1. masudkhan89@gmail.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@yahoo.com : Masud Khan : Masud Khan
ব্রেকিং নিউজ :
সাংবাদিক আসাদ সবুজকে হ্যান্ডকাফ পরানোর ঘটনায় এসআই প্রত্যাহার, জামিন শুনানি বুধবার শার্শার খাজুরায় ভোরে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় কাভার্ডভ্যানের হেলপার নিহত জেএসএসের অভিষেক প্রস্তুতি ও কমিটি গঠন রাঙামাটিতে বিশ্ব শিশু অধিকার দিবস ও শিশু একাডেমির সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন সাতক্ষীরায় কলেজ ছাত্র জাকারিয়া হত্যার প্রতিবাদে প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন সরকার জাভেদ আহমেদ সুমন টঙ্গী পাইলট স্কুল অ্যান্ড কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় মীর নুরুদ্দিনের শুভেচ্ছা টঙ্গীর এরশাদনগরে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা সেবা প্রদান তুলার আমদানিনির্ভরতা কমাতে কৃষি ও শিল্পের সমন্বিত কৌশল প্রয়োজন সরকারি ফি ছাপিয়ে সাভার ইউপিতে সচিবের নিজস্ব রেট সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস বারবার সমন সত্ত্বেও সাক্ষ্য দিতে অনুপস্থিত, ৭০০ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

বন্দর থানার এসআই জলিলের বিরুদ্ধে আইজিপি সেলে অভিযোগ

  • আপডেট সময় : বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬
  • ১ দেখেছেন

​মামলা তদন্তে ঘুষ গ্রহণ এবং আদালতে ভুয়া তদন্ত রিপোর্ট দাখিলের অভিযোগে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের বন্দর থানার এসআই আবদুল জলিলের বিরুদ্ধে পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) কমপ্লেইন সেল ও মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

গত ​মঙ্গলবার (১২ মে) ভুক্তভোগী এক জেলে ই-মেইল ও ডাকযোগে এই অভিযোগ পাঠিয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছেন।
​অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী বেলাল একজন পেশায় জেলে। তার বাবা মোতালেব হাওলাদারের মৃত্যুর পর তাদের পৈতৃক ২ শতাংশ খাস জমি ও বসতঘর বড় বোন মিনারা ও ভগ্নিপতি নয়ন ভুয়া স্ট্যাম্পের মাধ্যমে দখল করে নেয়। এ নিয়ে স্থানীয় সালিশে মীমাংসা না হওয়ায় বেলাল আদালতে একটি সিআর মামলা (নং-১৮/২০২৬) দায়ের করেন।

​মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব পান বন্দর থানার এসআই আবদুল জলিল (বিপি নং-৭৭৯৬১৪৫৬৮০। ​তদন্তের খরচ বাবদ এসআই জলিল বাদীর কাছ থেকে ঘুষ গ্রহণ করেন। পরবর্তীতে বিবাদী পক্ষের কাছ থেকে আরও ৪০ হাজার টাকা নিয়ে বাদীর বিরুদ্ধেই আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন।

​মামলার সাক্ষীদের কোনো জিজ্ঞাসাবাদ না করেই তাদের নামে ভুয়া জবানবন্দি তৈরি করে আদালতে জমা দিয়েছেন ওই কর্মকর্তা। সাক্ষীরা জানিয়েছেন, তদন্ত কর্মকর্তা তাদের সাথে কোনো যোগাযোগই করেননি।
​অভিযুক্ত এসআই গত ৮ বছর ধরে বন্দর থানায় কর্মরত। দীর্ঘদিন একই স্থানে থাকার সুবাদে তিনি জুয়ার আসর ও অবৈধ রেনুপোনা পাচারসহ বিভিন্ন অপকর্মে সহায়তাকারী হিসেবে প্রভাবশালী হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

​​ভুক্তভোগী বেলাল সংবাদকর্মীদের বলেন, আমি অসহায় মানুষ, নদীতে মাছ ধরে সংসার চালাই। এসআই জলিল আমার কাছ থেকে টাকা নিয়েও উল্টো আমার বিরুদ্ধে ভুয়া রিপোর্ট দিয়েছেন। সাক্ষীদের কল রেকর্ড আমার কাছে আছে যে তাদের সাথে কোনো কথা বলা হয়নি। আমি এই অন্যায়ের বিচার চাই।

​এ বিষয়ে জানতে চাইলে এসআই আবদুল জলিল সরাসরি মন্তব্য এড়িয়ে গিয়ে ভুক্তভোগীকে থানায় এসে দেখা করতে বলেন। তবে প্রাথমিক আলাপে তিনি নিজের ভুল হয়েছে বলে স্বীকার করেছেন এবং ভুক্তভোগীর কাছ থেকে নেওয়া টাকা ফেরত দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন বলে জানা গেছে।

​​তদন্ত কর্মকর্তার এমন অপেশাদার আচরণ ও জালিয়াতির ঘটনায় চন্দ্রমোহন ইউনিয়নসহ বন্দর থানা এলাকায় ব্যাপক সমালোচনা ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয়রা।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By Rahat IT Ltd.