চট্টগ্রামে আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে মানবাধিকার সংগঠন অধিকারের চট্টগ্রাম নেটওর্য়াকের আয়োজনে মানববন্ধনে বক্তারা বলেছেন, গুমের মতো মানবতাবিরোধী অপরাধের সংস্কৃতি থেকে এখনো রাষ্ট্র বের হতে পারিনি। বিগত ১৬ বছর শেখ হাসিনার শাসনামলে গুম ও দুঃশাসনের শিকার হয়েছেন বহু মানুষ। তাদের অনেকেই এখনো ফিরে আসেননি। নিখোঁজ স্বজনের অপেক্ষায় আজও অসংখ্য পরিবার দিন কাটাচ্ছে।
রোববার (৩০ আগস্ট) চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত মানববন্ধনে বক্তারা এসব কথা বলেন। তারা বলেন, গুমের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারগুলো দীর্ঘদিন ধরে ন্যায়বিচারের অপেক্ষায় রয়েছে। গুমের মতো গুরুতর মানবতাবিরোধী অপরাধের সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার নিশ্চিত করতে রাষ্ট্রকে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।
বক্তারা আরও বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গুমবিরোধী আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছিল। পরবর্তী সময়ে নির্বাসিত সরকার তা বাতিল করে যে আইন করেছে, সেটি বিচার সংকট তৈরি করেছে। তাই গুম সংক্রান্ত আইনটি পূর্ণাঙ্গভাবে পর্যালোচনা ও সংশোধনের দাবি জানান তারা। একই সঙ্গে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে একটি স্বাধীন ও কার্যকর প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠারও দাবি জানানো হয়।
মানববন্ধনে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচি। এইচআরডি রোকেয়া বেগমের সভাপতিত্বে ও সাংবাদিক মানবাধিকার সংগঠন মুজিব উল্ল্যাহ্ তুষারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে গুমের শিকার পরিবারের সদস্য হোসনে আরা বেগম, জুলাইয়ের যোদ্ধা আবদুল হান্নান, ও মানবাধিকারকর্মী ওচমান জাহাঙ্গীর সহ সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা বক্তব্য দেন।
মানববন্ধনে আরো উপস্থিত ছিলেন, ক্যাব এর সহ- সভাপতি মো. জানে আলম, মোহাম্মদ বখতিয়ার, মো.আরিফুর রহমান,ইমরান সোহেল, শাহা জালাল,ইকবাল ইবনে মালেক, মুহাম্মদ আমির হোসাইন, মো.হাফিজুর রহমান, রেহেনা সুলতানা সহ প্রমুখ।