1. masudkhan89@yahoo.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@gmail.com : Masud Khan : Masud Khan
ডাকাতির প্রকোপে দিশেহারা ভোলার চরাঞ্চলের মহিষ খামারীরা - দৈনিক ঘোষণা
ব্রেকিং নিউজ :
বৃক্ষরোপণ শুধু কর্মসূচি নয়, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রতি আমাদের দায়িত্ব” : এমপি মিলন বগুড়ার গাবতলীতে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী এম আর রিপন ময়মনসিংহে ইআরবি’র আয়োজনে মাদরাসায় উচ্চ শিক্ষার সম্ভাবনা -চ্যালেঞ্জ শীর্ষক সেমিনার অপরিকল্পিত নগরায়ন ও ড্রেন না থাকায় দিগপাইতে জলাবদ্ধতা: চরম ভোগান্তিতে পথচারী ও ব্যবসায়ীরা বিশ্ব স্কাউট স্কার্ফ দিবস উদযাপিত: হালুয়াঘাটে বর্ণাঢ্য আয়োজন ও সভা জুলাই অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে কক্সবাজার জেলা জামায়াতের গণমিছিল অনুষ্ঠিত পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গাছ আমাদের পরম বন্ধু -রুহুল আমিন সুন্দরবন সংলগ্ন খোলপেটুয়া ও কপোতক্ষ নদী এখন বালু লুটকারীদের দখলে, বেড়ীবাঁধের ২০ স্থানে ভাঙ্গন, আতংকে ৩০ গ্রাম সিংগাইরে জামায়াতে ইসলামীর বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত চরফ্যাশনে পুকুর থেকে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার

ডাকাতির প্রকোপে দিশেহারা ভোলার চরাঞ্চলের মহিষ খামারীরা

reporter সাব্বির আলম বাবু,
calendar প্রকাশিত: ১ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৪০ অপরাহ্ণ

মহিষ ডাকাতির প্রকোপে উদ্বিগ্ন ভোলার চরাঞ্চলের মহিষ খামারীরা। রাতের আঁধার নামলেই ভোলার চরাঞ্চলজুড়ে শুরু হয় আতঙ্কের রাজত্ব। মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীর বুকে জেগে ওঠা ছোট-বড় ৮৫টি চরে এখন শুধুই হাহাকার। চোর আর ডাকাত সিন্ডিকেটের তাণ্ডবে চরাঞ্চলের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি মহিষের বাতানগুলো আজ ধ্বংসের মুখে। একের পর এক মহিষ চুরির ঘটনায় নিস্ব হয়ে পড়ছেন উপকূলের খামারিরা, অথচ প্রশাসন যেন দেখেও দেখছে না!
জেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ভোলার ৭টি উপজেলার বিভিন্ন চরে বর্তমানে ১ লাখ ২৪ হাজারেরও বেশি মহিষ লালন-পালন করা হয়। এসব বাতান থেকে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ টন দুধ উৎপাদন হয়, যা ভোলার ঐতিহ্যবাহী মহিষের দই শিল্পের প্রধান জোগান। তবে এই সম্ভাবনাময় শিল্পটি এখন চোর চক্রের পেটে চলে যাচ্ছে। দুর্গম চরাঞ্চলের সুযোগ নিয়ে কোনো না কোনো বাতানে হামলা চালাচ্ছে সংঘবদ্ধ চোর সিন্ডিকেট। ট্রলার নিয়ে এসে রাতের আঁধারে সাবাড় করে দেওয়া হচ্ছে পুরো খামার।
মাসুম নামের এক খামারী হতাশ হয়ে বলেন, “বলে আর কী হবে ভাই! গত রাতেও আমার মহিষ চুরি হয়ে গেছে। কোটি টাকার ক্ষতি হলো, এখন আমরা বাঁচব কীভাবে?
খামারিদের চরম ক্ষোভ, ঘটনা ঘটার পর থানা-পুলিশের দরজায় ঘুরেও কোনো সুফল মিলছে না। লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পরও মেলেনি উদ্ধার হওয়া মহিষ, ধরা পড়েনি কোনো চোর। প্রশাসনের এই ‘ঠুঁটো জগন্নাথ’ ভূমিকার কারণেই দিন দিন আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে চোর চক্র। ভোলাবাসীর প্রাণের দাবি অবিলম্বে চরাঞ্চলে নৌ-পুলিশের বিশেষ টহল জোরদার করতে হবে এবং রাতারাতি খামারিদের নিঃস্ব করা এই চোর সিন্ডিকেটকে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে হবে। তা না হলে অচিরেই ধসে পড়বে ভোলার ঐতিহ্যবাহী মহিষ ও দই শিল্প।
সাব্বির আলম বাবু

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By NewsTech.Com