1. masudkhan89@yahoo.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@gmail.com : Masud Khan : Masud Khan
  4. mstkfofa@gmail.com : Nx fhqt8p : Nx fhqt8p
  5. wpsvc_fkmdmu@gmail.com : wpsvc_fkmdmu :
  6. xtw18387+1aaa@outlook.com : xtw183871aaa :
গাজীপুরের কাশিমপুরে বিএনপি নেতার ছেলেসহ পুলিশের বিরুদ্ধে স্বর্ণ-টাকা নেওয়ার অভিযোগ - দৈনিক ঘোষণা
ব্রেকিং নিউজ :
রুহিয়ায় প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে প্রধান শিক্ষকদের নিয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত বোয়ালখালীতে ইয়াবা বিক্রির সময় আটক, যুবকের ৬ মাসের কারাদণ্ড ‎বকশীগঞ্জে মাদক সেবনের অপরাধে সিয়াদ হাসান মিনুর ৩ মাসের কারাদণ্ড চট্টগ্রামে অধিকারের মানববন্ধনে বক্তারা: গুমের সংস্কৃতি থেকে এখনো বের হতে পারিনি রাষ্ট্র ভাঙ্গায় ৩২৫ কৃষকের মাঝে ফলদ ও বনজ গাছের চারা বিতরণ দৃষ্টিনন্দন আয়োজনে পটিয়ার ডেংগাপাড়ায় ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) মাহফিল আত্রাইতে বাল্য বিবাহ বন্ধ করতে গিয়ে হামলার শিকার। ৩ জনের কারাদণ্ড ও জরিমানা গুমের অভিযোগ তদন্তের ক্ষমতা শৃঙ্খলা বাহিনীকে নয়, স্বাধীন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে দেওয়ার দাবি রাজশাহীতে গুমের অভিযোগ তদন্তের ক্ষমতা শৃঙ্খলা বাহিনীকে নয়, স্বাধীন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে দেওয়ার দাবি রাজশাহীতে ট্রাইবেকারে বাজিমাত, মুসলিম নগর উচ্চ বিদ্যালয়ের চ্যাম্পিয়ন অষ্টম শ্রেণি!

গাজীপুরের কাশিমপুরে বিএনপি নেতার ছেলেসহ পুলিশের বিরুদ্ধে স্বর্ণ-টাকা নেওয়ার অভিযোগ

reporter সোহরাব উদ্দিন মন্ডল, গাজীপুর
calendar প্রকাশিত: ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ৬:১৮ অপরাহ্ণ

গাজীপুরের কাশিমপুরে গভীর রাতে একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ভাড়াটিয়াকে গ্রেপ্তারের সময় স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক পুলিশ কর্মকর্তাসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বাড়ির মালিক মো. শহিদুল ইসলাম (৪৯)।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২৯ আগস্ট রাত আনুমানিক ২টার দিকে তৌহিদ উদ্দিন সোহাগ নামে এক ব্যক্তি শহিদুল ইসলামের নির্মাণাধীন বাড়ির জানালা দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করেন। সোহাগের পরিচয় সম্পর্কে জানা গেছে সে মহানগরীর ২নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মীর আব্দুল আউয়ালের ছেলে । জানালা দিয়ে প্রবেরশের পরে শিল-পাটা দিয়ে বাড়ির গেটের তালা ভেঙে ফেলা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এরপর কাশিমপুর থানার এএসআই সেকেন্দার আলীসহ দুই পুলিশ সদস্য এবং আরও দুই অজ্ঞাত ব্যক্তি বাড়িতে প্রবেশ করেন।

শহিদুল ইসলামের অভিযোগ, বাড়ির লোকজন ঘুম থেকে উঠে পুলিশ সদস্যদের পরিচয় ও সেখানে আসার কারণ জানতে চাইলে তারা জানান, ওই বাড়ির ভাড়াটিয়া কামালকে গ্রেপ্তারের জন্য তারা এসেছেন।
তবে অভিযোগকারীর দাবি, এ সময় এক অজ্ঞাত পুলিশ সদস্য তার ছেলের কক্ষের ওয়ারড্রবের ড্রয়ার খুলে ৮ আনা ওজনের একটি স্বর্ণের চেইন, এক জোড়া স্বর্ণের বালা, ৮ আনা ওজনের এক জোড়া কানের দুল, ১০ আনা ওজনের একটি স্বর্ণের টিকলি এবং নগদ ৭০ হাজার টাকা নিয়ে যান। অভিযোগে এসব স্বর্ণালংকারের মূল্য কয়েক লাখ টাকা বলে দাবি করা হয়েছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়, মালামাল নিয়ে যেতে বাধা দিলে এএসআই সেকেন্দার আলী শহিদুল ইসলামকে থাপ্পড় মেরে ফেলে দেন। এ সময় তার ছেলে ও স্ত্রী এগিয়ে এলে তাদেরও মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। পরে ভাড়াটিয়া কামালকে নিয়ে যাওয়ার সময় পরিবারের সদস্যদের বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা এবং অভিযোগে উল্লেখ করা স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা উদ্ধারের দাবি জানিয়েছেন শহিদুল ইসলাম।

শহিদুল ইসলাম বলেন, “পুলিশের ওপর সাধারণ মানুষের যে আস্থা ও আত্মবিশ্বাস ছিল, এ ধরনের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তা নষ্ট হচ্ছে। তারা আমার বাড়ির ভাড়াটিয়া কামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করতে এসেছিল। কিন্তু তাকে ধরতে গিয়ে আমার কক্ষে প্রবেশ করে ওয়ারড্রব থেকে স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা নিয়ে যায় বলে আমি অভিযোগ করছি।”

তিনি আরও বলেন, “শুধু মালামাল নেওয়াই নয়, বাড়ির মালিক হিসেবে আমার সঙ্গেও আসামির মতো আচরণ করা হয়েছে। আমাকে মারধর করা হয়েছে। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চাই। একই সঙ্গে নিয়ে যাওয়া স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা ফেরত দেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।”তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন কাশিমপুর থানার এএসআই সেকেন্দার আলী। তিনি বলেন, পঞ্চগড় জেলার তেঁতুলিয়া মডেল থানার এসআই লুৎফরসহ পুলিশের একটি দল আসামি গ্রেপ্তারের জন্য ওই বাড়িতে অভিযান চালায়। তিনি শুধু তাদের আইনি সহযোগিতা করেছেন।

এএসআই সেকেন্দার আলী বলেন, “চোরাই মাল উদ্ধারের জন্য ওই পুলিশ দল বাড়িটি তল্লাশি করেছে। তবে অভিযানের সময় স্বর্ণালংকার বা নগদ টাকা নেওয়ার অভিযোগের সঙ্গে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। অভিযোগে যে লুটপাটের কথা বলা হয়েছে, এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি।”

অভিযোগের বিষয়ে জানতে ১ নম্বর অভিযুক্ত তৌহিদ উদ্দিন সোহাগ কে মুঠোফোন কল করলে তিনি বলেন, “থানা পুলিশের অফিসার সেকেন্দার ভাই আমার পরিচিত তাই তাকে তার চাওয়া অনুযায়ী বাড়ি চিহ্নিত করতে সহযোগিতা করেছি। এছাড়া অন্যান্য বিষয়গুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা।”
এ বিষয়ে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রশাসন ও অর্থ) মোহাম্মদ তাহেরুল হক চৌহান বলেন, “এ বিষয়ে একটি অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By NewsTech.Com