জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও অপরাধ প্রবণতা দমনে নারায়ণগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী ও ঘনবসতিপূর্ণ কুতুবপুর ইউনিয়নকে পৃথক একটি পূর্ণাঙ্গ থানায় রূপান্তরের দাবি ক্রমশ জোরালো হয়ে উঠছে। বিশাল এলাকা এবং বিপুল জনসংখ্যার অনুপাতে পর্যাপ্ত পুলিশি টহল ও নিরাপত্তার অভাব থাকায় প্রতিনিয়ত চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই ও মাদক কারবারের মতো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের।
স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, কুতুবপুর ইউনিয়নে বর্তমানে কয়েক লাখ মানুষের বসবাস। এলাকাটি শিল্প ও বাণিজ্যিক দিক থেকেও বেশ গুরুত্বপূর্ণ। অথচ বিশাল এই জনপদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য নির্ভর করতে হয় পার্শ্ববর্তী থানার ওপর। দূরত্ব এবং যাতায়াত সমস্যার কারণে কোনো অপরাধ সংঘটিত হলে পুলিশ পৌঁছাতে পৌঁছাতে অনেক সময় পার হয়ে যায়। ফলে অপরাধীরা সহজেই পার পেয়ে যায়।
এলাকার ব্যবসায়ী ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা জানান, কুতুবপুরকে থানা হিসেবে উন্নীত করা এখন সময়ের দাবি। বর্তমানে ফতুল্লা ও সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওপর যেমন বাড়তি চাপ সৃষ্টি হচ্ছে, তেমনি কুতুবপুরের সাধারণ মানুষও কাঙ্ক্ষিত পুলিশি সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
কুতুবপুরকে নতুন থানা হিসেবে ঘোষণা করা হলে—
এলাকা থেকে মাদক, ছিনতাই ও কিশোর গ্যাংয়ের উৎপাত দ্রুত নির্মূল করা সম্ভব হবে।
দ্রুত পুলিশি সহায়তা পাওয়ার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাবোধ বাড়বে।
ফতুল্লা ও পার্শ্ববর্তী থানাগুলোর ওপর অতিরিক্ত কাজের চাপ হ্রাস পাবে।
এ বিষয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে দ্রুত কুতুবপুরকে থানা ঘোষণার প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।