জগৎ জুড়ে অশান্তি আজ শান্তি গেছে চলে , সন্ত্রাস আর বোমাবাজি বাটপার আছে বলে । কার টাকা কে খাবে কাকে করবে ধ্বংস , পরের ক্ষতি করবে বলে আছে কত বংশ
কোটার নামে আন্দোলন করে জাতিকে দিলি ধোঁকা , বাংলার মানুষ করেছিল বিশ্বাস সবাই কিরে বোকা ? স্বার্থের জন্য তোরা সবাই করছিস দেশ ধ্বংস , একদিন দেখবি সবাই তোদের শেষ হবে
দুঃখিনী মা’য়ের মুখে হাসি দেখলে মনে পরে স্বাধীনতা আমার স্বাধীনতা , বীরাঙ্গনা নারীর মলিন মুখে হাসি দেখলে মনে পরে স্বাধীনতা আমার স্বাধীনতা , কংকালসার কৃষকের মুখে হাসি দেখলে মনে পরে
লাগলো আগুন সচিবালয়ে পুড়লো কত নথি , আগুন লাগলো বিমান বন্দরে হবে কি তার গতি ? লাগে আগুন ফ্যাক্টরিতে লাগে দোকানপাটে , লন্চে কেন লাগে আগুন এসব কেন ঘটে !
হিম কুয়াশায় ভোর বিহানে রবির চোখে ছানি, ঘাসের সাথে আবছা আলো করছে কানা কানি। শীত আসে নাই তা জানি ভাই আমেজ তবু শীতের, হেমন্তের এই নবান্নতে কী আনন্দ গীতের! বঙ্গ
চেনা মানুষের অচেনা আচরণ ভীষণ যাতনা যন্ত্রণার কারণ, ভালবাসার কথা বলে হয় ছলনা অশ্রুতে অনল নেভানো যায় না। অপরের চেয়েও বেশি ভয়ঙ্কর আপন যখন হয়ে যায় পর, বুকের গহিনে অনিষ্ট
অবিচার অনাচার ফেতনা ফ্যাসাদ দুর্ভোগ দুর্গতি বাড়ছে দিনরাত, চলছে অনিয়ম সাথে যাতনা বাড়ছে সহ্য করার ক্ষমতা। দুর্নীতি স্বজনপ্রীতি যাচ্ছে বেড়ে সমাজে সত্য চলে অবনত বেশে, মিথ্যা এগিয়ে নানা অজুহাতে যাতনার
কবি ও কথা সাহিত্যিক তালুকদার লাভলী প্রণীত কাব্যগ্রন্থ ‘আমার বিষণ্ন শব্দাবলি’র পাঠ-উন্মোচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। আগামী শনিবার (১১ই অক্টোবর) বিকেলে পেন বাংলাদেশ এর আয়োজনে রাজধানীর বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের ৫০৫ নম্বর কক্ষে
কান পেতে শুনি আমি আমার নদীর কান্না , নদী আজ যাচ্ছে মরে তাই কথা কয়না । নদীর বুকে জোয়ার ভাটা আজ আর নাই , মাঝি মাল্লার ভাটিয়ালি সুর এখন নাই
কাঁদে কৃষক মনের দুঃখে মাথায় রেখে হাত সারের দাম বাড়ছে শুধু কেমনে খাবে ভাত ? লোডশেডিং চলছে সদা গ্রাম গন্জ শহরে , পড়া লেখা হচ্ছে নষ্ট পাই তাহা খবরে ।