলের নিজস্ব অর্থায়নে গৃহহীন পরিবারকে ঘর উপহার আমার দলের কেউ মাদকের তদবীর করলে তাকে আজিবন বহিস্কার করা হবে বদলগাছী থানাকে মাদকমুক্তের মতবিনিময় সভায় এমপি হুদা। সোনারগাঁওয়ে তিন পুলিশসহ চারজনকে কুপিয়ে জখম রাজশাহীতে স্বস্তি ভাঙল মুরগির বাজারে! চকরিয়ায় ‘ভিআইপি টাওয়ার’ নিয়ে কউকের অনুমোদন ও পৌরকর অনিয়মের অভিযোগ কুবিতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মরণে মোমবাতি প্রজ্বলন ও দ্রোহের গান পরিবেশন

রাজশাহীতে স্বস্তি ভাঙল মুরগির বাজারে!

reporter নাহিদ ইসলাম, রাজশাহী
calendar প্রকাশিত: ৪ জুলাই, ২০২৬, ৩:৩৯ অপরাহ্ণ

রাজশাহীর খুচরা বাজারে আবারও ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে পোলট্রি মুরগির দাম। মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিপ্রতি বেড়েছে প্রায় ২০ টাকা। একই সঙ্গে বেড়েছে সোনালি মুরগির দামও। ব্যবসায়ীদের দাবি, মুরগির খাদ্যের মূল্যবৃদ্ধি এবং সরবরাহ কমে যাওয়ায় বাজারে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। অন্যদিকে অধিকাংশ সবজির দাম গত সপ্তাহের মতোই স্থিতিশীল থাকলেও শসার বাজারে দেখা গেছে ঊর্ধ্বগতি। চাল, মাছ, গরুর মাংস ও নিত্যপ্রয়োজনীয় আরও কয়েকটি পণ্যের দামেও উল্লেখযোগ্য কোনো পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়নি।

শনিবার (৪ জুলাই) সকালে রাজশাহী মহানগরীর সাহেববাজার, বিশ্ববিদ্যালয় স্টেশন বাজার এবং আশপাশের একাধিক খুচরা বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। বাজারে ক্রেতা-বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলেও একই তথ্য জানা যায়।

বাজার ঘুরে দেখা যায়, বর্তমানে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৬৫ থেকে ১৭০ টাকায়। অথচ মাত্র এক সপ্তাহ আগেও একই মুরগি বিক্রি হয়েছে ১৪৫ থেকে ১৫০ টাকা কেজি দরে। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিপ্রতি দাম বেড়েছে প্রায় ২০ টাকা। একইভাবে গত সপ্তাহে ২২০ থেকে ২৩০ টাকায় বিক্রি হওয়া সোনালি মুরগি এখন বিক্রি হচ্ছে ২৫০ টাকা কেজি দরে। দেশি মুরগির দামও তুলনামূলক বেশি রয়েছে; বাজারে এটি ৫৫০ থেকে ৬০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

স্টেশন বাজারের মুরগি বিক্রেতা হৃদয় আহমেদ বলেন, “ঈদের পর কয়েক সপ্তাহ ধরে মুরগির দাম কমছিল। এতে ক্রেতারাও কিছুটা স্বস্তিতে ছিলেন। কিন্তু চলতি সপ্তাহে হঠাৎ করেই দাম বেড়ে গেছে। বর্তমানে ব্রয়লার ১৬৫ থেকে ১৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বাজারের পরিস্থিতি বিবেচনায় সামনে দাম আরও বাড়তে পারে।”

সাহেববাজারের মুরগি বিক্রেতা আবুল কালাম বলেন, “মুরগির খাদ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় খামারিরা আগের মতো উৎপাদন করতে পারছেন না। ফলে বাজারে সরবরাহ কমেছে। সরবরাহ কমে যাওয়ায় দাম বেড়েছে। খাদ্যের দাম কমলে মুরগির বাজারও আবার স্বাভাবিক হয়ে আসবে।”

ডিমের বাজারে তেমন কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি। প্রতি হালি দেশি মুরগির ডিম ৫৫ টাকা এবং হাঁসের ডিমও ৫৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ফার্মের লাল ডিমের হালি বিক্রি হচ্ছে ৩৪ থেকে ৩৬ টাকা এবং সাদা ডিমের হালি ৩২ টাকায়।

অন্যদিকে সবজির বাজারে গত সপ্তাহের মতোই স্থিতিশীলতা বজায় রয়েছে। তবে শসার দাম বেড়েছে কেজিপ্রতি ১০ থেকে ১৫ টাকা। বর্তমানে বাজারে শসা বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকা কেজি দরে। পেঁয়াজের দাম কেজিপ্রতি ৪০ টাকা এবং আলু মানভেদে ২৫ থেকে ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

চালের বাজারেও বড় কোনো পরিবর্তন নেই। মিনিকেট চাল মানভেদে কেজিপ্রতি ৭২ টাকা এবং আটাশ চাল ৫২ থেকে ৫৪ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মাছ ও গরুর মাংসের বাজারেও গত সপ্তাহের তুলনায় উল্লেখযোগ্য মূল্য পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়নি।

সবজির মধ্যে করলা, কাঁকরোল, ঢেঁড়স, পটল, ঝিঙা, বরবটি, চিচিঙ্গাসহ অধিকাংশ মৌসুমি সবজি ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। বেগুনের দাম ৫০ থেকে ৬০ টাকা, টমেটো ১৮০ থেকে ২২০ টাকা, গাজর ১৫০ থেকে ১৮০ টাকা, কাঁচা পেঁপে ৫০ থেকে ৬০ টাকা এবং কচুর লতি ৬০ টাকা কেজি। এছাড়া কাঁচাকলা প্রতি হালি ৩০ টাকা, লাউ প্রতিটি ৩০ থেকে ৪০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৩০ টাকা কেজি এবং চাল কুমড়া প্রতিটি ৪০ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

সাহেববাজারে বাজার করতে আসা হামিদা বেগম বলেন, “গত সপ্তাহের তুলনায় মুরগির দাম বেড়ে যাওয়ায় সংসারের খরচও বেড়েছে। তবে স্বস্তির বিষয় হলো, অধিকাংশ সবজির দাম এখনও আগের মতোই রয়েছে। শুধু শসার দাম দিন দিন বাড়ছে, যা সাধারণ মানুষের জন্য বাড়তি চাপ তৈরি করছে।”

বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, পোলট্রি খাদ্যের দাম বৃদ্ধি, উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাওয়া এবং সরবরাহে ঘাটতির কারণেই মুরগির বাজারে এ ঊর্ধ্বগতি দেখা দিয়েছে। তবে সবজির পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকায় এ খাতে বড় ধরনের মূল্যবৃদ্ধি হয়নি। বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলে আগামী সপ্তাহগুলোতে মুরগির দাম স্থিতিশীল হতে পারে বলে আশা করছেন বিক্রেতারা। তবে খাদ্যের দাম ও উৎপাদন ব্যয় আরও বাড়লে বাজারে এর প্রভাব অব্যাহত থাকার আশঙ্কাও উড়িয়ে দিচ্ছেন না তারা।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By NewsTech.Com