গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী উপজেলা হাঁসবারি গ্রামে ৮২ ফুট লম্বা রামমূর্তি কে ঘিরে চলছে চরম উত্তেজনার উদ্বেগ, মুসলমান সম্প্রদায়কে গাইবান্ধা ছেড়ে চলে যেতে বললেন হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতা কর্মীরা এ বিষয়ে, মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে মুসলমান সম্প্রদায়ের মধ্য, তৌহিদী নেতা হরিদাস তরুণী কখনো মুসলমান কখনো হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতা বলে দাবি করে আসিতেছেন, অপরদিকে লক্ষণীয় যে একশ্রেণি হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতাকর্মীরা কিছু সংখ্যক ভাড়াটিয়া ব্যক্তি লইয়া মুখে মাস্ক পরিধান করিয়ি একটি মানববন্ধন করেছেন। উক্ত মানববন্ধনে হিন্দুর সম্প্রদায়ের নেতারা উল্লেখ করেন, যদি রামমূর্তিকে পছন্দ না হয় গাইবান্ধা ছেড়ে চলে যা মুসলমানেরা, উক্ত বক্তব্য এ স্পষ্ট প্রমাণ করেন, কিছু মুসলিম সম্প্রদায়ের নেতাদের কারণে হিন্দু সম্প্রদায়ের ব্যক্তিরা আজ মুসলমানকে অবহেলিত ও অমানবাকর, তাচ্ছিল্য বক্তব্য দিচ্ছে হিন্দু সম্প্রদায় ব্যক্তিরা। যাহা বাংলাদেশ মুসলমানদের মধ্যেও মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে, এ বিষয়ে প্রশাসন নীরব কেন সাধারণ জনগণের মধ্যে চরম উত্তেজনা উৎকণ্ঠা দেখা দিয়েছে, এদেশে মুসলমান ধর্মীয় নেতাদের কাছ থেকে এখনো পর্যন্ত স্পষ্ট কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি। মূলত বিষয় হচ্ছে তৌহদি নেতা হরিদাস তরুণী তার আয়ের কি, ৮২ ফুট লম্বা রাম মূর্তি তৈরি করার উদ্দেশ্য কি,বাংলাদেশের এত বড় বৃহত্তম রাম মূর্তি এখনো পর্যন্ত কোথাও তৈরি হয়নি, সচেতন মহল দাবী করেন, একটি মহল ভারতীয় ইন্দনে কারণে তারা আজ মরিয়া হয়ে উঠিয়াছে, অথচ লক্ষণীয় বিষয়ে যে, বাংলাদেশের প্রায় ৯২ % মুসলমান সম্প্রদায় লোক এ দেশে বসবাস করে, অন্যান্য ধর্মাবলম্বী ৮% লোক বসবাস করেন। অথচ হিন্দুদের দম্ভে মুসলমান আজ বিপাকে।