আবুল কালাম (৬০)। লক্ষ্মীপুর পৌর এলাকার ১ নং ওয়ার্ড (আবুল কালাম মন্ঞ্জিল) মৃত. শরাফত আলীর পুত্র উত্তর মজুপুর গ্রামের বাসিন্দা। দীর্ঘ দিন ধরে সুখে -শান্তিতে বসবাস করে আসছেন।সাম্প্রতিক সময়ে আরেকটু ভালো থাকার লক্ষ্যে আরেক টুকরো জমি খরিদ করেন। (দখলকৃত)খরিদকৃত জমিতে আপাততকালীন বিভিন্ন জাতে গাছ রোপন করা হয়। দীর্ঘ সময় পর হঠাৎ একটা কুচক্রী মহল শুরু করে চক্রান্ত। বিগত ১২/৩/২০১৮ ইং. তারিখে মিজানুর রহমান চৌধুরী হতে ২২৭৩ নং ছাপ কবলা মূলে ৬ ডিং জমি খরিদ সূত্রে ভোগ দখলকার আবুল কালামের জমির বাউন্ডারি করাতে বাধা দিলেন স্থানীয় জহির উদ্দিন সাজু গং। প্রতিপক্ষের সাথে বাক – বিতান্ডার এক পর্যায়ে হামলার স্বীকার হন আবুল কালাম। আহত হন বেশ গরুত্বর। চিকিৎসা নিলেন লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে। আইনের আশ্রয়ও নেয়া হলো। তবুও স্থানীয়দের শালিশ মানলেন তিনি। অথচ কাউকেই তোয়াক্কা করলেন না জহির উদ্দিন সাজু গং। একপর্যায়ে লক্ষ্মীপুর অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (সদর) আদালতে একই এলাকার প্রতিপক্ষ মৃত. মন্তাজের রহমানের পুত্র জহির উদ্দিন সাজু, রাজু আহম্মেদ তহির, মৃত খোরশেদের রহমানের সন্তান পলি বেগম (৪৩), শাহাদাত আলম (৪৫), মলি বেগম (৪০) , মুক্তা (৫০) ও মৃত. খোরশেদের রহমানের স্ত্রী মরিয়ম বেগম কে বিবাদী করে মামলা দায়ের করেন আবুল কালাম। মামলাটি ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ, প্রতিকার আইন ২০২৩ এর ৪(১) (খ) (চ), ৯ ও ১০ ধারা মোতাবেক দায়ের করা হয়। যাহার মামলা নং সি আর ৪৫৫/২০২৬ ইং.। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে জহির উদ্দিন সাজু কে আত্মসমর্পণ (C/w) ও রাজু আহম্মেদ তহির কে গ্রেফতার (W/A) আদেশ দেন। অবশেষে তাদের কারাগারেও পাঠান আদালত। পরবর্তী স্থানীয় গণ্যমাণ্য ব্যক্তিরা ও বিবাদীরা অযথা ঝামেলা না করা মর্মে মিলমিশের আলোচনা করেন। সরল মনে তা বিশ্বাস করেন আবুল কালাম। গত ১৬/০৭/২০২৬ ইং তারিখে উকিল শালিশ মতামতেও রায় আসে আবুল কালামের পক্ষে। অঙ্গীকার নামাও দেন প্রতিপক্ষ জহির উদ্দিন সাজু। ফের আবুল কালাম তার খরিকৃত জমিতে বাউন্ডারি নির্মাণ কাজ শুর করে।কিন্ত ক্ষমতার দাপটে আইনকেও তোয়াক্কা না করে আবারো বাধা এবং হুমকি ধমকি দেয় প্রতিপক্ষরা। ভুক্তভোগী আবুল কালাম আদালতের ও সর্ব মহলের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।