শরীয়তপুর জেলার গোসাইরহাট উপজেলার ঐতিহ্যবাহী সরদার পরিবারের কৃতি সন্তান, ত্যাগী যুবদল নেতা, ব্যবসায়ী, সমাজসেবক ও সাবেক ছাত্রনেতা এস. এম পাপেল (পাপেল সরদার) কে গোসাইরহাট পৌরসভা যুবদলের সভাপতি হিসেবে দেখতে চান তৃণমূলের নেতাকর্মীরা।
দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে দলের বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন এস. এম পাপেল। ছাত্রজীবন থেকেই রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত হয়ে সাংগঠনিক কার্যক্রমে নিজের অবস্থান তৈরি করেন তিনি। পাশাপাশি ব্যবসা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমেও স্থানীয় মানুষের সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের যোগাযোগ রয়েছে।
স্থানীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের দাবি, দলের দুঃসময়ে এস. এম পাপেল নেতাকর্মীদের পাশে ছিলেন এবং বিভিন্ন প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় থেকেছেন। তার সহজ-সরল আচরণ, সাংগঠনিক দক্ষতা, কর্মীদের সঙ্গে সুসম্পর্ক এবং মানুষের বিপদে পাশে থাকার মানসিকতা তাকে তৃণমূল পর্যায়ে জনপ্রিয় করে তুলেছে।
গোসাইরহাট পৌরসভা যুবদলের নেতৃত্ব নিয়ে তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে আলোচনা চলছে। এ ক্ষেত্রে সভাপতি পদে সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে এস. এম পাপেলের নামই সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছে বলে দাবি করছেন তার সমর্থকরা। তাদের মতে, ত্যাগ, সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা ও কর্মীবান্ধব নেতৃত্বের কারণে পৌর যুবদলকে আরও শক্তিশালী ও গতিশীল করতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবেন।
তৃণমূলের অনেক নেতাকর্মী বলেন, “দলের কঠিন সময়ে যারা নেতাকর্মীদের পাশে ছিলেন, তাদের মধ্য থেকেই নেতৃত্বে আসা উচিত। এস. এম পাপেল দীর্ঘদিন ধরে দলের সঙ্গে আছেন। নেতাকর্মীদের সঙ্গে তার ভালো সম্পর্ক রয়েছে। তাই আমরা তাকে গোসাইরহাট পৌরসভা যুবদলের সভাপতি হিসেবে দেখতে চাই।”
তারা আরও বলেন, নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে পৌর যুবদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল, শক্তিশালী ও সুসংগঠিত করা প্রয়োজন। সেই বিবেচনায় এস. এম পাপেল একজন যোগ্য ও জনপ্রিয় সংগঠক হিসেবে দায়িত্ব পালনে সক্ষম হবেন বলে তারা মনে করেন।
এদিকে এস. এম পাপেলের সমর্থকদের দাবি, তৃণমূলের নেতাকর্মীদের প্রত্যাশা ও জনপ্রিয়তার দিক থেকে সভাপতি পদে তিনি বর্তমানে এগিয়ে রয়েছেন। তবে চূড়ান্তভাবে কে নেতৃত্বে আসবেন, তা দলীয় সিদ্ধান্তের ওপরই নির্ভর করছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তৃণমূলের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা এবং কর্মীদের আস্থাই যেকোনো সংগঠনের নেতৃত্ব নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সেই দিক থেকে এস. এম পাপেলের রাজনৈতিক অবস্থান ও জনপ্রিয়তা তাকে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে এসেছে।