1. masudkhan89@yahoo.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@gmail.com : Masud Khan : Masud Khan
৩০০ টাকার জন্য প্রবেশপত্র পেল না প্রতিবন্ধী পিতার মেধাবী কন্যা: অধ্যক্ষের দায়িত্বহীনতায় থেমে গেল শিক্ষা জীবন - দৈনিক ঘোষণা
ব্রেকিং নিউজ :
কোটি টাকার সিন্ডিকেটের কবলে রামেক! চরফ্যাশনে ডিজিটাল লেনদেনে ক্যাশলেস বাংলাদেশ ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত গাজীপুরের কোনাবাড়ি সেটেলমেন্ট অফিসে সেবাগ্রহীতাদের জিম্মি করে অর্থ আদায়ের অভিযোগ শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগের প্রতীক চকরিয়ার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, দ্রুত সংস্কারের দাবি সিদ্ধিরগঞ্জে পোশাককর্মী সাদিয়া হত্যায় প্রেমিক রাজ্জাক গ্রেপ্তার ও স্বীকারোক্তি ব্রহ্মপুত্রের তীব্র ভাঙনে হুমকির মুখে ময়মনসিংহের ৫০০ বছরের পুরোনো সেনেরচর ‎নিয়ামতপুরে ১৭ মাসের শিশু আবু সাইদকে বিষপানে হত্যার পর মায়ের আত্মহত্যার চেষ্টা নির্বাচিত বিচার নয়, সবার জন্য সমান জবাবদিহিতা চাই; মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা, চেয়ারম্যান- বাংলাদেশ জাতীয় মানবাধিকার সমিতি সাংবাদিক আতাহার ইকবালের মৃত্যুতে মফস্বল সাংবাদিক ইউনিয়নের গভীর শোক গুজবে আতঙ্ক নয়, দেশে পর্যাপ্ত পরিমাণ জ্বালানি তেলের মজুদ রয়েছে

৩০০ টাকার জন্য প্রবেশপত্র পেল না প্রতিবন্ধী পিতার মেধাবী কন্যা: অধ্যক্ষের দায়িত্বহীনতায় থেমে গেল শিক্ষা জীবন

reporter ফারুক আহমেদ ভূঁইয়া,
calendar প্রকাশিত: ২৩ জুলাই, ২০২৬, ১২:৩৪ অপরাহ্ণ

জামালপুর সদর উপজেলার রশিদপুর ইউনিয়নের তুলশীপুর ডিগ্রি কলেজের কর্তৃপক্ষের চরম দায়িত্বহীনতা ও অনিয়মের কারণে ডিগ্রি ফাইনাল বর্ষের এক মেধাবী শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবন থেকে একটি বছর হারিয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। সামান্য ৩০০ টাকার জটিলতা ও কলেজ কর্তৃপক্ষের অবহেলায় আটকে গেছে শিক্ষার্থী রিক্তার ফাইনাল পরীক্ষা।
​নুন আনতে পান্তা ফুরানো সংসারে শত কষ্ট ও অন্ধকার পেরিয়ে প্রতিবন্ধী পিতা হেলাল মিয়া চেয়েছিলেন তাঁর মেয়ের পড়াশোনা দিয়ে আশার প্রদীপ জ্বালাতে। কিন্তু কলেজ কর্তৃপক্ষের চরম অবহেলায় সেই স্বপ্ন এখন দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়েছে। এই পরিবারটিতে কষ্টের যেন শেষ নেই; শিক্ষার্থীর বড় বোন প্রতিবন্ধী, বাবাও প্রতিবন্ধী এবং মা ভুগছেন এক বিরল রোগে। পরিবারের সবার একমাত্র ভরসা ছিলেন এই মেধাবী মেয়েটিই।
​জানা গেছে, ডিগ্রি ফাইনাল পরীক্ষা দেওয়ার সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছিলেন উত্তর কৈডুল্যা গ্রামের এই প্রতিবন্ধী পরিবারের মেয়ে রিক্তা। কিন্তু পরীক্ষার দিন কেন্দ্রে গিয়ে তিনি জানতে পারেন, তাঁর নামে কোনো প্রবেশপত্র (Admit Card) আসেনি।
​ভুক্তভোগী রিক্তা অভিযোগ করে বলেন, “আমি নিজে কলেজে এসে ফরম ফিলাপ ও রেজিস্ট্রেশনের জন্য ৩,০০০ টাকা প্রিন্সিপাল জাহাঙ্গীর আলম লিচুর কাছে জমা দিয়েছি। সবার ফরম ফিলাপ হলো, অথচ আমারটা হলো না। তারা আমার টাকা নিল, কিন্তু বোর্ডের খাতায় নাম তুলল না। আজ আমার একটা বছর নষ্ট হয়ে গেল, আমার বাবার কষ্টের কী মূল্য রইল?”
​টাকা জমা দেওয়ার পরও কেন ফরম ফিলাপ হলো না—এমন প্রশ্ন তুললেও কলেজ অধ্যক্ষ জাহাঙ্গীর আলম লিচু নিজের দোষ স্বীকার করা তো দূরের কথা, উল্টো পুরো দায় অসহায় ওই ছাত্রীর ওপরই চাপিয়ে দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
​প্রতিবন্ধী পরিবারের একমাত্র ভরসা ও সংগ্রামশীল এই মেধাবী কন্যার ভবিষ্যৎ এভাবে ধ্বংসের মুখে পড়ায় স্থানীয় সচেতন মহল ও শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিরা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। টাকা নেওয়ার পরও বোর্ডের খাতায় নাম না ওঠার এই ঘটনাকে নিছক ‘ভুল’ বলতে নারাজ এলাকাবাসী।
​ভুক্তভোগী পরিবার ও সচেতন মহল এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে দোষী অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং রিক্তার নষ্ট হওয়া শিক্ষাজীবন রক্ষায় জেলা প্রশাসন ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By NewsTech.Com