1. masudkhan89@yahoo.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@gmail.com : Masud Khan : Masud Khan
মাধবপুরের সীমান্ত এলাকায় ইয়াবার ছোবলে ৩ কিশোরের পরিবার এখন নরক - দৈনিক ঘোষণা
ব্রেকিং নিউজ :
জুলাই আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী একটি ছাত্রের মৃত্যু ঘোষণা করে, আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার বার্তা জৈন্তাপুর সীমান্তে চোরাচালান বাণিজ্য: ওসি-দারোগাদের বিরুদ্ধে লাখ লাখ টাকা চাঁদাবাজির অভিযোগ! ভেড়ামারার কৃতিসন্তান জাপানের সায়তামা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রীর ডিফেন্স সম্পন্ন রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে নবনিযুক্ত ট্রেজারারের দায়িত্ব গ্রহণ দিনাজপুরের বিরলে আসামীসহ ইয়াবা ট্যাবলেট, মোটরসাইকেল, ট্যাপেন্টাডল ও দেশি মদ আটক ৫ আগস্টের বিজয় র‌্যালি সফল করতে পটিয়ায় বিএনপির যৌথ প্রস্তুতি সভা আমার বাবা নিরপরাধ, হত্যাকারীদের বিচার চাই কাজিরহাট নতুন খাসেরহাট ব্যবসায়ী মোতালেব সবাইকে অশ্রু ঝরিয়ে চির বিদায় ফেনী প্রবাসী কল্যাণ ট্রাস্টের উদ্যোগে আজীন সদস্যদের নৈশভোজ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত বিজ্ঞানী আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়ের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে রাড়ুলীতে নানা কর্মসূচি

মাধবপুরের সীমান্ত এলাকায় ইয়াবার ছোবলে ৩ কিশোরের পরিবার এখন নরক

reporter নিজস্ব প্রতিবেদক
calendar প্রকাশিত: ২৩ জুন, ২০২৪, ১১:৪৯ পূর্বাহ্ণ

নাহিদা আক্তার পপি,বিশেষ প্রতিনিধি: হবিগঞ্জের মাধবপুরে ভারত সীমান্তবর্তী কমলপুর ও নয়নপুর গ্রামের ৩ ইয়াবাসেবী ৩ কিশোরের উশৃঙ্খল আচরণ ও অপরাধমূলক কর্মকান্ডে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী।ক্রমাগত বেপরোয়া আচরণে অশান্তির নরক এখন ৩ কিশোরের পরিবার। কাউকে কাউকে শিকল দিয়ে বেঁধে রাখতে হয়।স্থানীয় পুলিশকে ফোন করা হলে তারা জানাচ্ছেন মাদক নিরাময় কেন্দ্রে ভর্তি করাতে। সেখানে দিলেও পালিয়ে চলে আসে তারা। ইয়াবা সেবনের টাকা না পেলে পরিবারে চালান মাত্রাতিরিক্ত ভাঙচুর ও হামলা।

এছাড়া এলাকার বিভিন্ন চুরি ও ছিনতাই ইত্যাদিতেও জড়িয়ে পড়ছেন তারা। ইয়াবা আসক্ত ৩ কিশোর হলেন উপজেলার ২ নং চৌমুহনী ইউপির – কমলপুর গ্রামের আবেদ আলের পুত্র মোঃ আল-আমিন (২২) ও কুলসুম বেগমের পুত্র নয়ন মিয়া (১৬) এবং নয়নপুর গ্রামের অজিনা বেগমের পুত্র লিটন মিয়া(১৯)।

খোঁজ নিয়ে দেখা যায়,উপজেলার সীমান্তবর্তী কমলপুর গ্রামে ৩ ইয়াবা কারবারি ওই এলাকার নতুন ত্রাস।ওই গ্রামের মাদকসম্রাট শাহাজান মিয়া, ইয়াবা কারবারি সজীব মিয়া ও মাদকসম্রাজ্ঞী কুলসুম বেগমের কর্মকাণ্ডে যুব সমাজ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে এমন অভিযোগ এলাকাবাসীর।এদের ভয়ে কেউ মুখ খোলার সাহসও রাখেনা।

হাতেনাতে প্রমাণের অভাবে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকেও তাই কঠিন ব্যবস্থা নিতে দেখা যায় না। এদের নামে রয়েছে একাধিক মাদক মামলাও।কারো কারো অভিযোগ পুলিশ এদের কাছ থেকে মাশোয়ারা গ্রহণ করে।সেজন্য দেখেও না দেখার ভান করে।ইয়াবা কারবারিরা কৌশলে কিছু যুবদের হতাশাকে পুঁজি করে ফ্রি মাদক সেবন করায়।পরে মাদকাসক্ত বানিয়ে তাদেরকে দিয়ে মাদক সরবরাহ করায় ও ব্যবসায় কাজে লাগায়।

৩ ইয়াবাসেবী কিশোর ওই ৩ মাদক ইয়াবা কারবারীদের সৃষ্টি এমন অভিযোগ এলাকাবাসীর।

স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতা ইবাইদুর রহমান বিলাল জানান,
প্রশাসন চাইলে সবই পারে। আমরা চাই মাদকের ক্ষেত্রে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর যে জিরো টলারেন্স নীতি তার বাস্তবায়ন হোক।আমাদের যুব সমাজ বাচুক।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান সোহাগ জানান,মাদক কারবারীদের বিরুদ্ধে প্রাশাসনের উচ্চপর্যায়ের অভিযান করা প্রয়োজন। তারা যাতে জামিনে মুক্ত হতে না পারে সেজন্য কঠিন ব্যবস্থা গ্রহণ করাও প্রয়োজন। আমার এলাকাকে নষ্ট করে ফেলছে ৩ ইয়াবা কারবারি।

মাধবপুর থানার ওসি (তদন্ত) আতিকুর রহমান আতিক জানান,মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের কোন ছাড় নেই।তিনি ৩ ইয়াবাসেবী ও ৩ ইয়াবা কারবারির বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাসও দেন।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By NewsTech.Com