1. masudkhan89@yahoo.com : Ghoshana Desk :
  2. backupadmin@wordpress.com : backupadmin :
  3. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  4. system@openreplay.com : wp-backup :
  5. xtw18387+1aaa@outlook.com : xtw183871aaa :
গোয়াইনঘাটে মাদক-চোরাচালানের বিরুদ্ধে পুলিশের জিরো টলারেন্স, চলছে ধারাবাহিক অভিযান - দৈনিক ঘোষণা
ব্রেকিং নিউজ :
রূপপুর প্রকল্পের নির্মাণকাজ সফলভাবে সম্পন্ন: রুশ কূটনীতিকদের ক্রেস্ট ও অভিনন্দনপত্র সুন্দরবনের ” নানা ভাই” বাহিনীর ১২ সদস্যের আত্মসমর্পন, বিপুল অস্ত্র – গোলাবারুদ উদ্ধার সাংবাদিকদের সাথে পুলিশ সুপারের মতবিনিময়: নিরাপদ গাজীপুর গড়তে সহযোগিতা কামনা গণসংযোগ মাস উপলক্ষে পটিয়ায় জামায়াতের দাওয়াতি উপকরণ বিতরণ দিনে দুপুরে ডেমরায় সাংবাদিকের বাসার তালা ভেঙে দুর্ধর্ষ চুরি, নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট রূপগঞ্জে চাকরির প্রলোভনে ১০ যুবককে আটকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ, গ্রেপ্তার ২ নগরকান্দায় সর্বজনীন মন্দিরের জায়গা আত্মসাতের অভিযোগে মানববন্ধন এক ভবনে নানা রোগের রোগী, বেতাগী হাসপাতালে নিরাপদ চিকিৎসা নিয়ে প্রশ্ন জমি বিক্রির টাকা লুটে চলন্ত বাসে খুন: খুনিদের ফাঁসির দাবিতে জামালপুরে উত্তাল মানববন্ধন সোনারগাঁ মোগরাপাড়া চৌরাস্তায় পাঁচ শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

গোয়াইনঘাটে মাদক-চোরাচালানের বিরুদ্ধে পুলিশের জিরো টলারেন্স, চলছে ধারাবাহিক অভিযান

reporter এ কে আজাদ
calendar প্রকাশিত: ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:১১ অপরাহ্ণ

সিলেটের সীমান্তবর্তী উপজেলা গোয়াইনঘাটে মাদক ও চোরাচালানবিরোধী অভিযান জোরদার করেছে থানা পুলিশ। গত ৩ জুলাই অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসেবে মো. ওমর ফারুক মোড়ল দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে সীমান্তবর্তী বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় নজরদারি ও নিয়মিত টহল বাড়ানো হয়েছে। পুলিশের দাবি, ধারাবাহিক অভিযানের ফলে চিহ্নিত মাদক কারবারি ও চোরাকারবারিদের তৎপরতা আগের তুলনায় কমেছে।

গোয়াইনঘাটের জাফলং, তামাবিল, রাধানগরসহ সীমান্তবর্তী বিভিন্ন এলাকায় মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে পুলিশ। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই মাদক ও চোরাচালানের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণের কথা জানিয়েছে থানা পুলিশ।

এরই ধারাবাহিকতায় উপজেলার রুস্তমপুর ইউনিয়নের পাতনী এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১ হাজার ২০৫ বোতল ভারতীয় ফেনসিডিল উদ্ধারের দাবি করেছে গোয়াইনঘাট থানা পুলিশ। গত ৬ সেপ্টেম্বর অভিযান চালিয়ে এসব ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়।পুলিশের ভাষ্য, পাতনী গ্রামের তেরা মিয়ার স্ত্রী কুটিনা বেগমের বসতঘরে বিশেষ কৌশলে ফেনসিডিলগুলো লুকিয়ে রাখা হয়েছিল। তল্লাশির একপর্যায়ে ঘরের ধানের গোলার নিচ থেকে বোতলগুলো উদ্ধার করা হয়। পুলিশের হিসাবে উদ্ধার করা ফেনসিডিলের আনুমানিক বাজারমূল্য ২৪ লাখ ১০ হাজার টাকা।

এ ঘটনায় ৭ সেপ্টেম্বর গোয়াইনঘাট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, মামলায় গ্রেপ্তার একজন আসামিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।গোয়াইনঘাট থানার ওসি মো. ওমর ফারুক মোড়ল বলেন, সীমান্ত এলাকায় নজরদারি আরও বাড়ানো হয়েছে। মাদক পাচারের পাশাপাশি সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে পণ্য প্রবেশ ঠেকাতেও পুলিশের তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে। সীমান্তবর্তী বিভিন্ন পয়েন্টে নিয়মিত টহলের পাশাপাশি গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

ওসি আরও বলেন, চোরাচালান প্রতিরোধে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে পুলিশ। সীমান্তবর্তী ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে গোয়াইনঘাটে মাদক ও চোরাচালানের ঝুঁকি তুলনামূলক বেশি। এ কারণে নিয়মিত অভিযান ও গোয়েন্দা নজরদারিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

মো. ওমর ফারুক মোড়ল বলেন, গোয়াইনঘাটকে জনবান্ধব, দালালমুক্ত এবং মাদক ও চোরাচালানমুক্ত থানা হিসেবে গড়ে তোলাই পুলিশের মূল লক্ষ্য। মাদক কারবারিরা বিভিন্ন কৌশলে মাদক লুকিয়ে রাখার চেষ্টা করছে। তবে পুলিশের গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে। মাদক ও চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পুলিশের ধারাবাহিক অভিযানে স্থানীয় সচেতন মহলও সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাঁদের মতে, সীমান্ত এলাকায় মাদক ও চোরাচালান নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিয়মিত অভিযান ও গোয়েন্দা নজরদারি আরও জোরদার করা প্রয়োজন।গোয়াইনঘাটে গত ৩ জুলাই থেকে ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৬৮ দিনের পুলিশি কার্যক্রমে মাদক ও চোরাচালানবিরোধী তৎপরতা জোরদারের বিষয়টি স্থানীয়ভাবে আলোচনায় এসেছে। তবে এসব অভিযানের দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব নির্ভর করবে নিয়মিত নজরদারি, মামলা পরিচালনা এবং সীমান্তে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলোর সমন্বিত কার্যক্রমের ওপর।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By NewsTech.Com