মোঃ আব্দুল সামাদ বিশ্বাস: ডাঃ শেখ সুফিয়ান রুস্তম সাবেক সিভিলসার্জন সাতক্ষীরা বর্তমান কর্মস্থান ভোলা সহকারী পরিচালক স্বাস্থ্য, এই ডাঃ সুফিয়ান রুস্তম বিগত ২০১৮ ইং সালের খুলনা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের সময়- ০৩ মে ২০১৮ ইং সালে যখন খালিশপুর থানার অন্তর্গত ১৫ নং ওয়ার্ডে সময় আনুমানিক বিকাল-০৪ টার সময় যখন বিএনপি’র মেয়র প্রার্থীর গণ সংযোগটি যখন আলমনগর বাজারে আসে তখন আওয়ামী সন্ত্রাসীরা ধানের শীষের মেয়র প্রার্থীর গণসংযোগে আতর্কিত হামলা চালায় এই বহু বিএনপি নেতা কর্মী আহত হয়,আহতোদের মধ্যে তখন গুরুতর আহত হয়, ১৫ নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সদস্য ও সাবেক গ্রাম-সরকার সম্পাদক মোঃ সামাদ বিশ্বাস যুবদল খুলনা মহানগর এই হামলার পিছনে ইন্ধন দাতা ও অর্থ প্রদানকারী ডাঃ শেখ সুফিয়ান রুস্তম। খুলনা বিএমএ সভাপতি ডাঃ বাহারুল যিনি দক্ষিণবঙ্গের চিকিৎসা খাতের ত্রাস তার অনুমতি বা হুকুম ছাড়া প্রমোশন বা বদলি কোনটাই হয় না? বিএমএ সভাপতি ডাঃ বাহারুল এর অন্যতম সহযোগী এই ডাঃ শেখ সুফিয়ান রুস্তম গত জুন-২০২৪ ইং সালে খালিশপুর আলমনগর বাজারের খান ব্রাদার্স এর সামনে দাড়িয়ে জলিল ওরফে রাঙ্গা জলিল কে বলে যে, জলিল তুমি আমকে চেন জবাবে জলিল বলে আপনি সিদ্দিক সাহেবের ছেলে উত্তরের ডাঃ সুফিয়ান বলে, না আমি সিদ্দিক সাহেবের ছেলে না? তুমি জানো আমি সিভিল সার্জন আমি ফোন দিলে পুলিশ এসে তোমাকে ধরে নিয়ে যাবে, তুমি আমার জমি দেখানোর জন্য লোক নিয়ে গেছে জবাবে জলিল বলে ওটা তো রাজশাহীর মজিবরের জমি? তখন ডাঃ শেখ সুফিয়ান রুস্তম উত্তেজিত হয়ে জলিলকে কিছু কথাবার্তা বলে, কথাবার্তার এক পর্যায়ে ডাঃ শেখ সুফিয়ান রুস্তম বলেন, সামাদ,মাফিজ,মোজাফফর এরা বিএনপি করে এদেরকে আমি ইয়াবা দিয়ে পুলিশে ধরিয়ে দেবো? এখানে প্রশ্ন থাকে যে তাহলে ডাঃ সুফিয়ান একজন ডাঃ না কি ইয়াবা ব্যাবসায়ী? ভুক্তভোগীরা মনে করেন ডাঃ সুফিয়ান তার পেশার পাশাপাশি পাশাপাশি ইয়াবা ব্যাবসার সাথে কি জড়িত? তা-না হলে সে কি ভাবে ১৫ নং ওয়ার্ড বিএনপি’র যুগ্ন-আহবায়ক বি,এম মাফিজুর রহমান, ওয়ার্ড বিএনপি’র সদস্য শেখ মোজাফফর হোসেন মাতুব্বর ও খুলনা মহানগর যুবদলের গ্রাম-সরকার সম্পাদক মোঃ আব্দুল সামাদ বিশ্বাস কে কি ভাবে সে ইয়াবা দিয়ে পুলিশে ধরিয়ে দিতে চায়? গত মে ২০২৪ মাসে এই ডাঃ শেখ সুফিয়ান রুস্তম সাতক্ষীরায় সিভিল সার্জন দায়িত্ব পালন করা অবস্থায়, তার বিরুদ্ধে সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন অফিসে লোকবল নিয়োগের অনিয়ম দুর্নীতির চিত্র স্থানীয় বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল? শুধু তা-ই নয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে তখন ডাঃ শেখ সুফিয়ান রুস্তম এর ব্যাপারে লিখিত অভিযোগ সহ মানববন্ধন সাংবাদিক সম্মেলন ও করা হয়। কিন্তু তাতে ডাঃ শেখ সুফিয়ান রুস্তম এর কিছুই হয়নি। তার কারণ সে আওয়ামী পরিবারের রাজনীতি সাথে জড়িত থাকায় সেখান থেকে তাকে বদলি করে ভোলার পাঠিয়ে দেওয়া হয়। শুধু তা-ই নয় ডাঃ সুফিয়ান রুস্তম এর ব্যাপারে তদন্ত করলে তার দুর্নীতির আসল চিত্র বেরিয়ে আসবে, এই ডাঃ সুফিয়ান আওয়ামী লীগের অর্থ যোগানদাতা, তার গ্রামের বাড়ী গোপালগঞ্জে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান ড. মোঃ ইউনুস স্যার, প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ সহ দুর্নীতি দমন কমিশন ( দুদক) কর্মকর্তাদের বিশেষভাবে অনুরোধ করব তারা যেন, ডাঃ শেখ সুফিয়ান রুস্তম এর ব্যাপারে অতি দ্রুত আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।