1. masudkhan89@gmail.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@yahoo.com : Masud Khan : Masud Khan
ব্রেকিং নিউজ :
‘গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা আল-কুরআন বিরোধী’: প্রেসক্লাবে ইসলামী সমাজের মানববন্ধন থেকে ৩ দফা কর্মসূচি ঘোষণা নারীর হাতে মোবাইল: হালুয়াঘাটে বাড়ছে পরকীয়া ও সংসার ভাঙন, ঝুঁকিতে উঠতি বয়সের শিশুরা ডেঙ্গু প্রতিরোধে বেনাপোলে মশক নিধন অভিযান, সচেতনতার বার্তা পালংখালী ভুবনেশ্বরী গীতা মন্দিরের নতুন ভবন নির্মাণে প্রস্তুতি সভা  নড়াইলে মেম্বারকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ, বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী সীমান্তবর্তী এলাকা হালুয়াঘাটে শীতের আগমনী বার্তা: ঘরে ঘরে পিঠা উৎসব ও পৌষের আমেজ রাজশাহীতে ‘অপ-সাংবাদিকতা’ বন্ধে ব্যবস্থা চেয়ে ভূমিমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা সমাজকল্যান সচিবের খুলনায় প্রতিবন্ধীসেবা ও সাহায্য কেন্দ্র পরিদর্শন আদালতের আদেশ অমান্য করে ধামরাইয়ে জমি দখল ও সাইনবোর্ড টাঙানোর অভিযোগ গাজীপুরের কালীগঞ্জে প্রথম পর্যায়ে ১৪৫১ জন পেলেন কৃষক কার্ড

মালুমঘাটে দুই হাজার চারার সফল পরিচর্যায় প্রশংসিত বন কর্মকর্তা কামরুল হাসান রুবেল ও শাহরিয়ার আমিন

  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬
  • ০ দেখেছেন

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার মালুমঘাট এলাকায় প্রধানমন্ত্রীর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আওতায় রোপণ করা দুই হাজার দেশীয় প্রজাতির গাছের চারা সুরক্ষা ও পরিচর্যায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন ফাসিয়াখালী রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক ও রেঞ্জ কর্মকর্তা মোঃ কামরুল হাসান রুবেল এবং ডুলাহাজারা বিটের ফরেস্টার ও বিট কর্মকর্তা মোঃ শাহরিয়ার আমিন।

বন বিভাগের সূত্রে জানা যায়, মালুমঘাট এলাকায় ১০ প্রজাতির প্রায় দুই হাজার গাছের চারা রোপণ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে তেলি গর্জন, ঢাকিজাম, জাম, চাপালিশ, দারমারা, চম্পা, নিম, সিভিট, বৈলাম ও ছাতিয়ান। এসব চারার মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর রোপণ করা তেলি গর্জন চারাটি বিশেষ গুরুত্বের সঙ্গে সংরক্ষণ করা হচ্ছে।

চারাগুলো রোপণের পর সেগুলোর যথাযথ বৃদ্ধি ও টিকে থাকা নিশ্চিত করতে মাঠপর্যায়ে নিবিড় তদারকি করছেন মোঃ কামরুল হাসান রুবেল ও মোঃ শাহরিয়ার আমিন। তাদের নির্দেশনা অনুযায়ী শ্রমিকরা নিয়মিত আগাছা পরিষ্কার, মাটি ঝুরঝুরে করা, পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা এবং চারার স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণের কাজ করছেন।

সরেজমিনে দেখা গেছে, প্রধানমন্ত্রীর রোপণ করা তেলি গর্জন চারাটির চারপাশে বাঁশের সুরক্ষা বেষ্টনী নির্মাণ করা হয়েছে। সেখানে একটি তথ্যফলক স্থাপন করা হয়েছে, যেখানে গাছটির বৈজ্ঞানিক পরিচিতি এবং রোপণকারীর নাম উল্লেখ রয়েছে। একই সঙ্গে গবাদিপশুর আক্রমণ ও মানুষের অসাবধানতাজনিত ক্ষতি থেকে রক্ষার জন্য নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

এলাকাটিতে মানুষের চলাচল এবং গরু-ছাগলের অবাধ বিচরণ থাকায় চারাগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দিন-রাত পাহারার ব্যবস্থা করা হয়েছে। একটি উঁচু গাছে মাচা তৈরি করে রাতের বেলায় নজরদারির ব্যবস্থাও করা হয়েছে। বন বিভাগের তত্ত্বাবধানে নিয়োজিত শ্রমিকরা পালাক্রমে দায়িত্ব পালন করছেন।

স্থানীয়দের মতে, শুধু বৃক্ষরোপণ করাই নয়, চারাগুলোকে টিকিয়ে রাখা এবং বড় করে তোলার জন্য যেভাবে মাঠপর্যায়ে কাজ করা হচ্ছে, তা প্রশংসার দাবিদার। বিশেষ করে মোঃ কামরুল হাসান রুবেল ও মোঃ শাহরিয়ার আমিন নিয়মিত পরিদর্শনের মাধ্যমে পুরো কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করছেন।

বন বিভাগ সংশ্লিষ্টরা জানান, দেশীয় প্রজাতির বৃক্ষ সংরক্ষণ, জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং পরিবেশের ভারসাম্য ফিরিয়ে আনতে সরকারের চলমান কর্মসূচির অংশ হিসেবে এসব গাছ রোপণ করা হয়েছে। এর সফল বাস্তবায়নে মাঠপর্যায়ে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখছেন এই দুই কর্মকর্তা।

পরিবেশবিদদের মতে, তেলি গর্জনসহ দেশীয় প্রজাতির গাছ পাহাড়ি এলাকায় মাটির ক্ষয়রোধ, বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল সৃষ্টি এবং বনভূমির প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই এসব গাছের সঠিক পরিচর্যা ও সংরক্ষণ অত্যন্ত জরুরি।

বন বিভাগের আশা, মোঃ কামরুল হাসান রুবেল ও মোঃ শাহরিয়ার আমিনের তত্ত্বাবধানে মালুমঘাটের এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ভবিষ্যতে একটি সফল সবুজায়ন প্রকল্পে পরিণত হবে এবং এলাকার পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. মারুফ হোসেন নুরুল ইসলাম সুমনকে জানান, প্রধানমন্ত্রীর রোপণ করা চারাসহ মালুমঘাটে রোপিত সব চারার নিরাপত্তা ও পরিচর্যায় সার্বক্ষণিক টহলের ব্যবস্থা করা হয়েছে। বিজ্ঞানভিত্তিক পদ্ধতিতে চারাগুলোর নিয়মিত পরিচর্যা চলছে।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By Rahat IT Ltd.