1. masudkhan89@gmail.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@yahoo.com : Masud Khan : Masud Khan
ব্রেকিং নিউজ :
রামেক ইন্টার্ন পরিষদ নির্বাচনে ‘ঐক্যের অঙ্গীকার’ প্যানেলের ভূমিধস বিজয় মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পদে আস্থা রাখতে চান তৃণমূল কর্মীরা ‘শিশু নোবেল’ পুরস্কারের জন্য মনোনীত তজুমদ্দিনে ফুলকুঁড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক রেখা ম্যাডামের বিদায় সংবর্ধনা ধামসোনা ইউনিয়ন পরিষদে ট্রেড লাইসেন্সের নামে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ সচিব মাসুদ করিমের বিরুদ্ধে পাহাড়ের রামগড় থেকে নজরুল বর্ষের মঞ্চে দুই খুদে প্রতিভা রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় ও শাহজাদপুর থানার যৌথ উদ্যোগে ইভটিজিং ও যৌন হয়রানি প্রতিরোধে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত। ৬ মাসের জন্য স্থগিত এপিপি হযরত আলী হিরন খুলনার ডুমুরিয়ায় রাস্তায় রান্না, ঘরের মাচায় ঘুম ঢাকায় নিখোঁজ কলেজছাত্রের লাশ ডিমলায় উদ্ধার,জিজ্ঞাসাবাদে আরও দুজনের নাম

মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক ওসমানীর স্বীকৃতি প্রশ্নে সরকারের প্রতি আহ্বান- মাহমুদুর রহমান লায়েকের

  • আপডেট সময় : শনিবার, ৪ জুলাই, ২০২৬
  • ০ দেখেছেন

মহান মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক বঙ্গবীর জেনারেল এম. এ. জি. ওসমানীর প্রাপ্য রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি নিয়ে আবারও জনপরিসরে আলোচনা জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন “ওসমানী স্মৃতি পরিষদ”-এর প্রতিষ্ঠাতা মাহমুদুর রহমান লায়েক।
গত বৃহস্পতিবার ০২ জুলাই একান্ত সাক্ষাৎকারে মাহমুদুর রহমান লায়েক বলেন, স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরও তাঁর অবদান যথাযথভাবে মূল্যায়িত হয়নি বলে দাবি করে এ বিষয়ে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে।
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে জেনারেল এম. এ. জি. ওসমানীর নেতৃত্বকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে উল্লেখ করে বলা হয়, ১৯৭১ সালে তাঁর দক্ষ নেতৃত্ব, কৌশলগত দূরদর্শিতা এবং সাংগঠনিক সক্ষমতার ফলে মুক্তিবাহিনী একটি সুসংগঠিত শক্তিতে রূপ নেয়। তাঁর নেতৃত্বেই পরিচালিত হয় মুক্তিযুদ্ধ, যার মাধ্যমে অর্জিত হয় দেশের স্বাধীনতা। তবে দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে তাঁর অবদান পূর্ণাঙ্গ স্বীকৃতি পায়নি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
একই প্রেক্ষাপটে মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার, জেড ফোর্সের অধিনায়ক এবং পরবর্তীতে রাষ্ট্রপতি হওয়া শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ভূমিকা নিয়েও বিভিন্ন সময় রাজনৈতিক বিতর্ক ও ভিন্নমত পরিলক্ষিত হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়। এতে করে মুক্তিযুদ্ধের সামগ্রিক ইতিহাস মূল্যায়নে বিভাজন তৈরি হয়েছে বলেও দাবি করা হয়।
প্রতিক্রিয়া হিসেবে মাহমুদুর রহমান লায়েক জানান, মুক্তিযুদ্ধ কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের সম্পত্তি নয়; এটি সমগ্র জাতির অর্জন। তাই যাঁরা এই যুদ্ধে নেতৃত্ব দিয়েছেন, তাঁদের অবদান দলীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে মূল্যায়ন করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। তিনি বলেন, “বঙ্গবীর ওসমানী যেমন মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক হিসেবে ইতিহাসের অবিচ্ছেদ্য অংশ, তেমনি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানও একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সেক্টর কমান্ডার হিসেবে জাতীয় ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ স্থান অধিকার করেন।”
তিনি আরও জানান, গত ১৬ বছর ধরে “ওসমানী স্মৃতি পরিষদ”-এর মাধ্যমে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসছেন। এর মধ্যে রয়েছে স্মারকলিপি প্রদান, সেমিনার, মানববন্ধন ও আলোচনা সভা। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে রাষ্ট্রের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করা হলেও পূর্ববর্তী সরকারের আমলে দৃশ্যমান কোনো কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি।
বর্তমান সরকারের প্রতি প্রত্যাশা ব্যক্ত করে তিনি বলেন, দেশের মানুষ নতুন করে আশাবাদী। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি আশা প্রকাশ করেন, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও জাতীয় বীরদের যথাযথ মর্যাদা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
এ লক্ষ্যে কয়েকটি নির্দিষ্ট দাবি তুলে ধরা হয়েছে। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—জেনারেল এম. এ. জি. ওসমানীকে দেশের একমাত্র “বঙ্গবীর” এবং মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক হিসেবে সরকারি গেজেট প্রকাশ, তাঁর জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকী রাষ্ট্রীয়ভাবে পালন, শিক্ষাক্রমে তাঁর জীবন ও অবদান অন্তর্ভুক্তি, সিলেটের ওসমানী জাদুঘরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীতকরণ, তাঁর নামে একটি সামরিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা এবং হবিগঞ্জের তেলিয়াপাড়া বাংলোয় মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি জাদুঘর নির্মাণ।
পটভূমিতে উল্লেখ করা হয়, মুক্তিযুদ্ধ বাংলাদেশের জাতীয় পরিচয়ের ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত। এই ইতিহাসের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের যথাযথ স্বীকৃতি ও মূল্যায়ন না হলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে ইতিহাসের পূর্ণাঙ্গ চিত্র উপস্থাপন বাধাগ্রস্ত হতে পারে।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By Rahat IT Ltd.