ধনবাড়ীর মাটি ও মানুষের সাথে যার দীর্ঘদিনের সম্পর্ক, সেই শিক্ষক থেকে জননেতা হয়ে ওঠা এ আর খান মাস্টার এবার উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে লড়তে চান একটাই লক্ষ্য নিয়ে – গরীব দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটানো।
এ আর খান মাস্টার বলেন, আমি রাজনীতিতে এসেছি পদ-পদবির জন্য নয়, ধনবাড়ীর অবহেলিত মানুষের কথা বলার জন্য। যাদের ঘরে খাবার নেই, যারা চিকিৎসার অভাবে কষ্ট পায়, যাদের ছেলেমেয়ে স্কুলে যেতে পারে না – তাদের পাশে দাঁড়ানোই আমার প্রথম কাজ।গরীব মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য উপবৃত্তি ও বই বিতরণের ব্যবস্থা।বেকার যুবকদের জন্য কারিগরি প্রশিক্ষণ ও ক্ষুদ্রঋণের ব্যবস্থা।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গরীব রোগীদের বিনামূল্যে ওষুধ ও অ্যাম্বুলেন্স সেবা নিশ্চিত করা।মেডিকেল ক্যাম্প আয়োজন করে গ্রামে গ্রামে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়া,বন্যা, খরা, অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে তাৎক্ষণিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়া। বিধবা, প্রতিবন্ধী ও বয়স্ক ভাতাভোগীদের তালিকা হালনাগাদ করে কাউকে বঞ্চিত না করা- জমি-জমা, পারিবারিক বিরোধে গরীব মানুষ যেন টাকার অভাবে ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত না হয়, সেজন্য বিনামূল্যে সালিশের ব্যবস্থা করা।
মানুষের সাথে সম্পর্ক স্থানীয়রা বলেন, “মাস্টার স্যারকে আমরা ছোটবেলা থেকে চিনি। উনি কখনো কাউকে ফিরিয়ে দেন না। মসজিদ, মাদ্রাসা, স্কুল, ঈদগাহ – যেকোনো কাজে আগে এগিয়ে আসেন।এই সহজ-সরল সম্পর্ক আর বিশ্বাসই এ আর খান মাস্টারকে ধনবাড়ীর গরীব মানুষের আপনজন করে তুলেছে। ভোটারদের প্রতি আহ্বান এ আর খান মাস্টার বলেন, আমাকে ভোট দিন উন্নয়নের জন্য, গরীবের কথা বলার জন্য। আমি কথা দিচ্ছি, উপজেলা পরিষদের দরজা সবসময় খোলা থাকবে। কোনো গরীব মানুষ ফিরে আসবে না খালি হাতে।
গরীবের হাসি, আমার শান্তি – ধনবাড়ী হবে উন্নয়নের সঙ্গী।