1. masudkhan89@gmail.com : Ghoshana Desk :
  2. zunayedafif18@gmail.com : Mahir Al Mahbub : Mahir Al Mahbub
  3. masudkhan89@yahoo.com : Masud Khan : Masud Khan
ব্রেকিং নিউজ :
‘গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা আল-কুরআন বিরোধী’: প্রেসক্লাবে ইসলামী সমাজের মানববন্ধন থেকে ৩ দফা কর্মসূচি ঘোষণা নারীর হাতে মোবাইল: হালুয়াঘাটে বাড়ছে পরকীয়া ও সংসার ভাঙন, ঝুঁকিতে উঠতি বয়সের শিশুরা ডেঙ্গু প্রতিরোধে বেনাপোলে মশক নিধন অভিযান, সচেতনতার বার্তা পালংখালী ভুবনেশ্বরী গীতা মন্দিরের নতুন ভবন নির্মাণে প্রস্তুতি সভা  নড়াইলে মেম্বারকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ, বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী সীমান্তবর্তী এলাকা হালুয়াঘাটে শীতের আগমনী বার্তা: ঘরে ঘরে পিঠা উৎসব ও পৌষের আমেজ রাজশাহীতে ‘অপ-সাংবাদিকতা’ বন্ধে ব্যবস্থা চেয়ে ভূমিমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা সমাজকল্যান সচিবের খুলনায় প্রতিবন্ধীসেবা ও সাহায্য কেন্দ্র পরিদর্শন আদালতের আদেশ অমান্য করে ধামরাইয়ে জমি দখল ও সাইনবোর্ড টাঙানোর অভিযোগ গাজীপুরের কালীগঞ্জে প্রথম পর্যায়ে ১৪৫১ জন পেলেন কৃষক কার্ড

চট্টগ্রামে বিদ্যুৎ বিপর্যয় চরমে উৎপাদনে ভয়াবহ ধস,৬ কেন্দ্র বন্ধ লোডশেডিং ২৫০–২৮০ মেগাওয়াট ছাড়িয়ে নগরজুড়ে অচলাবস্থা

  • আপডেট সময় : শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬
  • ০ দেখেছেন

চট্টগ্রামে বিদ্যুৎ সরবরাহ পরিস্থিতি এখন চরম সংকটপূর্ণ অবস্থায় পৌঁছেছে। উৎপাদন ব্যবস্থায় ধারাবাহিক ধস, গ্যাস সরবরাহে অস্থিরতা এবং একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পুরো নগরজুড়ে অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।

লোডশেডিংয়ের পরিমাণ এখন ২৫০ থেকে ২৮০ মেগাওয়াটে পৌঁছে গেছে। ফলে দিন ও রাত মিলিয়ে নগরীর স্বাভাবিক জীবনযাত্রা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। শিল্প ও বাণিজ্যিক খাতে উৎপাদন ব্যাহত হয়ে অর্থনৈতিক কার্যক্রমেও স্থবিরতা দেখা দিয়েছে।

চট্টগ্রামের বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যবস্থার ২৮টি কেন্দ্রের মধ্যে অন্তত ৬টি কেন্দ্র বর্তমানে সম্পূর্ণভাবে বন্ধ রয়েছে। এর মধ্যে কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের একাধিক ইউনিট, রাউজান-১ ও রাউজান-২ কেন্দ্র এবং জুডিয়াক কেন্দ্র উল্লেখযোগ্য।

ফলে জাতীয় গ্রিডে চাপ ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং সরবরাহ ব্যবস্থায় ভারসাম্যহীনতা তৈরি হয়েছে। সচল কেন্দ্রগুলোর অনেকই আংশিক সক্ষমতায় পরিচালিত হওয়ায় উৎপাদন ধারাবাহিকভাবে কমে যাচ্ছে।

উৎপাদন পরিস্থিতিতে সবচেয়ে উদ্বেগজনক চিত্র দেখা গেছে এনলিমা বিদ্যুৎকেন্দ্রকে ঘিরে। এখানে উৎপাদন সকাল ১০০ মেগাওয়াট থেকে নেমে সন্ধ্যায় মাত্র ১৭ মেগাওয়াটে দাঁড়িয়েছে, যা সংকটের গভীরতাকে আরও স্পষ্ট করে।

আনোয়ারা ইউনাইটেড, বিআর পাওয়ার ও এনার্জিপ্যাকসহ একাধিক কেন্দ্র আংশিকভাবে চালু থাকলেও পূর্ণ সক্ষমতায় নেই। অন্যদিকে মাতারবাড়ি ও
শিকলবাহা কেন্দ্র থেকে কিছু উৎপাদন পাওয়া গেলেও তা মোট চাহিদার তুলনায় অপ্রতুল।

চাহিদা ও সরবরাহের ব্যবধান ক্রমেই বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রকৃত লোডশেডিং সরকারি হিসাবের তুলনায় আরও বেশি বলে সংশ্লিষ্ট মহল ধারণা করছে।

নগরীর বন্দরটিলা,চকবাজার, বহদ্দারহাট, আগ্রাবাদ,হালিশহরসহ বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘ সময় ধরে বিদ্যুৎ বিভ্রাট অব্যাহত রয়েছে।

একবার বিদ্যুৎ চলে গেলে তা ফিরতে দীর্ঘ সময় লেগে যাচ্ছে, ফলে পানি সরবরাহ ব্যবস্থাও মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

বিশেষ করে শিশু, বৃদ্ধ ও অসুস্থ রোগীরা সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন। তীব্র গরমে জনজীবন কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে এবং স্বাস্থ্যঝুঁকি ক্রমেই বাড়ছে।

জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের মতে,
বর্তমান সংকটের মূল কারণ গ্যাস সরবরাহে ঘাটতি এবং উৎপাদন সক্ষমতার সীমাবদ্ধতা। গরম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যুতের চাহিদা আরও বৃদ্ধি পেলেও বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যবস্থা সেই চাপ গ্রহণে সক্ষম হচ্ছে না।

এছাড়া জ্বালানি তেলের ঘাটতি, রক্ষণাবেক্ষণ সংকট এবং আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারের চাপ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি শুধু চট্টগ্রামের সমস্যা নয়—জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য একটি গুরুতর সতর্ক সংকেত। দ্রুত সমন্বিত ও কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ না করলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে।

Please Share This Post in Your Social Media

একই রকম সংবাদ
© সকল স্বত্ব দৈনিক ঘোষণা অনলাইন ভার্শন কর্তৃক সংরক্ষিত
Site Customized By Rahat IT Ltd.