1. masudkhan89@yahoo.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@gmail.com : Masud Khan : Masud Khan
মাতারবাড়ীকে বিদ্যুৎ-জ্বালানি হাব হিসেবে গড়ে তোলার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর - দৈনিক ঘোষণা
ব্রেকিং নিউজ :
‘পুলিশ-ডিবিও ফিরে গেছে, তোরা সাহস কোথায় পেলি নাইক্ষ্যংছড়িতে উন্নয়নের আড়ালে পাহাড় কাটা, ঝুঁকিতে অর্ধশত পরিবার লক্ষ্মীপুরে জুয়া আর মাদক ব্যবসা রমরমা মাতারবাড়ীকে বিদ্যুৎ-জ্বালানি হাব হিসেবে গড়ে তোলার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর চকরিয়া থানা পুলিশের তৎপরতায় ৩০ মিনিটে হারানো মোবাইল উদ্ধার সদরপুরে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল এক যুবকের গাজীপুরে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিল অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা কল্যাণ সমিতি ভেদভেদীতে পাহাড় ধস ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ১ হাজার পরিবার পেল জেলা পরিষদের খাদ্য সহায়তা পড়াশোনার ফাঁকে মানবিক উদ্যোগ আসিফের দলির ৯ দিন পেরোলেও ‘জানেন না’ সিডিএ কর্মকর্তা

মাতারবাড়ীকে বিদ্যুৎ-জ্বালানি হাব হিসেবে গড়ে তোলার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

reporter ওমর ফারুক, চট্টগ্রাম
calendar প্রকাশিত: ৯ আগস্ট, ২০২৬, ৩:২৬ অপরাহ্ণ

কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ীতে অবস্থিত ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন আল্ট্রা-সুপারক্রিটিক্যাল কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মাতারবাড়ীকে কেন্দ্র করে বিদ্যুৎ, জ্বালানি, গভীর সমুদ্রবন্দর ও শিল্প অবকাঠামোর সমন্বিত উন্নয়ন এবং সর্বোচ্চ কার্যকর ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন তিনি।

রবিবার (৯ আগস্ট) সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে হেলিকপ্টারযোগে মাতারবাড়ী বিদ্যুৎকেন্দ্রের হেলিপ্যাডে অবতরণ করেন প্রধানমন্ত্রী। পরে তিনি প্রকল্পের প্রশাসনিক ভবনে গিয়ে সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১২টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত প্রকল্পের সার্বিক কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত ব্রিফিং গ্রহণ করেন। ব্রিফিংয়ে প্রকল্পসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বিদ্যুৎকেন্দ্রের বর্তমান অবস্থা, উৎপাদন সক্ষমতা, পরিচালন কার্যক্রম, জ্বালানি সরবরাহ ও ব্যবস্থাপনা, রক্ষণাবেক্ষণ, নিরাপত্তাব্যবস্থা এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন।

কর্মকর্তারা জানান, মাতারবাড়ী বিদ্যুৎকেন্দ্রটি শতভাগ দেশীয় প্রকৌশলী ও জনবল দিয়ে পরিচালিত হচ্ছে। বিষয়টি শুনে সন্তোষ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি দেশীয় প্রকৌশলী ও কর্মীদের দক্ষতার প্রশংসা করে তাঁদের উৎসাহ দেন। পরে প্রকল্প এলাকায় একটি স্মারক নিমগাছের চারা রোপণ করেন তিনি।

দুটি ৬০০ মেগাওয়াট ইউনিট নিয়ে গঠিত মাতারবাড়ী বিদ্যুৎকেন্দ্রের মোট উৎপাদন ক্ষমতা ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট। আধুনিক আল্ট্রা-সুপারক্রিটিক্যাল প্রযুক্তিতে নির্মিত এ প্রকল্পের সঙ্গে কয়লা পরিবহনের বন্দর সুবিধা, বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন, অ্যাকসেস রোডসহ বিভিন্ন অবকাঠামো যুক্ত রয়েছে। প্রকল্প বাস্তবায়নে জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (JICA) ঋণ সহায়তা দিয়েছে।

ব্রিফিং শেষে প্রধানমন্ত্রী প্রকল্পের বিভিন্ন স্থাপনা ও প্রস্তাবিত প্রকল্প এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। দুপুর ১২টা ২৯ মিনিটে তিনি প্রস্তাবিত ৭০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের এলাকায় পৌঁছান। সেখানে কর্মকর্তারা সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের পরিকল্পনা ও সম্ভাব্য উৎপাদন সক্ষমতা সম্পর্কে তাঁকে অবহিত করেন।

এ সময় প্রস্তাবিত এলএনজি-ভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, মেট্রোকেমিক্যাল প্রকল্প এবং নতুন রিফাইনারির জন্য নির্ধারিত স্থানও প্রধানমন্ত্রীকে দেখানো হয়। পরে তিনি এলপিজি, এলএনজি ও কয়লা টার্মিনাল-সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো ও প্রস্তাবিত প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করেন।

এরপর কোল জেটি পরিদর্শন করে প্রধানমন্ত্রী মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর, এলএনজি টার্মিনাল এবং বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিভিন্ন স্থাপনা পর্যবেক্ষণ করেন। কয়লা পরিবহন ও খালাসের বন্দর অবকাঠামোর সঙ্গে বিদ্যুৎকেন্দ্রের সমন্বিত কার্যক্রম সম্পর্কেও তাঁকে অবহিত করা হয়।এ ছাড়া প্রস্তাবিত অস্থায়ী এলপিজি জেটি এবং ভবিষ্যতে ৩ ও ৪ নম্বর কোল পাওয়ার প্ল্যান্ট স্থাপনের জন্য নির্ধারিত স্থান পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এসব প্রকল্পের সম্ভাব্য পরিকল্পনা ও অবকাঠামোগত বিষয় তাঁর সামনে তুলে ধরেন।

পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রী বিদ্যমান অবকাঠামোর সর্বোচ্চ ও দক্ষ ব্যবহার, প্রকল্প পরিচালনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি, নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ এবং দীর্ঘমেয়াদি সমন্বিত জ্বালানি পরিকল্পনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি বলেন, দেশের ক্রমবর্ধমান বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণের পাশাপাশি জ্বালানি উৎসের বৈচিত্র্য নিশ্চিত করতে হবে। বিদ্যুৎ উৎপাদন ও বৃহৎ অবকাঠামো পরিচালনার ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক সক্ষমতা, পরিবেশগত প্রভাব এবং জনগণের দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।

মাতারবাড়ীকে কেন্দ্র করে বিদ্যুৎ, জ্বালানি, গভীর সমুদ্রবন্দর ও সংশ্লিষ্ট শিল্প অবকাঠামোর পরিকল্পিত ব্যবহার দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা, শিল্পায়ন ও সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।দুপুর ১২টা ৫৫ মিনিটে প্রকল্পের বিভিন্ন স্থাপনা ও প্রস্তাবিত প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন শেষ করে হেলিপ্যাডের উদ্দেশ্যে রওনা হন তিনি।

পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী নিরাপত্তা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামসুল ইসলাম, অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন, বিশেষ রাজনৈতিক সম্পাদক বেলায়েত হোসেন মৃধাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By NewsTech.Com