1. masudkhan89@yahoo.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@gmail.com : Masud Khan : Masud Khan
দলিল জালিয়াতির অভিযোগে ৯ জনকে জেলে প্রেরণ - দৈনিক ঘোষণা
ব্রেকিং নিউজ :
দুর্যোগে থেমে থাকেননি নেজাম উদ্দিন কোম্পানি, গরীব অসহায়দের হাতে তুলে দিলেন খাদ্য সামগ্রী মান্দায় উপজেলার পরানপুর ইউনিয়ন উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রে নেই নিজস্ব ভবন, উন্নয়নের আশায় এলাকাবাসী ঝালকাঠির নবাগত পুলিশ সুপার বদরুল আলম মোল্লার নামে অপ-প্রচারের অভিযোগ, তদন্ত দাবি টাঙ্গাইলে পেশাগত নিবন্ধন ও কর্মসংস্থানের দাবিতে ডেন্টাল পরিষদের মানববন্ধন ​তথ্য গোপন করে পাসপোর্ট তৈরির অভিযোগ, সুনামগঞ্জ সরকারি নারী চিকিৎসকের বিরুদ্ধে তদন্তের আবেদন আইএইচআর (২০০৫) মাল্টিসেক্টরাল স্টেক হোল্ডার শীর্ষক বিভাগীয় অ্যাডভোকেসি সভা নগরকান্দায় মামা-ভাগিনার মৃত্যুর তদন্ত ঝুলে এক বছর, আদালতে ন্যায়বিচারের অপেক্ষায় পরিবার সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে ফেরত গেলেন জোর করে পুশ-ইনের ভারতীয় ৪ নাগরিক উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ভয়াবহ পাহাড়ধস: মাদ্রাসার ৮ ছাত্রী নিহত, নিখোঁজ বেশ কয়েকজন দুই শতাধিক মানুষের কবর খনন করে মানবতার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন আবুল কাশেম

দলিল জালিয়াতির অভিযোগে ৯ জনকে জেলে প্রেরণ

reporter রফিকুল ইসলাম সিরাজী 
calendar প্রকাশিত: ৮ জুলাই, ২০২৬, ৩:৪৯ অপরাহ্ণ

খতিয়ান সৃজন ও জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত কক্সবাজার সদর উপজেলার পিএমখালী ইউনিয়ন পরিষদের সচিব এস. এম. জাকের হোছাইনসহ ১০ আসামির মধ্যে ৯ জনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। গত
সোমবার (৬ জুলাই) আসামিরা কুতুবদিয়া সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন। নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

কারাগারে পাঠানো আসামিরা হলেন— উত্তর ধুরুং ইউনিয়নের আমির হোছাইন, দেলোয়ার হোছাইন, মো. আকতার হোছাইন, মো. নুরুল বশর, মো. হাছান, মো. হোছাইন, রকিবুল বশর, মো. নুরুল আমিন এবং পিএমখালী ইউনিয়ন পরিষদের সচিব এস. এম. জাকের হোছাইন। মামলার অপর এক আসামি এখনও পলাতক রয়েছেন।
আদালত সূত্র জানায়, গত ২৩ জুন পুলিশের ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্ট (সিআইডি), কক্সবাজার দাখিল করা তদন্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা শেষে আদালত মামলার ১০ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

মামলার নথি অনুযায়ী, বাদী শহিদুল ইসলামের বৈধভাবে ক্রয় করা জমির দলিল থেকে একটি দাগ নম্বর ঘষামাজা করে নিজেদের দলিলে সংযুক্ত করা হয়। পরে ওই জাল দলিলের ভিত্তিতে নতুন একটি খতিয়ান সৃজন করে জমির মালিকানা দাবি এবং জমি দখলের চেষ্টা চালানো হয়।
অভিযোগ প্রকাশ্যে এলে স্থানীয় সহকারী কমিশনার (ভূমি) তদন্ত করে জালিয়াতির মাধ্যমে সৃষ্ট খতিয়ান বাতিল করেন। তবে এরপরও অভিযুক্তরা জমি দখলের চেষ্টা অব্যাহত রাখায় ভুক্তভোগী আদালতে জালিয়াতির মামলা দায়ের করেন।

আদালতের এ আদেশকে কেন্দ্র করে কুতুবদিয়াজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের মতে, দলিল জালিয়াতির মতো গুরুতর অভিযোগে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আদালতের কঠোর অবস্থান ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By NewsTech.Com