নীলফামারীর সৈয়দপুর,কিশোরগঞ্জ ও জলঢাকা উপজেলায় উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ও জনসম্পৃক্ত কার্যক্রমে সক্রিয় ভূমিকা রাখছেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য বিলকিস ইসলাম।অল্প সময়ের মধ্যে বিভিন্ন এলাকার মানুষের সমস্যা চিহ্নিত করে তা সমাধানে উদ্যোগ নেওয়ায় স্থানীয় পর্যায়ে তাঁর কর্মকাণ্ড নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।বিশেষ করে অবহেলিত রাস্তাঘাট সংস্কার,যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন এবং সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে উদ্যোগ নেওয়ায় তিন উপজেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে তিনি পরিচিত হয়ে উঠছেন একজন সক্রিয় জনপ্রতিনিধি হিসেবে।সৈয়দপুর উপজেলার বোতলাগাড়ী ইউনিয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় থাকায় পথচারী,শিক্ষার্থী,কৃষক ও যানবাহন চালকদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছিল।বিষয়টি নজরে আসার পর বিলকিস ইসলাম সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগ করে টিআর-কাবিখা প্রকল্পের অর্থায়নে সড়কটি সংস্কারের উদ্যোগ নেন।এতে ওই এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ অনেকটাই কমেছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
শুধু বোতলাগাড়ী নয়-সৈয়দপুর,কিশোরগঞ্জ ও জলঢাকার বিভিন্ন এলাকায় কাঁচা রাস্তা সংস্কার,ভাঙা সড়ক মেরামত,যোগাযোগব্যবস্থা সচল রাখা এবং স্থানীয় উন্নয়ন-সংক্রান্ত সমস্যা চিহ্নিত করে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে তা তুলে ধরার কাজেও তিনি সক্রিয় রয়েছেন বলে জানা গেছে।
সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে বিলকিস ইসলামের দায়িত্ব কেবল সংসদীয় কার্যক্রমে সীমাবদ্ধ না রেখে নারী,শিশু,দরিদ্র ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর উন্নয়ন এবং স্থানীয় অবকাঠামোগত সমস্যা সমাধানে ভূমিকা রাখার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন বলে তাঁর ঘনিষ্ঠরা জানিয়েছেন।
এলাকার নারীদের বিভিন্ন সমস্যা,শিক্ষা ও সামাজিক নিরাপত্তা,অসহায় মানুষের সহায়তা এবং গ্রামীণ যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নকে তিনি তাঁর কার্যক্রমের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দেখছেন।স্থানীয়দের ভাষ্য,একজন নারী জনপ্রতিনিধি হিসেবে তিনি যদি এভাবে নিয়মিতভাবে তৃণমূলের মানুষের কথা শোনেন এবং সমস্যাগুলো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে সমাধানের উদ্যোগ নেন,তাহলে প্রত্যন্ত এলাকার উন্নয়ন কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।
কথায় নয়,কাজে মানুষের পাশে থাকতে চাই’নিজের এলাকার উন্নয়ন প্রসঙ্গে বিলকিস ইসলাম বলেন,আমি এই সৈয়দপুর ও কিশোরগঞ্জবাসীর সন্তান।নিজের এলাকাকে এভাবে অবহেলিত অবস্থায় দেখতে পারি না।এলাকার মানুষের দুর্ভোগ কমাতে আমার জায়গা থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাব।
তিনি আরও বলেন,মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাকে তিন উপজেলার দায়িত্ব দিয়েছেন।আমি আমার সর্বাত্মক চেষ্টা দিয়ে দায়িত্ব পালন করে যেতে চাই।মানুষের পাশে থেকে এলাকার উন্নয়ন করাই আমার মূল লক্ষ্য।
উন্নয়ন প্রত্যাশায় এলাকাবাসী
স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন,দীর্ঘদিনের অবহেলিত সড়ক,যোগাযোগব্যবস্থা ও জনদুর্ভোগের বিষয়গুলো জনপ্রতিনিধিরা গুরুত্ব দিয়ে দেখলে প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের জীবনযাত্রা অনেক সহজ হবে।তাঁদের প্রত্যাশা,বিলকিস ইসলাম সৈয়দপুর,কিশোরগঞ্জ ও জলঢাকার উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখবেন এবং নারীদের পাশাপাশি দরিদ্র ও পিছিয়ে পড়া মানুষের কল্যাণে কার্যকর উদ্যোগ নেবেন।
এলাকাবাসীর প্রত্যাশা,উন্নয়নের এই উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে এবং জনপ্রতিনিধি হিসেবে বিলকিস ইসলামের কার্যক্রম আরও বিস্তৃত হবে।