1. masudkhan89@yahoo.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@gmail.com : Masud Khan : Masud Khan
চকরিয়ায় ‘ভিআইপি টাওয়ার’ নিয়ে কউকের অনুমোদন ও পৌরকর অনিয়মের অভিযোগ - দৈনিক ঘোষণা
ব্রেকিং নিউজ :
মুগলিপাড়ায় বিজিবির মতবিনিময় সভা, সীমান্ত নিরাপত্তা ও অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধে সচেতনতার আহ্বান জাতীয় প্রেস ক্লাব ও চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের যৌথ সভা, কিশোরগঞ্জে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা রক্ষায় দ্রুত ব্যবস্থা,কাজের অগ্রগতি দেখলেন এমপি বিলকিস ইসলাম হালুয়াঘাটে এমপি সালমান ওমর রুবেলের নিজস্ব অর্থায়নে গৃহহীন পরিবারকে ঘর উপহার আমার দলের কেউ মাদকের তদবীর করলে তাকে আজিবন বহিস্কার করা হবে বদলগাছী থানাকে মাদকমুক্তের মতবিনিময় সভায় এমপি হুদা। সোনারগাঁওয়ে তিন পুলিশসহ চারজনকে কুপিয়ে জখম রাজশাহীতে স্বস্তি ভাঙল মুরগির বাজারে! চকরিয়ায় ‘ভিআইপি টাওয়ার’ নিয়ে কউকের অনুমোদন ও পৌরকর অনিয়মের অভিযোগ কুবিতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মরণে মোমবাতি প্রজ্বলন ও দ্রোহের গান পরিবেশন বালারহাট নাওডাঙ্গা ইউনিয়নে গ্রামবাসী ও প্রশাসনের যৌথ মাদকবিরোধী অভিযান

চকরিয়ায় ‘ভিআইপি টাওয়ার’ নিয়ে কউকের অনুমোদন ও পৌরকর অনিয়মের অভিযোগ

reporter নুরুল ইসলাম সুমন
calendar প্রকাশিত: ৪ জুলাই, ২০২৬, ৩:৩৮ অপরাহ্ণ

চকরিয়া পৌরসভার ভরামুহুরি এলাকার খুদারকুম সড়কে নির্মিত ‘ভিআইপি টাওয়ার’কে ঘিরে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (কউক) অনুমোদন, ভবনের নকশা এবং পৌরকর সংক্রান্ত নানা প্রশ্ন ও অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা-সমালোচনার পাশাপাশি প্রশাসনিক তদারকি নিয়েও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বহুতল ভবনটির নির্মাণকাজ সম্পন্ন হলেও কউকের অনুমোদিত নকশা, ভূমি ব্যবহার ছাড়পত্র এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় অনুমতির বিষয়ে স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি। এ কারণে ভবনটির বৈধতা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন সৃষ্টি হয়েছে।

জানা গেছে, চকরিয়া পৌরসভা এলাকা কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (কউক) আওতাভুক্ত। কউক আইন, ২০১৬ অনুযায়ী তাদের অধিক্ষেত্রে এক তলা থেকে শুরু করে যেকোনো ধরনের স্থায়ী ইমারত নির্মাণের জন্য পূর্বানুমোদন গ্রহণ বাধ্যতামূলক। ভবনের উচ্চতা বৃদ্ধি পেলে অনুমোদনের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থার ছাড়পত্র গ্রহণের বিধানও রয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ভিআইপি টাওয়ারের ক্ষেত্রে এসব বিধান যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছে কি না, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। এছাড়া ভবনটির বিপরীতে নির্ধারিত পৌরকর আদায় ও কর নির্ধারণ প্রক্রিয়াতেও অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয় সচেতন নাগরিকদের দাবি, কউকের অনুমোদন, ভবনের নকশা, নির্মাণ অনুমতি, কর নির্ধারণ এবং কর পরিশোধ সংক্রান্ত তথ্য জনসম্মুখে প্রকাশ করা হোক। একই সঙ্গে অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অবস্থা উদঘাটনের আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

এ বিষয়ে চকরিয়া পৌরসভার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ফরিদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “আমরা অ্যাসেসমেন্ট করে পৌরকর নিয়েছি।” এরপর তিনি ফোন কেটে দেন এবং এ বিষয়ে আর কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

ভবনটির বিপরীতে নির্ধারিত সরকারি কর যথাযথভাবে আদায় হচ্ছে কি না, তা নিয়েও স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

অন্যদিকে ভবনটির মালিক হাজী খাইরউদ্দীনের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করে কউকের অনুমোদন, নকশা অনুমোদন এবং পৌরকর পরিশোধের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “ভাই, লম্বায় যাওয়ার দরকার নেই।” পরে অসুস্থতার কথা জানিয়ে সংক্ষিপ্তভাবে কথা বলে ফোন সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।

এ বিষয়ে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (কউক) উপপরিচালক (প্রশাসন) (অ.দা.) ও উপপরিচালক (অর্থ ও হিসাব) (অ.দা.) সানজিদা বেগমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “ভবনটির অনুমোদন ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্রের বিষয়টি যাচাই করে দেখা হবে। কোনো ধরনের অনিয়ম পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

স্থানীয় নাগরিকদের মতে, অভিযোগগুলো সত্য হলে তা শুধু আইন লঙ্ঘনের বিষয় নয়, বরং প্রশাসনিক জবাবদিহিতা ও সুশাসনের প্রশ্নও। তাই বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে প্রকৃত তথ্য জনসম্মুখে প্রকাশ এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তারা।

এদিকে, স্থানীয় আরফাত জানান শুধু কউকের অনুমোদন নই বিদ্যুৎ লাইন নিয়েও রয়েছে নানান অভিযোগ।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By NewsTech.Com