বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সরবরাহে জাতীয় পর্যায়ের সংকটের প্রভাব পড়েছে নবীনগর উপজেলা-তে। চাহিদার তুলনায় অর্ধেক বিদ্যুৎ সরবরাহ পাওয়ায় তীব্র লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন ও ব্যবসা-বাণিজ্য।
নবীনগর জোনাল অফিসের ডিজিএম জানান, উপজেলায় দৈনিক বিদ্যুতের চাহিদা প্রায় ১৬ মেগাওয়াট হলেও বর্তমানে সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ৮ মেগাওয়াটের মতো। ফলে নির্ধারিত সময়ের বাইরেও ঘন ঘন লোডশেডিং করতে হচ্ছে, যা সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বাড়িয়ে তুলেছে।
সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত বিদ্যুতের আসা-যাওয়ার কারণে শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী ও গৃহস্থালি কাজে জড়িত মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। গরমের মধ্যে দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন বাসিন্দারা। বিশেষ করে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও দোকানিরা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, কোনো নির্দিষ্ট সময়সূচি না থাকায় কখন বিদ্যুৎ থাকবে আর কখন থাকবে না—তা বোঝা কঠিন হয়ে পড়েছে। এতে দৈনন্দিন কাজের পরিকল্পনা করাও দুষ্কর হয়ে উঠেছে।
ডিজিএম আরও জানান, জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ উৎপাদন কমে যাওয়ায় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। সরবরাহ স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত লোডশেডিং অব্যাহত থাকতে পারে বলেও তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
এদিকে দ্রুত সমস্যার সমাধান করে স্বাভাবিক বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী নবীনগর উপজেলাবাসী।