1. masudkhan89@yahoo.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@gmail.com : Masud Khan : Masud Khan
জৈন্তাপুর সীমান্তে চোরাচালান বাণিজ্য: ওসি-দারোগাদের বিরুদ্ধে লাখ লাখ টাকা চাঁদাবাজির অভিযোগ! - দৈনিক ঘোষণা
ব্রেকিং নিউজ :
পটুয়াখালী সদর হাসপাতালে ছারপোকার উৎপাতের অভিযোগ, অতিষ্ঠ রোগী ও স্বজনরা জুলাই আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী একটি ছাত্রের মৃত্যু ঘোষণা করে, আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার বার্তা জৈন্তাপুর সীমান্তে চোরাচালান বাণিজ্য: ওসি-দারোগাদের বিরুদ্ধে লাখ লাখ টাকা চাঁদাবাজির অভিযোগ! ভেড়ামারার কৃতিসন্তান জাপানের সায়তামা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রীর ডিফেন্স সম্পন্ন রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে নবনিযুক্ত ট্রেজারারের দায়িত্ব গ্রহণ দিনাজপুরের বিরলে আসামীসহ ইয়াবা ট্যাবলেট, মোটরসাইকেল, ট্যাপেন্টাডল ও দেশি মদ আটক ৫ আগস্টের বিজয় র‌্যালি সফল করতে পটিয়ায় বিএনপির যৌথ প্রস্তুতি সভা আমার বাবা নিরপরাধ, হত্যাকারীদের বিচার চাই কাজিরহাট নতুন খাসেরহাট ব্যবসায়ী মোতালেব সবাইকে অশ্রু ঝরিয়ে চির বিদায় ফেনী প্রবাসী কল্যাণ ট্রাস্টের উদ্যোগে আজীন সদস্যদের নৈশভোজ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

জৈন্তাপুর সীমান্তে চোরাচালান বাণিজ্য: ওসি-দারোগাদের বিরুদ্ধে লাখ লাখ টাকা চাঁদাবাজির অভিযোগ!

reporter স্টাফ রিপোর্টার সিলেটের
calendar প্রকাশিত: ৩ আগস্ট, ২০২৬, ১১:১৯ পূর্বাহ্ণ

সিলেটের সীমান্তবর্তী জৈন্তাপুর উপজেলায় ভারতীয় গরু, মহিষ, চিনি, জিরা, সুপারি, কসমেটিকস এবং বিভিন্ন ধরনের চোরাই যানবাহনসহ অবৈধ পণ্য পাচারকে কেন্দ্র করে একটি শক্তিশালী চোরাচালান সিন্ডিকেট গড়ে ওঠার অভিযোগ উঠেছে।
এ সিন্ডিকেটের সঙ্গে জৈন্তাপুর মডেল থানার কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তার সম্পৃক্ততার অভিযোগও করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও সংশ্লিষ্ট সূত্র।

স্থানীয়দের দাবি, সীমান্তের একাধিক পয়েন্ট ব্যবহার করে প্রতিদিন রাতের আঁধারে শত শত গরু, মহিষ এবং বিপুল পরিমাণ ভারতীয় পণ্য বাংলাদেশে প্রবেশ করছে। এসব চালান নির্বিঘ্নে পারাপারের জন্য কথিত লাইন ফি নামে প্রতিদিন কয়েক লাখ টাকা আদায় করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

একাধিক স্থানীয় সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রতিরাতে প্রায় ৩ থেকে ৪ লাখ টাকা পর্যন্ত এই অবৈধ অর্থ লেনদেন হয় এবং তা থানার শীর্ষ পর্যায়ে পৌঁছে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। একই সূত্রের দাবি, এ অর্থ সংগ্রহ ও সমন্বয়ের কাজে জৈন্তাপুর মডেল থানার এক উপপরিদর্শক (এসআই) সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন।

এছাড়া ভারতীয় বিভিন্ন পণ্য ও চোরাই যানবাহন পাচারের অর্থ লেনদেনের দায়িত্ব থানার এক সহকারী উপপরিদর্শকের (এএসআই) ওপর ন্যস্ত রয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা। তাদের দাবি, প্রতিদিন এসব খাত থেকে আরও ১ থেকে ২ লাখ টাকার অবৈধ লেনদেন হয়।

স্থানীয় সচেতন মহলের অভিযোগ, পুরো সিন্ডিকেটের নেপথ্যে থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ পৃষ্ঠপোষকতা রয়েছে। যদিও এ অভিযোগের পক্ষে স্বাধীনভাবে যাচাইযোগ্য প্রমাণ এই প্রতিবেদকের হাতে আসেনি।

এলাকাবাসীর দাবি, সীমান্ত এলাকায় পুলিশের কার্যকর নজরদারির অভাবে কোটি কোটি টাকার অবৈধ পণ্য দেশে প্রবেশ করছে। এর ফলে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারানোর পাশাপাশি সীমান্ত এলাকায় অপরাধ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিরও অবনতি ঘটছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জৈন্তাপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান মোল্লা অভিযোগ অস্বীকার না করে বলেন, সীমান্ত সড়ক দিয়ে অনেক যানবাহন চলাচল করে। তাঁর ভাষায়, এটি সীমান্ত এলাকা। হাইওয়ে দিয়ে অনেক গাড়ি চলাচল করে। মানুষ আমাদের কাছেও ভিডিও পাঠায়, এসপির কাছেও পাঠায়। আমরা অনেক গাড়ি আটক করেছি এবং মামলা দিয়েছি। সব গাড়ি ধরা সম্ভব নয়। সীমান্ত এলাকায় এ ধরনের যানবাহন চলাচল একটি বাস্তবতা।

তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রশ্ন, যদি থানার সামনের সড়ক দিয়েই নিয়মিত অবৈধ পণ্যবাহী যানবাহন চলাচল করে, তাহলে তা প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যকর ব্যবস্থা কোথায়?

এ বিষয়ে সীমান্ত এলাকার সচেতন নাগরিকরা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মাধ্যমে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, অভিযোগের সত্যতা উদঘাটন করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হলে সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান ও দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By NewsTech.Com