বাংলাদেশ সাংবাদিক উন্নয়ন সংস্থার জাতীয় প্রতিনিধি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৭ ডিসেম্বর ২০২৫) সকাল ১০টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের জাতীয় প্রেসক্লাবের আখরাম খাঁ হল (৩য় তলা), ঢাকায় এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সংস্থার
দিল্লির চানক্যপুরীর কূটনৈতিক এলাকায় বাংলাদেশের হাইকমিশনের সামনে শনিবার রাতে ঘটে যাওয়া ঘটনাটি আপাতদৃষ্টিতে একটি বিক্ষোভের খবর হলেও, এর তাৎপর্য দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বর্তমান অবস্থাকে গভীরভাবে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে। নিরাপত্তা
বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিপ্রেক্ষিতে পেশাভিত্তিক ও সহযোগী সংগঠনগুলোর ভূমিকা দীর্ঘদিনের। মূল রাজনৈতিক দলের আদর্শ ও কর্মসূচি নির্দিষ্ট শ্রেণি বা পেশার মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে এসব সংগঠন কার্যকর মাধ্যম হিসেবে কাজ করে।
দীর্ঘ প্রায় দুই দশকের প্রবাসজীবনের অবসান ঘটিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফেরার ঘোষণা বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা। এটি শুধু একটি রাজনৈতিক প্রত্যাবর্তন নয়; বরং দীর্ঘদিনের
সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে রুর্যাল জার্নালিষ্ট ফাউন্ডেশন (আরজেএফ)’র বৃহত্তর ডেমরা থানা শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। গত ৯ ডিসেম্বর আরজেএফ চেয়ারম্যান স্বাক্ষরিত অনুমোদিত এই কমিটিতে অভিজ্ঞ, ত্যাগী ও
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন আইন সহায়তা কেন্দ্র আসক ও মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন লেখক, সাংবাদিক, কলামিস্ট, সংগঠক ও মানবাধিকারকর্মী ড. এ জেড এম মাইনুল ইসলাম পলাশ। ড. মাইনুল ইসলাম
১৬ ডিসেম্বর, মহান বিজয় দিবস। বাংলাদেশের ইতিহাসে এটি শুধু উৎসবের দিন নয়; এটি রাষ্ট্রের জন্মকথা, জাতির আত্মপরিচয় এবং ভবিষ্যতের দায়িত্ব স্মরণ করার দিন। নয় মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের পর, ১৯৭১ সালের
বাংলাদেশের রাজনীতিতে নির্বাচন সব সময়ই একটি সংবেদনশীল ও নির্ণায়ক বিষয়। রাষ্ট্রক্ষমতার বৈধতা, গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা- এই তিনটি প্রশ্ন শেষ পর্যন্ত এসে দাঁড়ায় নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতার ওপর। এই বাস্তবতায় বিএনপির
বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এমন এক রাজনৈতিক বাস্তবতায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে, যেখানে ‘নির্বাচন’ শব্দটির অর্থ ও বিশ্বাসযোগ্যতা নতুন করে সংজ্ঞায়িত হওয়ার দাবি রাখে। গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের ক্ষমতাসীন সরকারের পতনের
ডিসেম্বর—বাংলার অস্তিত্ব, আত্মমর্যাদা ও স্বাধীনতার মাস। ১৯৭১ সালের রক্তাক্ত সংগ্রামের মধ্য দিয়ে অর্জিত এই বিজয়ের মাস ২০২৪ সালে এসে নতুন করে স্মরণ করিয়ে দেয় জাতির শেকড়, ত্যাগ ও গৌরবের কথা।