1. masudkhan89@yahoo.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@gmail.com : Masud Khan : Masud Khan
  4. mstkfofa@gmail.com : Nx fhqt8p : Nx fhqt8p
  5. wpsvc_fkmdmu@gmail.com : wpsvc_fkmdmu :
  6. xtw18387+1aaa@outlook.com : xtw183871aaa :
রাজনৈতিক বিবেচনায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হয়নি, ভবিষ্যতেও করা হবে না : অর্থমন্ত্রী - দৈনিক ঘোষণা
ব্রেকিং নিউজ :
ফুলবাড়ীতে অবৈধ্যভাবে ২২ জনের জমি দখলের প্রতিবাদে মানববন্ধন আশুলিয়ায় ১১ বছর ধরে গৃহহীন মরিয়ম, আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে বাড়ি দখলের অভিযোগ ‎সিরাজগঞ্জর বেলকুচিতে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা  ভোলার গ্যাস দিয়ে হচ্ছে বিদ্যুৎ উৎপাদন: তবুও লোডশেডিংএ নাকাল ভোলাবাসী “রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ময়লা : অদৃশ্য দুর্যোগের দৃশ্যমান স্তূপ” মানিকগঞ্জে অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধার গাজীপুরের কাশিমপুরে বিএনপি নেতার ছেলেসহ পুলিশের বিরুদ্ধে স্বর্ণ-টাকা নেওয়ার অভিযোগ টঙ্গীতে বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় অনুমোদনের আবেদন প্রক্রিয়া বিষয়ক আলোচনা ও প্রশিক্ষণ কর্মশালা দেশের ২৩ তম মহামান্য রাষ্ট্রপতি মহোদয়ের মূল্যায়নে মানপত্র ডিএনসির অভিযানে চোলাইমদ ও ওয়াশসহ শাশুড়ি জামাই গ্রেপ্তার

রাজনৈতিক বিবেচনায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হয়নি, ভবিষ্যতেও করা হবে না : অর্থমন্ত্রী

reporter চট্টগ্রাম ব্যুরো
calendar প্রকাশিত: ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ৩:২০ অপরাহ্ণ

রাজনৈতিক বিবেচনায় বা দলীয় পক্ষপাতিত্বে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হয়নি, ভবিষ্যতেও করা হবে না বলে মন্তব্য করছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।তিনি আরও বলেন, ফ্যামিলি কার্ড ডেলিভারিতে আমরা যে পাইলট প্রজেক্টটি করেছি, তাতে ১ দশমিক ২ শতাংশ ত্রুটি বা ভুল হয়েছে। যা বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এই ত্রুটির হার অত্যন্ত নগণ্য এবং এটি সফলভাবে বাস্তবায়িত হয়েছে।

রোববার (৩০ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে এইচএসবিসি ব্যাংকের অর্থায়নে ব্র্যাকের দুর্যোগ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কর্মসূচি প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।তিনি বলেন, একটি পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হলে সঠিক উপায়ে এবং দক্ষতার সঙ্গে ত্রাণ ও সহায়তা বিতরণ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। আমাদের দেশে বিতরণের ক্ষেত্রে অনেক ক্ষতি বা অপচয় হয়ে থাকে। এটি মূলত দুর্নীতির মাধ্যমে, অপচয়ের মাধ্যমে এবং সঠিক ব্যবস্থাপনার অভাবে হয়ে থাকে।

তিনি আরও বলেন, সরকারের প্রতিটি কাজে আমরা সরকার, বেসরকারি খাত এবং বেসরকারি সংস্থা বা এনজিওগুলোর মধ্যে একটি অংশীদারত্ব গড়ে তুলছি। এটি শুধু বন্যা পরবর্তী বা বন্যা পুনর্বাসনের কাজ নয়, আমরা একটি সৃজনশীল অর্থনীতি বা নতুন অর্থনৈতিক মডেল চালু করেছি; সেখানেও সরকার, ব্যক্তিখাত ও এনজিওগুলোর একটি যৌথ অংশীদারত্ব রয়েছে এবং সবাই মিলে যৌথভাবে আমরা এই কাজগুলো পরিচালনা করছি।

অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকার প্রথম সারির সাড়া প্রদানকারী বা প্রাথমিক সাহায্যকারী হিসেবে তাৎক্ষণিক সহায়তা দিয়ে থাকে। কিন্তু এর পরের যে কাজগুলো থাকে- যেমন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন, প্রতিবন্ধীদের সহায়তা কিংবা অন্যান্য পুনর্বাসন। সেগুলো বাস্তবায়নের জন্য সমাজের বিভিন্ন স্তরে যাদের কাজের পরিধি রয়েছে, সেই এনজিও ও বেসরকারি খাতকে যুক্ত করা হচ্ছে। সরকারের সম্পদ পুনর্বণ্টন এবং তাদের সম্পদ সংযোগের মাধ্যমে সার্বিক পুনর্বাসনের কাজ সফলভাবে সম্পন্ন হচ্ছে।

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, সরকারের পক্ষে সবসময় একা সবকিছু সঠিকভাবে বিতরণ করা একটি বড় সমস্যা। এতে দুর্নীতি ও অপচয় হয়। কিন্তু ডেলিভারি ব্যবস্থায় যখন আপনি বেসরকারি খাত ও এনজিওদের রাখবেন, তখন একদিকে যেমন কাজ দক্ষতার সঙ্গে হয়, অন্যদিকে অপচয় ও দুর্নীতি কমে যায় বা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। আমি আনন্দিত যে, আজকের এই বন্যা পরবর্তী সময়ে এখন পর্যন্ত আমার জানা মতে কোনো দুর্নীতির অভিযোগ আসেনি। পত্র-পত্রিকায় বা কোথাও আমি এমন কোনো অভিযোগ দেখিনি।

তিনি আরও বলেন, ফ্যামিলি কার্ডের মতো বিভিন্ন মাধ্যমের সাহায্যে এই দক্ষ ডেলিভারি সিস্টেম কাজ করছে। এটি তদারকি বা পাহারাদারের কাজ করছে, এর দক্ষতার জন্য কাজ করছে এবং সরকারের অপচয় ও দুর্নীতি বন্ধ করছে। আজকের এই উদ্যোগে ব্র্যাকসহ অন্যান্য সংস্থাও বিভিন্ন কাজ করছে। এই সম্মিলিত অংশীদারত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং আমরা এই ধারা অব্যাহত রাখতে চাই। সাধারণ মানুষের সঠিক পুনর্বাসন সম্পন্ন না হলে প্রকৃত সহায়তা হয় না, আর সেই কাজটিই তারা হাতে নিয়েছেন বলে জানান তিনি।

এইচএসবিসি ব্যাংকের অর্থায়নে ব্র্যাকের দুর্যোগ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কর্মসূচি প্রকল্পের আওতায় বাঁশখালী, সাতকানিয়া, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ৩৮ নম্বর ওয়ার্ড এবং কক্সবাজারের চকরিয়ায় কার্যক্রম পরিচালিত করবে বলে জানান।প্রকল্পের আওতায় ৪০০ পরিবারকে ল্যাট্রিন নির্মাণ, ৩০টি টিউবওয়েল পুনর্বাসন, ২৫০ পরিবারকে ঘর মেরামত, ৩০০ পরিবারকে জীবিকা সহায়তা, ৬০০ পরিবারকে কৃষি উপকরণ এবং ৫০টি বিদ্যালয় পুনর্বাসন এবং ১০ হাজার শিক্ষার্থীকে শিক্ষা উপকরণ দেওয়া হবে এবং দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও স্বাস্থ্যবিধি বিষয়ে ৩০০টি সচেতনতামূলক সেশন আয়োজন করা হবে।

এসময় চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন, জেলা প্রশাসক মো. জাহিদুল ইসলাম মিঞা, চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি আমিরুল হক চৌধুরী, সিডিএ চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেনসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By NewsTech.Com