ক্যান্টনমেন্ট সার্কেলের আওতাধীন ইব্রাহিমপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসে দাল ও সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য চরমে পৌঁছেছে। নামজারি,জমি জমাভাগাভাগী ও খাজনা আদায়ের মতো নাগরিক সেবা নিতে এসে ঘুষের দাবির মুখে পড়ছেন সাধারণ মানুষ। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, ঘুষ ছাড়া
সরেজমিনের চিত্র ,সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, অফিসের সামনে ও ভিতরে বহিরাগত কয়েকজন ব্যক্তির অবাধ বিচরণ। সেবা নিতে আসা অনেকেই নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক থেকে অভিযোগ করেন, নির্ধারিত ফি ছাড়াও অতিরিক্ত অর্থ দাবি করা হচ্ছে। টাকা না দিলে আবেদনপত্র বিভিন্ন অজুহাতে আটকে দেওয়া হচ্ছে।
এক ভুক্তভোগী জানান, “খাজনা দিতে এসে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থেকেছি। দালাল ধরার পর ১০ মিনিটে কাজ হয়ে গেছে। এখানে ঘুষ ছাড়া কোনো কাজ হয় না।”
অভিযোগ কার বিরুদ্ধে স্থানীয়দের অভিযোগ, ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সহকারী কমিশনার ভূমি আসাদুজ্জামানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত সাকিব ও মাহামুদুল নামে দুই ব্যক্তি অফিসের কাজ নিয়ন্ত্রণ করছেন। তাদের মাধ্যমে কাজ করাতে গেলে মোটা অংকের টাকা দিতে হয় বলে দাবি ভুক্তভোগীদের।
অভিযোগকারীরা বলেন, টাকা ছাড়া আবেদনপত্র এক টেবিল থেকে অন্য টেবিলে যায় না। নামজারির ফাইল মাসের পর মাস আটকে থাকে। অথচ দালালের মাধ্যমে গেলে দ্রুত অনুমোদন মিলছে।
ডিজিটাল সেবা কোথায়?সরকার ভূমি সেবা ডিজিটালাইজেশনের উদ্যোগ নিলেও ইব্রাহিমপুর অফিসে তার সুফল মিলছে না বলে অভিযোগ। অনলাইনে আবেদন করেও সেবাপ্রার্থীদের বারবার অফিসে ছুটতে হচ্ছে। আর অফিসে গেলেই দালাল-সিন্ডিকেটের খপ্পরে পড়তে হচ্ছে। এতে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বাড়ছে এবং সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হচ্ছে।
প্রশাসনের বক্তব্য,এ বিষয়ে সহকারী কমিশনার ভূমি আসাদুজ্জামানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি অফিসে ছিলেন না। মোবাইলে বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে সাড়া পাওয়া যায়নি। অভিযুক্ত সাকিব ও মাহামুদুলের বক্তব্য সাকিব ও মসহামুূুল এর সঙ্গে মোবাইল ফোনে আলাপ কালে সাকিব জানান অফিসে আসেন সকল ধরনের কাজ করে দেওয়া জাবে বলে জানান।
এলাকাবাসীর দাবি ,ভুক্তভোগী ভূমি মালিক ও এলাকাবাসী দুর্নীতি দমন কমিশন দুদক ও ভূমি মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তাদের দাবি, দ্রুত তদন্ত করে দালাল-সিন্ডিকেট ভেঙে স্বচ্ছ ও ডিজিটাল ভূমি সেবা নিশ্চিত করা হোক। তারা বলেন, জনগণের ভোগান্তি লাঘবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কঠোর মনিটরিং প্রয়োজন।