এখনো বন্ধ হয়নি প্রিপেইড মিটারের অতিরিক্ত চার্জ, প্রিপেইড বিদ্যুৎ মিটারের ভাড়া বিদূৎ বিভাগের সরকারি ঘোষণা এলেও বাস্তবে তা কার্যকর হয়নি।
ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের (ডিপিডিসি) অফিশিয়াল তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের এপ্রিল মাস পর্যন্ত ডিপিডিসির মোট গ্রাহক সংখ্যা ১৯ লাখ ৫৪ হাজার ৮১৯ জন।
ফলে প্রতি মাসেই মিটার ভাড়া, ডিমান্ড চার্জ ও ভ্যাট পরিশোধ করতে হচ্ছে গ্রাহকদের। ডিপিডিসি তথ্য মতে একজন গ্রাহক এর নিকট থেকে মাসিক ডিমান্ড চার্জ বাবদ ৫০ টাকা নিয়ে থাকেন প্রশ্ন হল ৫০ গুনন ১৯ লাখ ৫৪ হাজার ৮১৯ গ্রাহক প্রতি মাসে প্রায় ৯৭,৭৪,০৯৫০ (সাতানব্বই কোটি চুয়াত্তর লক্ষ নয় শত পঞ্চাশ) টাকা এক বৎসরে হিসেব মতে ১,১৭২,৮৯১,৪০০(এক শত সতেরো কোটি আটাশ লক্ষ একানব্বই হাজার চারশত) টাকা গ্রাহকদের নিকট হতে,ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের (ডিপিডিসি) হাতিয়ে নিচ্ছে এই বেসরকারি বিদ্যুৎ কোম্পানি।
বর্তমানে প্রিপেড মিটারে আসছে ভুতুড়ে বিল এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রশ্ন করলে উত্তরে বলেন এটি সার্ভার সমস্যা আমাদের কিছুই করার নেই। শুধুমাত্র সার্ভারের দোহাই দিয়ে হাজার কোটি টাকা লুটপাট করে নিচ্ছে ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের (ডিপিডিসি)একজন গ্রাহক অভিযোগ করে বলেন আমি ২৭ জুলাই ২০০৬ বেলা একটা ১৫ মিনিটে ১০০০ টাকা রিচার্জ করি রিচার্জের পর ভ্যাট ৪৭টাকা ৬২ পয়সা কেটে নেয় এরপর আমার ব্যালেন্স দেখিয়েছে ১০১টাকা ৭৭পয়সা আমার মিটারে জমা আছে আমি ৩০ জুলাই বৃহস্পতিবার ২০২৬ তারিখে বাসা শিফট করার সময় আমার মিটারে মাইনাস ৭৪৪ টাকা বকেয়া দেখিয়েছে চারদিনে আমার ৮০০ টাকার উপরে বিল দেখিয়েছে মজার বিষয় হল আমি ১ তারিখে বিল পরিশোধ করতে গেলে দেখা যায় আমার মিটারে বকেয়া ১২ শত ৪০ টাকা ২৭ পয়সা গ্রাহকের প্রশ্ন হল ৩১ এবং এক এই দুইদিনে এই মিটার থেকে বিদ্যুৎ খরচ করলো কে এভাবেই বেসরকারি বিদ্যুৎ কোম্পানিগুলো হাজার কোটি টাকা গ্রাহকের নিকট থেকে হাতিয়ে নিচ্ছে। অন্যদিকে
রবিবার (০২ আগষ্ট) বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধির পাশাপাশি এসব চার্জ বহাল থাকায় গ্রাহক দেরমধ্যে চরম অসন্তোষ বাড়ছে। যদিও বিদ্যুৎ বিভাগ বলছে, এ বিষয়ে শিগগিরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হবে।
রিচার্জ করলেও কেটে নেওয়া হয় ভ্যাট, ডিমান্ড চার্জ ও মিটার ভাড়া বাবদ অতিরিক্ত টাকা।গ্রাহকদের অভিযোগ, সরকার অতিরিক্ত চার্জ প্রত্যাহারের ঘোষণা দিলেও বাস্তবে কোনো পরিবর্তন হয়নি। বরং বিদ্যুতের দাম বাড়ার পাশাপাশি আগের মতোই বিভিন্ন খাতে অর্থ কেটে নেওয়া হচ্ছে।দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি ফলে এমনিতে সাধারণ জনগন জীবন যাপনে হিমশিম খাচ্ছে, এরপর সাধারণ গ্রাহকদের ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি করছে বিদুৎ কর্তৃপক্ষ।
রাধানীর ডেমরা সারুলীয়া এবং আসে পাশের এলাকার গ্রাহকরা বলছেন টাকা রিচার্জ করলে বিভিন্ন চার্জ বাবদ কেটে নেয় ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের (ডিপিডিসি) ।গ্রাহক বলছেন প্রতি রিচার্জেই ডিমান্ড চার্জ, মিটার চার্জ নেওয়া এ কোন অবিচার? গত ২৫ মে সরকারের ১০০ দিন পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে প্রিপেইড মিটারের অতিরিক্ত মাসিক চার্জ প্রত্যাহারের ঘোষণা দেওয়া হয়।
সে সময় প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেছিলেন, জনদুর্ভোগ কমাতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।কিন্তু গ্রাহকদের দাবি, ঘোষণার পরও বাস্তবে তারা কোনো সুফল পাননি। জুন মাস থেকে বাড়তি বিদ্যুৎ বিলের পাশাপাশি আগের মতোই ভ্যাট, ডিমান্ড চার্জ ও মিটার ভাড়া কেটে নেওয়া হচ্ছে।
গ্রাহকদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। একদিকে সরকারি ঘোষণায় চার্জ প্রত্যাহারের কথা বলা হলেও অন্যদিকে বিদ্যুৎ বিতরণকারী সংস্থাগুলো আগের নিয়মেই অর্থ আদায় করছে।অন্যদিকে কনজ্যুমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) জ্বালানি উপদেষ্টা সরকারের ঘোষণার বাস্তবায়ন না হওয়া প্রশাসনিক ব্যর্থতা বলছেন।বিদূৎ বিভাগের সূএ মতে, বর্তমানে দেশে ৫ কোটির বেশি বিদ্যুৎ গ্রাহকের মধ্যে প্রায় ৮৭ লাখ ৫০ হাজার গ্রাহক প্রিপেইড মিটারের আওতায় রয়েছেন।
ডেমরার এক বিদূৎ গ্রাহক রোকেয়া আক্তার শিউলী বলছেন প্রিপেইড মিটার আমাদের গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তিনি সরকারের ঘোষণা বাস্তবায়নে জোরদাবি জানান।হ