জামালপুর সদর উপজেলার রশিদপুর ইউনিয়নজুড়ে সাধারণ মানুষের মুখে মুখে এখন শুধু একটিই নাম—অ্যাডভোকেট মো. জামিল হাসান তাপস। এলাকার অবহেলিত রাস্তাঘাট মেরামত ও জনদুর্ভোগ লাঘবে নিজ উদ্যোগে একের পর এক প্রশংসনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করে তিনি ইতোমধ্যে স্থানীয়বাসীর হৃদয়ে বিশেষ স্থান করে নিয়েছেন।
ছোনটিয়া বাজার থেকে রশিদপুর চৌরাস্তা পর্যন্ত অত্যন্ত ব্যস্ততম সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে বেহাল দশায় পড়ে থাকায় চরম ভোগান্তিতে ছিলেন পথচারী ও চালকরা। জনদুর্ভোগের এই দৃশ্য স্থানীয় এই নেতার মনে গভীর দাগ কাটে। কোনো ধরনের আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব বা পদের অপেক্ষা না করে, সম্পূর্ণ নিজ উদ্যোগে ও ব্যক্তিগত অর্থায়নে তিনি সড়কটির বিপজ্জনক গর্তগুলোতে ইট ও রাবিশ ফেলে চলাচলের উপযোগী করে তোলেন। শুধু এই একটি সড়কই নয়, সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন কাঁচা রাস্তা ও ভাঙা সড়কে প্রায় ৮০ ট্রাক মাটি ও ইটের রাবিশ ফেলে তিনি যোগাযোগব্যবস্থাকে সচল রাখার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।
রাজনীতিকে কেবল ক্ষমতার সিঁড়ি না ভেবে একে মানুষের সেবা করার সবচেয়ে বড় মাধ্যম হিসেবে বেছে নিয়েছেন এই বিশিষ্ট সমাজসেবক। গরিব ও মেহনতি মানুষের বিপদে-আপদে সবসময় ছায়ার মতো পাশে থাকার কারণে সাধারণ মানুষ তাঁকে প্রকৃত জননেত্রী বা জনবান্ধব নেতা হিসেবে দেখছেন।
এ বিষয়ে অ্যাডভোকেট তাপসের সুদৃঢ় মনোভাব প্রকাশ পায় তাঁর নিজের কথাতেই। তিনি বলেন, “আমি এই রশিদপুরেরই সন্তান। নিজের এলাকাকে এভাবে অবহেলিত অবস্থায় দেখতে পারি না।” এলাকার প্রতি তাঁর এই নিঃস্বার্থ ভালোবাসা ও মমত্ববোধ সত্যিই বিরল।
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জনগণের রায় নিয়ে বিজয়ী হতে পারলে রশিদপুর ইউনিয়নকে জামালপুর সদর উপজেলার ১৫টি ইউনিয়নের মধ্যে একটি আধুনিক ও ডিজিটাল মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখছেন তিনি। তাঁর এই দূরদর্শী চিন্তা, সততা এবং জনকল্যাণমুখী কর্মকাণ্ড এলাকাবাসীর মনে নতুন আশার সঞ্চার করেছে।
স্থানীয়রা মনে করেন, অ্যাডভোকেট জামিল হাসান তাপসের মতো সৎ, পরিশ্রমী ও জনদরদি নেতৃত্বই পারে একটি অবহেলিত অঞ্চলকে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়নের পথে এগিয়ে নিতে। তাঁর এই মহৎ উদ্যোগ অব্যাহত থাকুক এবং তাঁর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাগুলো সফল হোক—এটাই এখন সর্বস্তরের মানুষের আন্তরিক প্রত্যাশা।